জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার লক্ষ্যে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’-এর খসড়ায় পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। যাচাই-বাছাই শেষে সংশোধিত এই বিলটি সংসদে পাসের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে এবং বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
নতুন খসড়া অনুযায়ী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে এখন থেকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কমিশন যদি তদন্ত চলাকালে কোনো আমলযোগ্য অপরাধের প্রমাণ পায় এবং ওই ঘটনায় থানায় কোনো মামলা দায়ের করা থাকে, তবে কমিশন সংশ্লিষ্ট আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করতে পারবে। এছাড়া যেকোনো ঘটনার তদন্ত পরিচালনার পূর্ণ ক্ষমতাও কমিশনের হাতে থাকবে এবং তাদের তৈরি তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।
মানবাধিকার সুরক্ষায় জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী প্রটোকলের আলোকে ‘জাতীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাপনা ইউনিট’ বা এনপিএম গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এই ইউনিট কোনো পূর্বানুমতি ছাড়াই দেশের যেকোনো আটককেন্দ্র, হাজতখানা ও সেইফ হোম পরিদর্শন করতে পারবে। খসড়া বিলে শুরুতে পূর্বানুমতির যে শর্ত ছিল, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছিল, যা এখন সংশোধন করা হয়েছে।
কমিশন গঠনের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। এখন থেকে কমিশন নিয়োগের ক্ষেত্রে একজন নারী এবং একজন নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর আগে গত ২৭ আগস্ট আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন এবং পরবর্তীতে তা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।
গত ৩০ আগস্ট অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে বিলটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়। এরপর প্রয়োজনীয় সংশোধনসহ বিলটি পাসের সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়। ২০০৯ সালের বিদ্যমান আইনটি রহিত করে নতুন এই আইনি কাঠামো তৈরির মূল উদ্দেশ্য হলো মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধে কমিশনের সক্ষমতা বাড়ানো এবং একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে এর অবস্থান সুসংহত করা।
আজ সংসদে প্রতিবেদনটি উপস্থাপনের পর বিলটির সংশোধনী ও বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর বিলটি চূড়ান্তভাবে পাসের জন্য সংসদে উত্থাপন করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে, নতুন এই আইনের মাধ্যমে মানবাধিকার সুরক্ষায় একটি শক্তিশালী ও কার্যকর আইনি কাঠামো তৈরি হবে, যা ভবিষ্যতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: খসড়া বিলে পূর্বানুমতির বিধান থাকায় তা নিয়ে সমালোচনা উঠেছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ডেপুটি স্পিকার কমিটিকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশের বাজারে আবারও কমল স্বর্ণের দাম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জাতীয় গ্রিডে ‘গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায়’ রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারেক রহমানের সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইউনূসসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণে রুল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা: প্রাণহানি হাজার ছাড়াল, নিখোঁজ ৪৫০০।
রিপোর্টার নাম: 
























