Hi

১১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরে চারজনের প্রাণহানি: তদন্তের দায়িত্ব পেল মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১০:৪২:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ জন দেখেছে

রংপুর মহানগরীতে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় চলমান তদন্তের দায়িত্ব কোতোয়ালি থানা থেকে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) ন্যস্ত করা হয়েছে। অধিকতর স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করা এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের লক্ষ্যেই তদন্তকারী সংস্থা পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

তদন্ত হস্তান্তরের অংশ হিসেবে সোমবার বিকেলে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার চ্যাটার্জী ডিবি কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি নতুন তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিনাত আলীর কাছে মামলার যাবতীয় নথিপত্র, সংগৃহীত আলামত এবং প্রাথমিক তদন্তের তথ্য হস্তান্তর করেন। সন্ধ্যায় উভয় কর্মকর্তা নগরীর দাসপাড়ায় অবস্থিত নিহতদের বাড়ি পরিদর্শন করেন এবং ঘটনাস্থলের বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন।

এ বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, মামলাটি এখন ডিবি পুলিশের অধীনে রয়েছে এবং পরিদর্শক জিনাত আলী পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দায়িত্ব পালন করবেন। মিলন কুমার চ্যাটার্জী জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় তিনি সব নথিপত্র নতুন কর্মকর্তার কাছে বুঝিয়ে দিয়েছেন এবং ঘটনাস্থলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো তাকে অবহিত করেছেন।

গত শনিবার রাত ১১টার দিকে দাসপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ভাষ্য অনুযায়ী, চারজনকেই শ্বাসরোধ করে প্রাণনাশের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

এই ঘটনায় রোববার ভোরে দাসপাড়া এলাকার বাসিন্দা মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবদুল মাবুদ দাবি করেন, বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ার জেরে গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর এই হামলা চালানো হয়েছে।

এদিকে পুলিশের দেওয়া এই ভাষ্য নিয়ে তীব্র অসন্তোষ ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার রাতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নগরীতে মশাল মিছিল করেছে। এর আগে বিকেলে রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি বিক্ষোভ সমাবেশ করে।

বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দেওয়া হত্যাকাণ্ডের বিবরণ প্রত্যাখ্যান করে বিদ্যুতের লাইন কাটার রহস্য উন্মোচনের দাবি জানান। রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ বলেন, পুলিশের বয়ান তারা বিশ্বাস করতে পারছেন না। তাদের দাবি, এটি একটি সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ‘কৃত্রিম সংকটে’ সারের দাম বাড়ছে, চাহিদা অনুযায়ী পাচ্ছেন না অনেকেই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রংপুরে ৪ খুন: তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হলো ডিবিকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তির নতুন রেকর্ড, ৩ জনের মৃত্যু। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শন টেইট সাক্ষাৎকার / ‘পুরো বিশ্ব এখন বাংলাদেশের পেসারদের নিয়ে কথা বলছে’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হামের উপসর্গে দেশে আরও ৫ মৃত্যু, মোট ৯৩৮। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া সব তথ্যও তাকে জানিয়েছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে আমরা মনে করি।

জনপ্রিয়

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: ৮ জেলে উদ্ধার, এখনো নিখোঁজ ৫

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

রংপুরে চারজনের প্রাণহানি: তদন্তের দায়িত্ব পেল মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ

আপডেট : ১০:৪২:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

রংপুর মহানগরীতে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় চলমান তদন্তের দায়িত্ব কোতোয়ালি থানা থেকে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) ন্যস্ত করা হয়েছে। অধিকতর স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করা এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের লক্ষ্যেই তদন্তকারী সংস্থা পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

তদন্ত হস্তান্তরের অংশ হিসেবে সোমবার বিকেলে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার চ্যাটার্জী ডিবি কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি নতুন তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিনাত আলীর কাছে মামলার যাবতীয় নথিপত্র, সংগৃহীত আলামত এবং প্রাথমিক তদন্তের তথ্য হস্তান্তর করেন। সন্ধ্যায় উভয় কর্মকর্তা নগরীর দাসপাড়ায় অবস্থিত নিহতদের বাড়ি পরিদর্শন করেন এবং ঘটনাস্থলের বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন।

এ বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, মামলাটি এখন ডিবি পুলিশের অধীনে রয়েছে এবং পরিদর্শক জিনাত আলী পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দায়িত্ব পালন করবেন। মিলন কুমার চ্যাটার্জী জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় তিনি সব নথিপত্র নতুন কর্মকর্তার কাছে বুঝিয়ে দিয়েছেন এবং ঘটনাস্থলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো তাকে অবহিত করেছেন।

গত শনিবার রাত ১১টার দিকে দাসপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ভাষ্য অনুযায়ী, চারজনকেই শ্বাসরোধ করে প্রাণনাশের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

এই ঘটনায় রোববার ভোরে দাসপাড়া এলাকার বাসিন্দা মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবদুল মাবুদ দাবি করেন, বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ার জেরে গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর এই হামলা চালানো হয়েছে।

এদিকে পুলিশের দেওয়া এই ভাষ্য নিয়ে তীব্র অসন্তোষ ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার রাতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নগরীতে মশাল মিছিল করেছে। এর আগে বিকেলে রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি বিক্ষোভ সমাবেশ করে।

বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দেওয়া হত্যাকাণ্ডের বিবরণ প্রত্যাখ্যান করে বিদ্যুতের লাইন কাটার রহস্য উন্মোচনের দাবি জানান। রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ বলেন, পুলিশের বয়ান তারা বিশ্বাস করতে পারছেন না। তাদের দাবি, এটি একটি সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ‘কৃত্রিম সংকটে’ সারের দাম বাড়ছে, চাহিদা অনুযায়ী পাচ্ছেন না অনেকেই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রংপুরে ৪ খুন: তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হলো ডিবিকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তির নতুন রেকর্ড, ৩ জনের মৃত্যু। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শন টেইট সাক্ষাৎকার / ‘পুরো বিশ্ব এখন বাংলাদেশের পেসারদের নিয়ে কথা বলছে’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হামের উপসর্গে দেশে আরও ৫ মৃত্যু, মোট ৯৩৮। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া সব তথ্যও তাকে জানিয়েছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে আমরা মনে করি।