Hi

০৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গবেষণায় বিশেষ অবদান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬২ শিক্ষক পেলেন সম্মাননা

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৫:২৫:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫ জন দেখেছে

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি এবং গবেষণাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬২ জন শিক্ষক ও গবেষককে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। গুগল স্কলার প্রোফাইলে যাদের সাইটেশন সংখ্যা দুই হাজার বা তার বেশি, তাদের এই বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সম্মাননাপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী এবং অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ। এছাড়া তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম সাইটেশনের গুরুত্ব নিয়ে একটি উপস্থাপনা প্রদান করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি প্রকৃত গবেষণাধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর এবং আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যেতে এই গবেষকদের ভূমিকা অপরিসীম। তিনি আরও বলেন, কেবল সরকারি অনুদানের ওপর নির্ভর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক উন্নয়ন এবং অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে উপাচার্য জানান, ২০ বছর মেয়াদি একটি একাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। এর আওতায় গবেষণার জন্য ১ হাজার কোটি টাকা এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আরও ১ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ গবেষণা প্রকল্প, ‘ল্যাব টু ল্যাব’ এবং ‘রিসার্চার টু রিসার্চার’ কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে গবেষণার মান ও গতি বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সম্মাননাপ্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আবু বিন হাসান সুসান, অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, অধ্যাপক ড. মো. এনামুল হক, অধ্যাপক ড. মো. মমিনুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ফেরদৌস, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল কাদির, অধ্যাপক ড. মো. শরীফ হোসেন, অধ্যাপক ড. সুবর্ণ বড়ুয়া, অধ্যাপক ড. মো. রাকিবুল হক, অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান, অধ্যাপক ড. রুমানা হক, অধ্যাপক ড. এম নিয়াজ আসাদ উল্লাহ, অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিললাল হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. রবিউল হক, অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, অধ্যাপক ড. গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী, ইউজিসি অধ্যাপক ড. জেবা ইসলাম সেরাজ, অধ্যাপক ড. এ এইচ এম নুরুন নবী, অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন, অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর, অধ্যাপক ড. মুনাওয়ার সুলতানা, অধ্যাপক ড. মো. মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুল্লাহ আল-মামুন, অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ, অধ্যাপক ড. আবুল বাশার মীর মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. এম. রেজাউল ইসলাম, ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান, ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রশীদ, অধ্যাপক ড. মো. শাহ এমরান, অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ, অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রহমান, অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ড. মো. আজিজ হাসান, অধ্যাপক ড. মো. কাউসার আহাম্মদ, সহযোগী অধ্যাপক ড. মাইনুল হোসেন, অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী, অধ্যাপক ড. পাপিয়া হক, অধ্যাপক ড. মিঠুন সরকার, অধ্যাপক ড. আবুল খায়ের মল্লিক, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নুরুজ্জামান খাঁন, সহযোগী অধ্যাপক ড. তাছলিম উর রশিদ, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু, অধ্যাপক ড. চৌধুরী ফারহান আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক ড. অনিমেষ পাল, অধ্যাপক এ এ এম কাওসার হাসান, সহযোগী অধ্যাপক দেবাশীষ পাল, অধ্যাপক রেজা আসাদ আল হুদা অনুপম, অধ্যাপক ড. শেখ মনির উদ্দিন, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল আলী, অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সফিকুর রহমান, ড. গাজী নুরুন নাহার সুলতানা, ড. মো. লতিফুল বারী এবং ড. সমীরন ভট্টাচার্য্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অনুষ্ঠানে সব অনুষদের ডিন, সব বিভাগের চেয়ারম্যান, সব ইনস্টিটিউট ও সেন্টারের পরিচালক, প্রক্টর এবং সম্মাননা প্রাপ্ত শিক্ষক/গবেষকগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই ও ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সম্মাননাপ্রাপ্ত গবেষকরা হলেন- অধ্যাপক ড। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মোহাম্মদ আবদুল কাদির (বায়োমেডিকেল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগ), অধ্যাপক ড।

জনপ্রিয়

অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

গবেষণায় বিশেষ অবদান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬২ শিক্ষক পেলেন সম্মাননা

আপডেট : ০৫:২৫:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি এবং গবেষণাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬২ জন শিক্ষক ও গবেষককে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। গুগল স্কলার প্রোফাইলে যাদের সাইটেশন সংখ্যা দুই হাজার বা তার বেশি, তাদের এই বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সম্মাননাপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী এবং অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ। এছাড়া তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম সাইটেশনের গুরুত্ব নিয়ে একটি উপস্থাপনা প্রদান করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি প্রকৃত গবেষণাধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর এবং আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যেতে এই গবেষকদের ভূমিকা অপরিসীম। তিনি আরও বলেন, কেবল সরকারি অনুদানের ওপর নির্ভর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক উন্নয়ন এবং অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে উপাচার্য জানান, ২০ বছর মেয়াদি একটি একাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। এর আওতায় গবেষণার জন্য ১ হাজার কোটি টাকা এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আরও ১ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ গবেষণা প্রকল্প, ‘ল্যাব টু ল্যাব’ এবং ‘রিসার্চার টু রিসার্চার’ কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে গবেষণার মান ও গতি বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সম্মাননাপ্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আবু বিন হাসান সুসান, অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, অধ্যাপক ড. মো. এনামুল হক, অধ্যাপক ড. মো. মমিনুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ফেরদৌস, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল কাদির, অধ্যাপক ড. মো. শরীফ হোসেন, অধ্যাপক ড. সুবর্ণ বড়ুয়া, অধ্যাপক ড. মো. রাকিবুল হক, অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান, অধ্যাপক ড. রুমানা হক, অধ্যাপক ড. এম নিয়াজ আসাদ উল্লাহ, অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিললাল হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. রবিউল হক, অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, অধ্যাপক ড. গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী, ইউজিসি অধ্যাপক ড. জেবা ইসলাম সেরাজ, অধ্যাপক ড. এ এইচ এম নুরুন নবী, অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন, অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর, অধ্যাপক ড. মুনাওয়ার সুলতানা, অধ্যাপক ড. মো. মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুল্লাহ আল-মামুন, অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ, অধ্যাপক ড. আবুল বাশার মীর মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. এম. রেজাউল ইসলাম, ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান, ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রশীদ, অধ্যাপক ড. মো. শাহ এমরান, অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ, অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রহমান, অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ড. মো. আজিজ হাসান, অধ্যাপক ড. মো. কাউসার আহাম্মদ, সহযোগী অধ্যাপক ড. মাইনুল হোসেন, অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী, অধ্যাপক ড. পাপিয়া হক, অধ্যাপক ড. মিঠুন সরকার, অধ্যাপক ড. আবুল খায়ের মল্লিক, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নুরুজ্জামান খাঁন, সহযোগী অধ্যাপক ড. তাছলিম উর রশিদ, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু, অধ্যাপক ড. চৌধুরী ফারহান আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক ড. অনিমেষ পাল, অধ্যাপক এ এ এম কাওসার হাসান, সহযোগী অধ্যাপক দেবাশীষ পাল, অধ্যাপক রেজা আসাদ আল হুদা অনুপম, অধ্যাপক ড. শেখ মনির উদ্দিন, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল আলী, অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সফিকুর রহমান, ড. গাজী নুরুন নাহার সুলতানা, ড. মো. লতিফুল বারী এবং ড. সমীরন ভট্টাচার্য্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অনুষ্ঠানে সব অনুষদের ডিন, সব বিভাগের চেয়ারম্যান, সব ইনস্টিটিউট ও সেন্টারের পরিচালক, প্রক্টর এবং সম্মাননা প্রাপ্ত শিক্ষক/গবেষকগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই ও ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সম্মাননাপ্রাপ্ত গবেষকরা হলেন- অধ্যাপক ড। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মোহাম্মদ আবদুল কাদির (বায়োমেডিকেল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগ), অধ্যাপক ড।