Hi

০১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীর বাজারে কমেছে ডিমের দাম, মাছ-মাংসে অস্বস্তি

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০১:০৬:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ জন দেখেছে

রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে ডিমের দাম কিছুটা কমলেও মাছ, মুরগি ও মাংসের চড়া দামে স্বস্তি মিলছে না ক্রেতাদের। শুক্রবার বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ডজনপ্রতি ডিমের দাম ১০ টাকা কমেছে। বর্তমানে ব্রয়লার সাদা ডিম ১৪০ টাকা এবং ব্রাউন বা লাল ডিম ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা ডজন দরে বিক্রি হচ্ছে, যেখানে গত সপ্তাহে এই দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। তবে এর বাইরে অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই।

বাজারে মুরগির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগির দাম ২১০ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। বর্তমানে সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ৮০০ টাকায় অনড় রয়েছে।

মাছের বাজারেও অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। পাঙাশ ও তেলাপিয়ার মতো তুলনামূলক কম দামের মাছগুলোও এখন মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। মানভেদে এই মাছগুলো কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি কমপক্ষে ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা গুনতে হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য মাছের দামে মিশ্র পরিস্থিতি দেখা গেছে; কিছু মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে।

বাজারে আকারভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, রুই মাছ ২৭০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং দেশি কই ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। চাষের কই ও পোয়া মাছ ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষের শিং মাছের দাম ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি। তবে রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি এক হাজার টাকার বেশি ব্যয় করতে হচ্ছে। বাজারে পণ্যের দাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, বিশেষ করে পাঙাশ ও তেলাপিয়ার মতো সাধারণ মাছের বাড়তি দাম তাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে, যার ফলে সীমিত আয়ের মানুষ চরম বেকায়দায় পড়েছেন।

জনপ্রিয়
© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

রাজধানীর বাজারে কমেছে ডিমের দাম, মাছ-মাংসে অস্বস্তি

আপডেট : ০১:০৬:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে ডিমের দাম কিছুটা কমলেও মাছ, মুরগি ও মাংসের চড়া দামে স্বস্তি মিলছে না ক্রেতাদের। শুক্রবার বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ডজনপ্রতি ডিমের দাম ১০ টাকা কমেছে। বর্তমানে ব্রয়লার সাদা ডিম ১৪০ টাকা এবং ব্রাউন বা লাল ডিম ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা ডজন দরে বিক্রি হচ্ছে, যেখানে গত সপ্তাহে এই দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। তবে এর বাইরে অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই।

বাজারে মুরগির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগির দাম ২১০ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। বর্তমানে সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ৮০০ টাকায় অনড় রয়েছে।

মাছের বাজারেও অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। পাঙাশ ও তেলাপিয়ার মতো তুলনামূলক কম দামের মাছগুলোও এখন মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। মানভেদে এই মাছগুলো কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি কমপক্ষে ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা গুনতে হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য মাছের দামে মিশ্র পরিস্থিতি দেখা গেছে; কিছু মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে।

বাজারে আকারভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, রুই মাছ ২৭০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং দেশি কই ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। চাষের কই ও পোয়া মাছ ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষের শিং মাছের দাম ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি। তবে রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি এক হাজার টাকার বেশি ব্যয় করতে হচ্ছে। বাজারে পণ্যের দাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, বিশেষ করে পাঙাশ ও তেলাপিয়ার মতো সাধারণ মাছের বাড়তি দাম তাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে, যার ফলে সীমিত আয়ের মানুষ চরম বেকায়দায় পড়েছেন।