Hi

১২:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামী ২০ থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২০ থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে সরকারি সফরে ভারত যেতে পারেন। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, দুই দেশের নীতিনির্ধারকরা এখন এই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সফরের তারিখ চূড়ান্ত করার বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। গত ১০ আগস্ট ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকের পর থেকেই এই সফরের বিষয়টি জোরালোভাবে সামনে আসে। এরপর ১১ আগস্ট নয়াদিল্লিতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে হাইকমিশনারের একান্ত বৈঠকের মাধ্যমে সফরের প্রস্তুতি প্রক্রিয়া আরও গতি পায়।

নয়াদিল্লির একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, উভয় দেশই এই দ্বিপক্ষীয় সফরের বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী ছিল, তবে সময়সূচি মেলানো নিয়ে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন বিকল্প পর্যালোচনার পর এখন ২০ থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে একটি সময় নির্ধারণের কাছাকাছি পৌঁছেছে দুই পক্ষ। বিশেষ করে ২০-২১ আগস্ট অথবা ২১-২২ আগস্টের মতো তারিখগুলো বর্তমানে বিবেচনায় রাখা হয়েছে। হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ফিরে আসায় দ্রুতই সফরের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সফরের সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার বিষয়টি মাথায় রাখা হয়েছে। এর আগে আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হওয়ার পরই মূলত এই দ্বিপক্ষীয় সফরের বিষয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লি একমত হয়। এছাড়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১ সেপ্টেম্বর সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সম্মেলনে যোগ দিতে কিরগিজস্তানে যাবেন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও সেপ্টেম্বরের শুরুতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিতে নিউইয়র্ক যাবেন। এসব কারণেই উভয় পক্ষ আগস্টের শেষ দিকে সফরটি সম্পন্ন করতে আগ্রহী।

২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, এই সফর তা নিরসনে সহায়ক হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের পর পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হয়, কারণ ভারত যেন তাকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের সুযোগ না দেয়, সে বিষয়ে ঢাকা আগেই অনুরোধ জানিয়েছিল। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও জানিয়েছিলেন যে, ঢাকা চায় ভারত যেন তারেক রহমানের সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।

সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ১০ আগস্ট ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক করেন। একই দিনে ভারতের রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইংয়ের (র) প্রধান পরাগ জৈন ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা এ কে এম শামসুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এরপর ১১ আগস্ট নয়াদিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও উন্নত করার লক্ষ্যেই হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

তারেক রহমানের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই হবে তার প্রথম ভারত সফর। এর আগে তিনি মালয়েশিয়া ও চীন সফর করলেও ভারতের আমন্ত্রণ গ্রহণ করতে কিছুটা সময় নিয়েছেন। নয়াদিল্লিতে দায়িত্ব পালন করা বাংলাদেশের এক সাবেক কূটনীতিকের মতে, এই সফরটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশের জন্য ভারতের সহায়তা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।

এছাড়া ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা, কানেকটিভিটি ও বাণিজ্যের স্বার্থে এই সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। পানি বণ্টন ইস্যুও আলোচনার টেবিলে গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে আগামী ডিসেম্বরে গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া এবং ২০১১ সাল থেকে ঝুলে থাকা তিস্তা চুক্তির বিষয়টি অমীমাংসিত থাকায় এই সফর থেকে বড় কোনো সমঝোতার প্রত্যাশা রয়েছে।

সাবেক এই কূটনীতিকের মতে, শেখ হাসিনা ইস্যু বিদ্যমান থাকলেও বাণিজ্য ও পানির মতো দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত বিষয়গুলোতে উভয় পক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে। এর আগে গত ৩১ জুলাই ঢাকায় সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ প্রেসিডেন্ট দূত সার্জিও গরের সঙ্গেও ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক হয়েছিল, যা বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষকদের ধারণা, ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের না যাওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে শেখ হাসিনা ইস্যুর প্রভাব থাকতে পারে। তবে সব মিলিয়ে এই সফর দুই দেশের সম্পর্কের নতুন মোড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অন্যদিকে ২০১১ সাল থেকে চেষ্টা চালানোর পরও তিস্তা চুক্তির বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত আছে।

ভারতের কয়েকটি গণমাধ্যমও এই সম্ভাব্য সফরের খবর প্রকাশ করেছে।

গতকাল সন্ধ্যায় ত্রিবেদী ঢাকায় ফিরেছেন।

জনপ্রিয়

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেসে ৫০০ শয্যার নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

আগামী ২০ থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট : ১০:৪৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২০ থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে সরকারি সফরে ভারত যেতে পারেন। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, দুই দেশের নীতিনির্ধারকরা এখন এই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সফরের তারিখ চূড়ান্ত করার বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। গত ১০ আগস্ট ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকের পর থেকেই এই সফরের বিষয়টি জোরালোভাবে সামনে আসে। এরপর ১১ আগস্ট নয়াদিল্লিতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে হাইকমিশনারের একান্ত বৈঠকের মাধ্যমে সফরের প্রস্তুতি প্রক্রিয়া আরও গতি পায়।

নয়াদিল্লির একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, উভয় দেশই এই দ্বিপক্ষীয় সফরের বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী ছিল, তবে সময়সূচি মেলানো নিয়ে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন বিকল্প পর্যালোচনার পর এখন ২০ থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে একটি সময় নির্ধারণের কাছাকাছি পৌঁছেছে দুই পক্ষ। বিশেষ করে ২০-২১ আগস্ট অথবা ২১-২২ আগস্টের মতো তারিখগুলো বর্তমানে বিবেচনায় রাখা হয়েছে। হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ফিরে আসায় দ্রুতই সফরের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সফরের সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার বিষয়টি মাথায় রাখা হয়েছে। এর আগে আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হওয়ার পরই মূলত এই দ্বিপক্ষীয় সফরের বিষয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লি একমত হয়। এছাড়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১ সেপ্টেম্বর সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সম্মেলনে যোগ দিতে কিরগিজস্তানে যাবেন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও সেপ্টেম্বরের শুরুতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিতে নিউইয়র্ক যাবেন। এসব কারণেই উভয় পক্ষ আগস্টের শেষ দিকে সফরটি সম্পন্ন করতে আগ্রহী।

২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, এই সফর তা নিরসনে সহায়ক হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের পর পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হয়, কারণ ভারত যেন তাকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের সুযোগ না দেয়, সে বিষয়ে ঢাকা আগেই অনুরোধ জানিয়েছিল। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও জানিয়েছিলেন যে, ঢাকা চায় ভারত যেন তারেক রহমানের সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।

সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ১০ আগস্ট ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক করেন। একই দিনে ভারতের রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইংয়ের (র) প্রধান পরাগ জৈন ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা এ কে এম শামসুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এরপর ১১ আগস্ট নয়াদিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও উন্নত করার লক্ষ্যেই হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

তারেক রহমানের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই হবে তার প্রথম ভারত সফর। এর আগে তিনি মালয়েশিয়া ও চীন সফর করলেও ভারতের আমন্ত্রণ গ্রহণ করতে কিছুটা সময় নিয়েছেন। নয়াদিল্লিতে দায়িত্ব পালন করা বাংলাদেশের এক সাবেক কূটনীতিকের মতে, এই সফরটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশের জন্য ভারতের সহায়তা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।

এছাড়া ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা, কানেকটিভিটি ও বাণিজ্যের স্বার্থে এই সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। পানি বণ্টন ইস্যুও আলোচনার টেবিলে গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে আগামী ডিসেম্বরে গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া এবং ২০১১ সাল থেকে ঝুলে থাকা তিস্তা চুক্তির বিষয়টি অমীমাংসিত থাকায় এই সফর থেকে বড় কোনো সমঝোতার প্রত্যাশা রয়েছে।

সাবেক এই কূটনীতিকের মতে, শেখ হাসিনা ইস্যু বিদ্যমান থাকলেও বাণিজ্য ও পানির মতো দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত বিষয়গুলোতে উভয় পক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে। এর আগে গত ৩১ জুলাই ঢাকায় সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ প্রেসিডেন্ট দূত সার্জিও গরের সঙ্গেও ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক হয়েছিল, যা বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষকদের ধারণা, ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের না যাওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে শেখ হাসিনা ইস্যুর প্রভাব থাকতে পারে। তবে সব মিলিয়ে এই সফর দুই দেশের সম্পর্কের নতুন মোড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অন্যদিকে ২০১১ সাল থেকে চেষ্টা চালানোর পরও তিস্তা চুক্তির বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত আছে।

ভারতের কয়েকটি গণমাধ্যমও এই সম্ভাব্য সফরের খবর প্রকাশ করেছে।

গতকাল সন্ধ্যায় ত্রিবেদী ঢাকায় ফিরেছেন।