Hi

১০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরের কাউনিয়ায় ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু: তদন্তে পুলিশ

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় আবু সিদ্দিক (৩৫) নামের এক তরুণ ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। গত রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার হারাগাছ পৌরসভার চরচতুরা গ্রামের একটি নির্জন সড়ক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সিদ্দিক কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ ইউনিয়নের পল্লীমারী হকের বাজার এলাকার রাজা মিয়ার ছেলে এবং তিনি খাদ্যপণ্যের ব্যবসা করতেন।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যার পর সিদ্দিক বাড়ি থেকে বের হয়ে লালমনিরহাট সদর উপজেলার মিলন বাজারে যান। ওই বাজারের পাশেই কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌরসভার শেষ সীমানায় চরচতুরা গ্রামটি অবস্থিত। রাত ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা খবর পান যে, ওই গ্রামের একটি নির্জন সড়কে সিদ্দিকের মরদেহ পড়ে আছে।

নিহতের চাচাতো ভাই মজমুল হক জানান, বাজারে গিয়ে তারা জানতে পারেন যে, পাশেই একটি মাঠে বসে সিদ্দিক মুঠোফোনে কারো সঙ্গে কথা বলার সময় বাগবিতণ্ডায় জড়িয়েছিলেন। এরপরই কে বা কারা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে যায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার সঙ্গে কার বিরোধ ছিল, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রংপুর মহানগর পুলিশের হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চৌহান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা অশোক চৌহান জানান, হত্যাকাণ্ডের আগে সিদ্দিকের সঙ্গে কার যোগাযোগ হয়েছিল এবং মুঠোফোনে বিরোধের বিষয়টি ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি স্বজন ও স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এর আগে রংপুরে ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় চারজনকে হত্যার ঘটনা ঘটেছিল। এছাড়া আরও একটি ঘটনায় সাবেক স্কুলশিক্ষক, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে বর্তমান এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

বর্তমানে উত্তরাঞ্চলে ওঁরাও আদিবাসীরা টিকে থাকার লড়াই করছেন এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষিতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, সিদ্দিকের হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে তারা সব ধরনের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিহত শিক্ষকসহ ৪ জনের মুখই ছিল ঝলসানো, নমুনা সংগ্রহ করেছে পুলিশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অনলাইনে ঋণ প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইল ফাঁদে অনেকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জয়সওয়ালের সঙ্গে কি হয়েছিলো শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের।

জনপ্রিয়

দামেস্কে বেসামরিক গাড়িতে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা: তীব্র নিন্দা জানাল কাতার

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

রংপুরের কাউনিয়ায় ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু: তদন্তে পুলিশ

আপডেট : ১২:০৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় আবু সিদ্দিক (৩৫) নামের এক তরুণ ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। গত রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার হারাগাছ পৌরসভার চরচতুরা গ্রামের একটি নির্জন সড়ক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সিদ্দিক কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ ইউনিয়নের পল্লীমারী হকের বাজার এলাকার রাজা মিয়ার ছেলে এবং তিনি খাদ্যপণ্যের ব্যবসা করতেন।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যার পর সিদ্দিক বাড়ি থেকে বের হয়ে লালমনিরহাট সদর উপজেলার মিলন বাজারে যান। ওই বাজারের পাশেই কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌরসভার শেষ সীমানায় চরচতুরা গ্রামটি অবস্থিত। রাত ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা খবর পান যে, ওই গ্রামের একটি নির্জন সড়কে সিদ্দিকের মরদেহ পড়ে আছে।

নিহতের চাচাতো ভাই মজমুল হক জানান, বাজারে গিয়ে তারা জানতে পারেন যে, পাশেই একটি মাঠে বসে সিদ্দিক মুঠোফোনে কারো সঙ্গে কথা বলার সময় বাগবিতণ্ডায় জড়িয়েছিলেন। এরপরই কে বা কারা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে যায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার সঙ্গে কার বিরোধ ছিল, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রংপুর মহানগর পুলিশের হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চৌহান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা অশোক চৌহান জানান, হত্যাকাণ্ডের আগে সিদ্দিকের সঙ্গে কার যোগাযোগ হয়েছিল এবং মুঠোফোনে বিরোধের বিষয়টি ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি স্বজন ও স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এর আগে রংপুরে ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় চারজনকে হত্যার ঘটনা ঘটেছিল। এছাড়া আরও একটি ঘটনায় সাবেক স্কুলশিক্ষক, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে বর্তমান এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

বর্তমানে উত্তরাঞ্চলে ওঁরাও আদিবাসীরা টিকে থাকার লড়াই করছেন এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষিতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, সিদ্দিকের হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে তারা সব ধরনের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিহত শিক্ষকসহ ৪ জনের মুখই ছিল ঝলসানো, নমুনা সংগ্রহ করেছে পুলিশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অনলাইনে ঋণ প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইল ফাঁদে অনেকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জয়সওয়ালের সঙ্গে কি হয়েছিলো শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের।