Hi

০১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে যা জানালেন দীনেশ ত্রিবেদী

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১২:২৯:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১১ জন দেখেছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তবে সফরের জন্য কোনো তারিখ বা মাস এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি বলে তিনি স্পষ্ট করেছেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন। হাইকমিশনার বলেন, সফর যে হবে তা নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই, তবে এ নিয়ে কোনো তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই। যথাযথ প্রস্তুতির ওপরই বৈঠকের সফলতা নির্ভর করে বলে তিনি মন্তব্য করেন। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে যথাযথ প্রস্তুতি হোক।’। এ ধরনের শীর্ষ বৈঠকের আগে কর্মকর্তাদের কাজ করতে হবে এবং বৈঠকের পর বাস্তবায়নযোগ্য বিষয়ও থাকা দরকার।’।

বাণিজ্য, পানিসহ দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো নিয়ে শীর্ষ বৈঠকে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। দীনেশ ত্রিবেদী জোর দিয়ে বলেন, কোনো সমস্যাই অমীমাংসিত নয় এবং আলোচনার মাধ্যমে সবকিছুর সমাধান সম্ভব। যদিও দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ থাকার বিষয়টি অস্বীকার করার উপায় নেই, তবুও পারস্পরিক নির্ভরশীলতা বা ইন্টারডিপেনডেন্সি বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের মানুষের মধ্যে ক্রিকেট, ফুটবল, চলচ্চিত্র, সংগীত এবং কবিতার মতো সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে গভীর যোগাযোগ বিদ্যমান। একটা আছে, ডেফিনেটলি ১২০ শতাংশ যে ভিজিট উইল টেক প্লেস।

দুই দেশের সম্পর্কের বিষয়ে পূর্ণ আশাবাদ ব্যক্ত করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, তিনি এ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘গোল্ডেন চ্যাপ্টার’ বা সোনালী অধ্যায় শুরুর প্রত্যাশা করেন। সাধারণ মানুষের উন্নত জীবনযাত্রা, ভালো চিকিৎসা, মানসম্মত শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের চাহিদাকেই সরকারগুলোর অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। এর আগে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর নিয়ে গণমাধ্যমে আসা প্রতিবেদনগুলোকে সঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘এই যে মন্তব্যটা এসেছে পত্রিকায়, এটা সঠিক নয়। যা হবে আপনারা সেটা ভবিষ্যতে দেখতে পাবেন।’। দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমি একদম আশাবাদী, ১০০ শতাংশ। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোনো একটা প্রশ্ন নেই যা সলিউশন পাওয়া যাবে না, ১০০ শতাংশ।’।

হাইকমিশনারের ভাষ্যমতে, বৈঠকের জন্য তাড়াহুড়ো না করে দুই দেশের নেতাদের সুবিধাজনক সময়ে এবং পর্যাপ্ত আয়োজনের মধ্য দিয়েই সফর হওয়া উচিত। কোনো তারিখ বা মাস ঠিক না হলেও সফর হবে, এটি শতভাগ নিশ্চিত বলে পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে যেসব ইস্যু আলোচিত হবে, তার যথাযথ বাস্তবায়নের পথও আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

জনপ্রিয়
© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে যা জানালেন দীনেশ ত্রিবেদী

আপডেট : ১২:২৯:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তবে সফরের জন্য কোনো তারিখ বা মাস এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি বলে তিনি স্পষ্ট করেছেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন। হাইকমিশনার বলেন, সফর যে হবে তা নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই, তবে এ নিয়ে কোনো তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই। যথাযথ প্রস্তুতির ওপরই বৈঠকের সফলতা নির্ভর করে বলে তিনি মন্তব্য করেন। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে যথাযথ প্রস্তুতি হোক।’। এ ধরনের শীর্ষ বৈঠকের আগে কর্মকর্তাদের কাজ করতে হবে এবং বৈঠকের পর বাস্তবায়নযোগ্য বিষয়ও থাকা দরকার।’।

বাণিজ্য, পানিসহ দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো নিয়ে শীর্ষ বৈঠকে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। দীনেশ ত্রিবেদী জোর দিয়ে বলেন, কোনো সমস্যাই অমীমাংসিত নয় এবং আলোচনার মাধ্যমে সবকিছুর সমাধান সম্ভব। যদিও দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ থাকার বিষয়টি অস্বীকার করার উপায় নেই, তবুও পারস্পরিক নির্ভরশীলতা বা ইন্টারডিপেনডেন্সি বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের মানুষের মধ্যে ক্রিকেট, ফুটবল, চলচ্চিত্র, সংগীত এবং কবিতার মতো সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে গভীর যোগাযোগ বিদ্যমান। একটা আছে, ডেফিনেটলি ১২০ শতাংশ যে ভিজিট উইল টেক প্লেস।

দুই দেশের সম্পর্কের বিষয়ে পূর্ণ আশাবাদ ব্যক্ত করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, তিনি এ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘গোল্ডেন চ্যাপ্টার’ বা সোনালী অধ্যায় শুরুর প্রত্যাশা করেন। সাধারণ মানুষের উন্নত জীবনযাত্রা, ভালো চিকিৎসা, মানসম্মত শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের চাহিদাকেই সরকারগুলোর অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। এর আগে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর নিয়ে গণমাধ্যমে আসা প্রতিবেদনগুলোকে সঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘এই যে মন্তব্যটা এসেছে পত্রিকায়, এটা সঠিক নয়। যা হবে আপনারা সেটা ভবিষ্যতে দেখতে পাবেন।’। দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমি একদম আশাবাদী, ১০০ শতাংশ। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোনো একটা প্রশ্ন নেই যা সলিউশন পাওয়া যাবে না, ১০০ শতাংশ।’।

হাইকমিশনারের ভাষ্যমতে, বৈঠকের জন্য তাড়াহুড়ো না করে দুই দেশের নেতাদের সুবিধাজনক সময়ে এবং পর্যাপ্ত আয়োজনের মধ্য দিয়েই সফর হওয়া উচিত। কোনো তারিখ বা মাস ঠিক না হলেও সফর হবে, এটি শতভাগ নিশ্চিত বলে পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে যেসব ইস্যু আলোচিত হবে, তার যথাযথ বাস্তবায়নের পথও আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।