Hi

০৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি বাসা বরাদ্দে নতুন নিয়ম: সরাসরি বরাদ্দ বন্ধ করল আবাসন পরিদপ্তর

সরকারি আবাসন পরিদপ্তর এ, বি ও সি শ্রেণির সরকারি বাসা বা বাড়ি সরাসরি বরাদ্দ দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো ‘বাংলাদেশ অ্যালোকেশন রুলস, ১৯৮২’-এর রুল-৬ অনুসরণ করে যথাযথ কোটা সমন্বয়ের মাধ্যমে এই আবাসনগুলো বরাদ্দ করবে। গত ১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার এ বিষয়ে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ১৯৮২ সালের অ্যালোকেশন রুলসের ৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী এ, বি ও সি শ্রেণির সরকারি বাসা বরাদ্দ দেওয়ার মূল দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ওপর ন্যস্ত। অন্যদিকে, সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের কাজ হলো এই আবাসনগুলোর কোটা বিন্যাস ও সমন্বয় নিশ্চিত করা। সরকারি আবাসন ব্যবস্থাপনা আরও সুষ্ঠু ও কার্যকর করার লক্ষ্যে এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে গত ৩০ জুন সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের বাসা বরাদ্দ কমিটি-১-এর সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সুপারিশ গ্রহণ করা হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি আবাসন পরিদপ্তর থেকে সরাসরি বরাদ্দ না দিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে কোটা সমন্বয় করে বাসা বরাদ্দ দেওয়ার প্রক্রিয়াটি কার্যকর করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, সরকারি রাজস্ব আদায় ও আবাসন ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে তিন মাসের বেশি সময় ধরে খালি থাকা এ, বি ও সি শ্রেণির বাসাগুলো সরকারি পুলে অন্তর্ভুক্ত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। এই সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবেই ইতিমধ্যে বেশ কিছু খালি বাসা প্রাধিকারভুক্ত কর্মচারীদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে এই প্রক্রিয়াটি আরও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে: যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হলো দুটি সার্ভিস সেতু

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

সরকারি বাসা বরাদ্দে নতুন নিয়ম: সরাসরি বরাদ্দ বন্ধ করল আবাসন পরিদপ্তর

আপডেট : ০৩:৩২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি আবাসন পরিদপ্তর এ, বি ও সি শ্রেণির সরকারি বাসা বা বাড়ি সরাসরি বরাদ্দ দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো ‘বাংলাদেশ অ্যালোকেশন রুলস, ১৯৮২’-এর রুল-৬ অনুসরণ করে যথাযথ কোটা সমন্বয়ের মাধ্যমে এই আবাসনগুলো বরাদ্দ করবে। গত ১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার এ বিষয়ে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ১৯৮২ সালের অ্যালোকেশন রুলসের ৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী এ, বি ও সি শ্রেণির সরকারি বাসা বরাদ্দ দেওয়ার মূল দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ওপর ন্যস্ত। অন্যদিকে, সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের কাজ হলো এই আবাসনগুলোর কোটা বিন্যাস ও সমন্বয় নিশ্চিত করা। সরকারি আবাসন ব্যবস্থাপনা আরও সুষ্ঠু ও কার্যকর করার লক্ষ্যে এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে গত ৩০ জুন সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের বাসা বরাদ্দ কমিটি-১-এর সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সুপারিশ গ্রহণ করা হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি আবাসন পরিদপ্তর থেকে সরাসরি বরাদ্দ না দিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে কোটা সমন্বয় করে বাসা বরাদ্দ দেওয়ার প্রক্রিয়াটি কার্যকর করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, সরকারি রাজস্ব আদায় ও আবাসন ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে তিন মাসের বেশি সময় ধরে খালি থাকা এ, বি ও সি শ্রেণির বাসাগুলো সরকারি পুলে অন্তর্ভুক্ত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। এই সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবেই ইতিমধ্যে বেশ কিছু খালি বাসা প্রাধিকারভুক্ত কর্মচারীদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে এই প্রক্রিয়াটি আরও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।