যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সোমবার এক স্পষ্ট বার্তায় জানিয়েছেন, প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাতে ওয়াশিংটন পুরোপুরি প্রস্তুত। উইসকন্সিনের ওশকশে প্রতিরক্ষা খাতের কর্মীদের সামনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ইরানি সামরিক বাহিনী যদি সরাসরি মার্কিন বাহিনীর মুখোমুখি হয় কিংবা কোনো নির্দিষ্ট সীমা লঙ্ঘন করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র কাইনেটিক সামরিক হামলা চালাতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের সামরিক তৎপরতা ও সমুদ্রপথের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছেন তিনি।
সামরিক হুমকির পাশাপাশি তেহরানের ওপর সর্বাত্মক অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির কৌশল নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরানের সামরিক সক্ষমতা খর্ব করার পাশাপাশি দেশটির অর্থনীতিকে কোণঠাসা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মূলত অর্থনৈতিক চাপের মুখে ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত নতুন আলোচনায় বাধ্য করাই ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য।
এরই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে এক নজিরবিহীন বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞা অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থা থেকে ইরানকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করার এই উদ্যোগকে তিনি অর্থনৈতিক ‘ডি-ডে’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। মার্কিন এই নতুন পদক্ষেপের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের সরকারি মুখপাত্র ফাতেমে মোহাজেরানি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, তেহরান বিদ্যমান আর্থিক সংকটের বিষয়টি অস্বীকার করছে না, তবে জাতীয় ঐক্য ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই নতুন চাপ সফলভাবে মোকাবিলা করা হবে।
রিপোর্টার নাম: 





















