রাজধানীর উত্তরখান এলাকায় সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কর্মীর ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এনএসআই-এর সাবেক পরিচালক কর্নেল জাকিরের নাম নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ঘটনার পরে এক পর্যায়ে তাকে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়াতে দেখা যায়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতির কথা শোনা যায়।
এছাড়া একাধিক সূত্রের অভিযোগ, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কর্নেল জাকিরের নেতৃত্বে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন ধরনের হয়রানি ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটানো হতো। একই সঙ্গে বিএনপিপন্থী হিসেবে পরিচিত কিছু কর্মকর্তাও তার রোষানলের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কর্নেল জাকিরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাজধানীর উত্তরখানের রাজাবাড়ী এলাকায় বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র (এসটিএস) থেকে ময়লা পরিবহন নিয়ে বিরোধের জেরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ওপর হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত ২০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আহত হন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পরিদর্শনে গেলে ডিএনসিসি প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের ওপরও হামলার অভিযোগ ওঠে।গত ২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে উত্তরখানের রাজাবাড়ী এলাকায় অবস্থিত ডিএনসিসির ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের এসটিএস এর সামনে এই সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয় নেপচুন অ্যাকসেসরিজ লিমিটেড নামক পোশাক কারখানার মালিকপক্ষের লোকজনের সাথে ময়লা পরিবহন ও অপসারণ নিয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বিরোধ ও বাক্বিতণ্ডা হয়। আর এতেই সামনে আসে কর্নেল জাকির। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলেন, এই জাকিরই আওয়ামীলীগের দোসর জাকির যার অত্যাচারে অনেক মানুষ অত্যাচারিত হয়েছে।
মীর আলাউদ্দিন 


















