Hi

০৭:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদেশি প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ইস্যুর সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৫:৪৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭৫ জন দেখেছে

আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়িত স্থানীয় প্রকল্পগুলোতে এখন থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ও স্ট্যান্ডবাই লেটার অব ক্রেডিট (এসবিএলসি) ইস্যু করা যাবে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্তৃপক্ষের অনুকূলে স্থানীয় ব্যাংকগুলো এখন বৈদেশিক মুদ্রায় গ্যারান্টি ও এসবিএলসি ইস্যু করতে পারবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের গ্যারান্টি ইস্যু সংক্রান্ত বিদ্যমান বিধানে আংশিক পরিবর্তন আনা হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কৌশলগত অংশীদার, স্থানীয় এজেন্ট কিংবা অনুমোদিত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা দেশি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন প্রকল্পের প্রয়োজনে বিড বন্ড, পারফরম্যান্স গ্যারান্টি বা এসবিএলসির সংস্থান করতে পারবে। তবে এই সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বেশ কিছু শর্ত আরোপ করেছে। মূল চুক্তিতে বৈদেশিক মুদ্রায় গ্যারান্টি বা এসবিএলসি গ্রহণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। এছাড়া দেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ও গ্রহণযোগ্য বাণিজ্যিক সম্পর্কের বৈধ দলিলাদি থাকা বাধ্যতামূলক।

ব্যাংকগুলোকে এই ধরনের গ্যারান্টি ইস্যুর ক্ষেত্রে ঝুঁকির বিপরীতে পর্যাপ্ত জামানত বা কাউন্টার-সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে হবে। ঝুঁকির মাত্রা এবং ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে এই জামানতের পরিমাণ নির্ধারিত হবে। এছাড়া গ্যারান্টি কার্যকর হলে বিদেশি প্রতিষ্ঠান কীভাবে অর্থ ফেরত দেবে এবং আবাসিক প্রতিষ্ঠানের ব্যয় ও দায় কীভাবে পরিশোধ করা হবে, তা চুক্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

সুবিধাটি প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব ঋণনীতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং একক গ্রাহক ঋণসীমা কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা বজায় রাখা হয়েছে। এই নতুন ব্যবস্থার ফলে আন্তর্জাতিক প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত দেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও সহজতর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

বিদেশি প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ইস্যুর সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

আপডেট : ০৫:৪৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়িত স্থানীয় প্রকল্পগুলোতে এখন থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ও স্ট্যান্ডবাই লেটার অব ক্রেডিট (এসবিএলসি) ইস্যু করা যাবে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্তৃপক্ষের অনুকূলে স্থানীয় ব্যাংকগুলো এখন বৈদেশিক মুদ্রায় গ্যারান্টি ও এসবিএলসি ইস্যু করতে পারবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের গ্যারান্টি ইস্যু সংক্রান্ত বিদ্যমান বিধানে আংশিক পরিবর্তন আনা হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কৌশলগত অংশীদার, স্থানীয় এজেন্ট কিংবা অনুমোদিত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা দেশি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন প্রকল্পের প্রয়োজনে বিড বন্ড, পারফরম্যান্স গ্যারান্টি বা এসবিএলসির সংস্থান করতে পারবে। তবে এই সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বেশ কিছু শর্ত আরোপ করেছে। মূল চুক্তিতে বৈদেশিক মুদ্রায় গ্যারান্টি বা এসবিএলসি গ্রহণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। এছাড়া দেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ও গ্রহণযোগ্য বাণিজ্যিক সম্পর্কের বৈধ দলিলাদি থাকা বাধ্যতামূলক।

ব্যাংকগুলোকে এই ধরনের গ্যারান্টি ইস্যুর ক্ষেত্রে ঝুঁকির বিপরীতে পর্যাপ্ত জামানত বা কাউন্টার-সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে হবে। ঝুঁকির মাত্রা এবং ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে এই জামানতের পরিমাণ নির্ধারিত হবে। এছাড়া গ্যারান্টি কার্যকর হলে বিদেশি প্রতিষ্ঠান কীভাবে অর্থ ফেরত দেবে এবং আবাসিক প্রতিষ্ঠানের ব্যয় ও দায় কীভাবে পরিশোধ করা হবে, তা চুক্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

সুবিধাটি প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব ঋণনীতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং একক গ্রাহক ঋণসীমা কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা বজায় রাখা হয়েছে। এই নতুন ব্যবস্থার ফলে আন্তর্জাতিক প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত দেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও সহজতর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।