Hi

১১:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিমানে কোন সিট বেছে নিচ্ছেন? আপনার ব্যক্তিত্বের গোপন রহস্য ফাঁস করছে তা

বিমানে ভ্রমণের সময় বোর্ডিং পাস হাতে পাওয়ার পর আপনার চোখ সবার আগে কোন সিটের দিকে যায়? জানালার ধারের আরামদায়ক জায়গা, নাকি আইল সিটের চলাচলের স্বাধীনতা? অনেকে আবার পরিস্থিতির চাপে মাঝখানের সিটে আটকা পড়েন। আপনি হয়তো ভাবছেন এটি কেবল একটি সাধারণ সিট, কিন্তু অভিজ্ঞ কেবিন ক্রুদের মতে, আপনার এই সিট বাছাইয়ের ধরনটি আপনার ব্যক্তিত্বের একটি পূর্ণাঙ্গ বায়োডাটা প্রকাশ করে দেয়।

অনেকে জানালার পাশে বসে হুডি টেনে এমনভাবে ঘুমান, যেন মেঘের রাজ্যে পরম শান্তিতে দোল খাচ্ছেন। আবার আইল সিট পছন্দ করেন তারা, যাদের এক জায়গায় বেশিক্ষণ বসে থাকতে অস্বস্তি হয় এবং বারবার উঠে হাঁটাচলার প্রয়োজন পড়ে। তবে যে সিটই আপনার পছন্দ হোক না কেন, এর পেছনে মানুষের অবচেতন মন ও স্বভাবই মূল কলকাঠি নাড়ে। ৩৫ হাজার ফুট উচ্চতায় আপনার এই সিট সিলেকশন সম্পর্কে ঠিক কী কী তথ্য ফাঁস হয়ে যাচ্ছে, তা আজ জেনে নেওয়া যাক।

সব সময় যে আমরা নিজেদের পছন্দের সিট পাই, তা কিন্তু নয়। অনেক সময় টিকিট কাটার সময় দেরি হলে বাধ্য হয়ে যেকোনো ফাঁকা সিটে বসতে হয়। তবে যখন আপনার হাতে অপশন থাকে, তখন আপনি কোন সিটটি বেছে নিচ্ছেন, সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০ বছরের বেশি সময় ধরে ফ্লাইটে কাজ করা অভিজ্ঞ বিমানবালা সিডনি বলেন, ‘আমি ঠিক বুঝিয়ে বলতে পারব না, তবে যাত্রীরা কে কোথায় গিয়ে বসবেন, সেটা তাঁদের ব্যক্তিত্ব ও হাবভাব দেখেই আমি বেশ নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পারি।’ আরেক বিমানবালা লরেটা জানান, এর সঙ্গে খরচেরও একটা সম্পর্ক আছে। যাঁরা একটু বেশি টাকা দিয়ে আপগ্রেডেড সিট কেনেন, তাঁরা ফ্লাইটের ভেতরেও খাবার বা অন্যান্য জিনিসে বেশ উদারভাবে টাকা খরচ করেন।

আইল সিট যাঁরা পছন্দ করেন, তাঁরা সাধারণত আরামের চেয়ে কাজের সুবিধা বা চলাফেরার স্বাধীনতাকে বেশি গুরুত্ব দেন। সিডনি জানান, ‘এই সিটগুলোয় সাধারণত বিজনেস ট্রাভেলার বা চাকরিজীবীদের বেশি দেখা যায়। কারণ, এখানে বসে ল্যাপটপ বের করে কাজ করা সহজ।’ এই যাত্রীরা মূলত নিজেদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পছন্দ করেন। বাথরুমে যাওয়ার জন্য পাশের জনকে ঘুম থেকে তুলে ‘এক্সকিউজ মি’ বলতে তাঁদের চরম অস্বস্তি হয়। আবার ফ্লাইট ল্যান্ড করার পর সবার আগে ব্যাগপত্র গুছিয়ে দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার জন্যও এই সিট তাঁদের প্রথম পছন্দ।

আপনি যদি জানালার ধারের সিট পছন্দ করেন, তবে অভিনন্দন! আপনি সম্ভবত একজন দুর্দান্ত ঘুমকাতুরে, অথবা আকাশ দেখতে খুব ভালোবাসেন, কিংবা দুটোই। জানালার পাশে মাথা এলিয়ে দিয়ে আরামে ঘুমানোর যে সুবিধা, তা আর কোথাও নেই। মাঝপথে কেউ বাথরুমে যাওয়ার জন্য আপনাকে ডিঙিয়ে যাওয়ারও বিরক্তি নেই। যাঁরা ভিড় ভয় পান, তাঁদের আবার এই সিটগুলো খুব পছন্দ। কারণ, আইলের ধারের হাঁটাচলার রাস্তা থেকে তাঁরা বেশ দূরে থাকতে পারেন। এ ছাড়া আরেকটা বড় কারণ হলো, জানালার পর্দা! কখন রোদ আসবে আর কখন অন্ধকার থাকবে, সেই নিয়ন্ত্রণটুকু নিজের হাতে রাখার জন্যই অনেকে এই সিট বেছে নেন।

কেউ সাধ করে মাঝখানের সিটে বসতে চান না। এটা সাধারণত একদম শেষ সম্বল। তবে এই সিটটা কীভাবে পূরণ হচ্ছে, সেটা দেখে অনেক কিছু বোঝা যায়। সিডনি জানান, ‘অনেক সময় তরুণ কাপলদের মধ্যে পুরুষ সঙ্গী ইচ্ছা করে মাঝখানের সিটে বসেন, যেন তাঁর সঙ্গিনী জানালার ধারের আরামটা পান।’ তবে মাঝখানের সিট নিয়ে সবচেয়ে বিরক্তিকর কৌশলটা খাটান একটু বয়স্ক বা দীর্ঘদিনের বিবাহিত কাপলরা। তাঁরা ইচ্ছা করে জানালার ধার ও আইল সিটটা বুক করেন, আর মাঝখানেরটা ফাঁকা রেখে দেন। তাঁদের আশা থাকে, মাঝখানের সিটটা ফাঁকাই থাকবে আর তাঁরা বেশ আয়েশ করে বসতে পারবেন। কিন্তু যদি কপাল গুণে সেখানে কোনো অচেনা যাত্রী এসে পড়েন, তখন দুই পরিচিত মানুষের মাঝখানে বসে বেচারাকে পুরো রাস্তা অস্বস্তিতে কাটাতে হয়!

আর হ্যাঁ, কেউ যদি সত্যিই নিজ থেকে মাঝখানের সিট বেছে নেন, তবে বুঝতে হবে তিনি হয়তো যেকোনো ধরনের ঝগড়া বা কনফ্লিক্ট এড়িয়ে চলতে চান। অথবা সে চরমমাত্রার আড্ডাবাজ, যাঁর দুই পাশের দুজন মানুষের সঙ্গেই কথা বলার তীব্র বাসনা রয়েছে! এক্সিট রো বা একটু বেশি পা ছড়িয়ে বসার সিটগুলোর সঙ্গে ব্যক্তিত্বের চেয়ে বরং শারীরিক কাঠামোর সম্পর্ক বেশি। যাঁদের উচ্চতা বেশি, তাঁরাই সাধারণত একটু বাড়তি টাকা খরচ করে এই সিটগুলো নেন। তবে এখানে বসলে ইমার্জেন্সি বা জরুরি অবস্থায় ক্রুদের সাহায্য করার মতো শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি থাকতে হয়।

যাঁরা ফ্লাইটের একদম সামনের দিকের সিট বেছে নেন, তাঁরা সাধারণত খুব গোছানো হন। তাঁদের লক্ষ্য থাকে কোনো ঝামেলা ছাড়া দ্রুত নেমে যাওয়া। অনেকে আবার একটু নার্ভাস থাকে বলে ক্রু বা পাইলটের কাছাকাছি বসতে স্বস্তি বোধ করেন। অন্যদিকে, পেছনের সিটগুলোয় যাঁরা বসেন, তাঁরা অনেক বেশি চিন্তামুক্ত স্বভাবের হন। অনেক সময় ছোট বাচ্চা থাকা পরিবারগুলো পেছনের দিকে বসে, যাতে বাথরুম বা ক্রুদের গ্যালির কাছাকাছি থাকা যায়। বিমানবালারা শুধু সিট দেখেই বসে থাকেন না, কে কেমন আচরণ করছে, তারও হিসাব রাখে। যেমন সামনের সিটের হাতলে পা তুলে দেওয়া যাত্রীদের তাঁরা প্রচণ্ড বিরক্তিকর এবং কাণ্ডজ্ঞানহীন বলে মনে করেন। আবার অনেকে ইচ্ছা করে অন্যের সিট দখল করে কানে হেডফোন লাগিয়ে ঘুমের ভান করেন, যাতে আসল সিটের মালিক লজ্জায় কিছু বলতে না পারেন!

এই সবকিছু খেয়াল রাখার একটা বড় কারণ হলো, এতে বিমানবালারা আগে থেকেই বুঝতে পারেন কোন যাত্রীর কী প্রয়োজন হতে পারে। তাই ভবিষ্যতে যখন বিমানে উঠবেন, তখন মনে রাখবেন; আপনি সিটে বসে আকাশ দেখছেন, আর কেউ একজন আপনাকে পড়ে ফেলছে একদম খোলা বইয়ের মতো!

চলো দেখে নিই, ৩৫ হাজার ফুট ওপরে তোমার সিট সিলেকশন তোমার সম্পর্কে ঠিক কী কী তথ্য ফাঁস করে দিচ্ছে।

জনপ্রিয়

নীলফামারীতে সাপে কাটা যুবককে ঝাড়ফুঁকে জীবিত করার চেষ্টা, এলাকায় চাঞ্চল্য

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

বিমানে কোন সিট বেছে নিচ্ছেন? আপনার ব্যক্তিত্বের গোপন রহস্য ফাঁস করছে তা

আপডেট : ১০:২৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

বিমানে ভ্রমণের সময় বোর্ডিং পাস হাতে পাওয়ার পর আপনার চোখ সবার আগে কোন সিটের দিকে যায়? জানালার ধারের আরামদায়ক জায়গা, নাকি আইল সিটের চলাচলের স্বাধীনতা? অনেকে আবার পরিস্থিতির চাপে মাঝখানের সিটে আটকা পড়েন। আপনি হয়তো ভাবছেন এটি কেবল একটি সাধারণ সিট, কিন্তু অভিজ্ঞ কেবিন ক্রুদের মতে, আপনার এই সিট বাছাইয়ের ধরনটি আপনার ব্যক্তিত্বের একটি পূর্ণাঙ্গ বায়োডাটা প্রকাশ করে দেয়।

অনেকে জানালার পাশে বসে হুডি টেনে এমনভাবে ঘুমান, যেন মেঘের রাজ্যে পরম শান্তিতে দোল খাচ্ছেন। আবার আইল সিট পছন্দ করেন তারা, যাদের এক জায়গায় বেশিক্ষণ বসে থাকতে অস্বস্তি হয় এবং বারবার উঠে হাঁটাচলার প্রয়োজন পড়ে। তবে যে সিটই আপনার পছন্দ হোক না কেন, এর পেছনে মানুষের অবচেতন মন ও স্বভাবই মূল কলকাঠি নাড়ে। ৩৫ হাজার ফুট উচ্চতায় আপনার এই সিট সিলেকশন সম্পর্কে ঠিক কী কী তথ্য ফাঁস হয়ে যাচ্ছে, তা আজ জেনে নেওয়া যাক।

সব সময় যে আমরা নিজেদের পছন্দের সিট পাই, তা কিন্তু নয়। অনেক সময় টিকিট কাটার সময় দেরি হলে বাধ্য হয়ে যেকোনো ফাঁকা সিটে বসতে হয়। তবে যখন আপনার হাতে অপশন থাকে, তখন আপনি কোন সিটটি বেছে নিচ্ছেন, সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০ বছরের বেশি সময় ধরে ফ্লাইটে কাজ করা অভিজ্ঞ বিমানবালা সিডনি বলেন, ‘আমি ঠিক বুঝিয়ে বলতে পারব না, তবে যাত্রীরা কে কোথায় গিয়ে বসবেন, সেটা তাঁদের ব্যক্তিত্ব ও হাবভাব দেখেই আমি বেশ নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পারি।’ আরেক বিমানবালা লরেটা জানান, এর সঙ্গে খরচেরও একটা সম্পর্ক আছে। যাঁরা একটু বেশি টাকা দিয়ে আপগ্রেডেড সিট কেনেন, তাঁরা ফ্লাইটের ভেতরেও খাবার বা অন্যান্য জিনিসে বেশ উদারভাবে টাকা খরচ করেন।

আইল সিট যাঁরা পছন্দ করেন, তাঁরা সাধারণত আরামের চেয়ে কাজের সুবিধা বা চলাফেরার স্বাধীনতাকে বেশি গুরুত্ব দেন। সিডনি জানান, ‘এই সিটগুলোয় সাধারণত বিজনেস ট্রাভেলার বা চাকরিজীবীদের বেশি দেখা যায়। কারণ, এখানে বসে ল্যাপটপ বের করে কাজ করা সহজ।’ এই যাত্রীরা মূলত নিজেদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পছন্দ করেন। বাথরুমে যাওয়ার জন্য পাশের জনকে ঘুম থেকে তুলে ‘এক্সকিউজ মি’ বলতে তাঁদের চরম অস্বস্তি হয়। আবার ফ্লাইট ল্যান্ড করার পর সবার আগে ব্যাগপত্র গুছিয়ে দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার জন্যও এই সিট তাঁদের প্রথম পছন্দ।

আপনি যদি জানালার ধারের সিট পছন্দ করেন, তবে অভিনন্দন! আপনি সম্ভবত একজন দুর্দান্ত ঘুমকাতুরে, অথবা আকাশ দেখতে খুব ভালোবাসেন, কিংবা দুটোই। জানালার পাশে মাথা এলিয়ে দিয়ে আরামে ঘুমানোর যে সুবিধা, তা আর কোথাও নেই। মাঝপথে কেউ বাথরুমে যাওয়ার জন্য আপনাকে ডিঙিয়ে যাওয়ারও বিরক্তি নেই। যাঁরা ভিড় ভয় পান, তাঁদের আবার এই সিটগুলো খুব পছন্দ। কারণ, আইলের ধারের হাঁটাচলার রাস্তা থেকে তাঁরা বেশ দূরে থাকতে পারেন। এ ছাড়া আরেকটা বড় কারণ হলো, জানালার পর্দা! কখন রোদ আসবে আর কখন অন্ধকার থাকবে, সেই নিয়ন্ত্রণটুকু নিজের হাতে রাখার জন্যই অনেকে এই সিট বেছে নেন।

কেউ সাধ করে মাঝখানের সিটে বসতে চান না। এটা সাধারণত একদম শেষ সম্বল। তবে এই সিটটা কীভাবে পূরণ হচ্ছে, সেটা দেখে অনেক কিছু বোঝা যায়। সিডনি জানান, ‘অনেক সময় তরুণ কাপলদের মধ্যে পুরুষ সঙ্গী ইচ্ছা করে মাঝখানের সিটে বসেন, যেন তাঁর সঙ্গিনী জানালার ধারের আরামটা পান।’ তবে মাঝখানের সিট নিয়ে সবচেয়ে বিরক্তিকর কৌশলটা খাটান একটু বয়স্ক বা দীর্ঘদিনের বিবাহিত কাপলরা। তাঁরা ইচ্ছা করে জানালার ধার ও আইল সিটটা বুক করেন, আর মাঝখানেরটা ফাঁকা রেখে দেন। তাঁদের আশা থাকে, মাঝখানের সিটটা ফাঁকাই থাকবে আর তাঁরা বেশ আয়েশ করে বসতে পারবেন। কিন্তু যদি কপাল গুণে সেখানে কোনো অচেনা যাত্রী এসে পড়েন, তখন দুই পরিচিত মানুষের মাঝখানে বসে বেচারাকে পুরো রাস্তা অস্বস্তিতে কাটাতে হয়!

আর হ্যাঁ, কেউ যদি সত্যিই নিজ থেকে মাঝখানের সিট বেছে নেন, তবে বুঝতে হবে তিনি হয়তো যেকোনো ধরনের ঝগড়া বা কনফ্লিক্ট এড়িয়ে চলতে চান। অথবা সে চরমমাত্রার আড্ডাবাজ, যাঁর দুই পাশের দুজন মানুষের সঙ্গেই কথা বলার তীব্র বাসনা রয়েছে! এক্সিট রো বা একটু বেশি পা ছড়িয়ে বসার সিটগুলোর সঙ্গে ব্যক্তিত্বের চেয়ে বরং শারীরিক কাঠামোর সম্পর্ক বেশি। যাঁদের উচ্চতা বেশি, তাঁরাই সাধারণত একটু বাড়তি টাকা খরচ করে এই সিটগুলো নেন। তবে এখানে বসলে ইমার্জেন্সি বা জরুরি অবস্থায় ক্রুদের সাহায্য করার মতো শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি থাকতে হয়।

যাঁরা ফ্লাইটের একদম সামনের দিকের সিট বেছে নেন, তাঁরা সাধারণত খুব গোছানো হন। তাঁদের লক্ষ্য থাকে কোনো ঝামেলা ছাড়া দ্রুত নেমে যাওয়া। অনেকে আবার একটু নার্ভাস থাকে বলে ক্রু বা পাইলটের কাছাকাছি বসতে স্বস্তি বোধ করেন। অন্যদিকে, পেছনের সিটগুলোয় যাঁরা বসেন, তাঁরা অনেক বেশি চিন্তামুক্ত স্বভাবের হন। অনেক সময় ছোট বাচ্চা থাকা পরিবারগুলো পেছনের দিকে বসে, যাতে বাথরুম বা ক্রুদের গ্যালির কাছাকাছি থাকা যায়। বিমানবালারা শুধু সিট দেখেই বসে থাকেন না, কে কেমন আচরণ করছে, তারও হিসাব রাখে। যেমন সামনের সিটের হাতলে পা তুলে দেওয়া যাত্রীদের তাঁরা প্রচণ্ড বিরক্তিকর এবং কাণ্ডজ্ঞানহীন বলে মনে করেন। আবার অনেকে ইচ্ছা করে অন্যের সিট দখল করে কানে হেডফোন লাগিয়ে ঘুমের ভান করেন, যাতে আসল সিটের মালিক লজ্জায় কিছু বলতে না পারেন!

এই সবকিছু খেয়াল রাখার একটা বড় কারণ হলো, এতে বিমানবালারা আগে থেকেই বুঝতে পারেন কোন যাত্রীর কী প্রয়োজন হতে পারে। তাই ভবিষ্যতে যখন বিমানে উঠবেন, তখন মনে রাখবেন; আপনি সিটে বসে আকাশ দেখছেন, আর কেউ একজন আপনাকে পড়ে ফেলছে একদম খোলা বইয়ের মতো!

চলো দেখে নিই, ৩৫ হাজার ফুট ওপরে তোমার সিট সিলেকশন তোমার সম্পর্কে ঠিক কী কী তথ্য ফাঁস করে দিচ্ছে।