Hi

০৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী চীন: রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৩:১২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫ জন দেখেছে

বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় চীন সক্রিয়ভাবে কাজ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। বৈঠকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও সচিব মো. শহিদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌর বা নবায়নযোগ্য শক্তির বিকাশ ঘটানোর জন্য বর্তমান সময়টি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত। চীন এই খাতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। বিশেষ করে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি জানান, এটি বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় প্রকল্পের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং খুব দ্রুতই এর উদ্বোধন করা হবে। এটি ঢাকা শহরের উন্নয়নে একটি মডেল হিসেবে কাজ করবে।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার একটি ঐতিহাসিক ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি রাজনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, চট্টগ্রামে চীনের বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং মোংলা বন্দর প্রকল্প নিয়েও কাজ চলছে। এছাড়া তিস্তা নদী প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের ওপরও জোর দিয়েছে বেইজিং। রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশি জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে এবং ম্যান্ডারিন ভাষা শেখানোর জন্য চীন বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ পাঠিয়ে সহায়তা করবে।

ঢাকার বস্তি আধুনিকীকরণ প্রকল্পকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত একটি বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বস্তিবাসীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন পরিবেশে বসবাসের সুযোগ করে দিতে চান। এই প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং নিকট ভবিষ্যতে দৃশ্যমান অগ্রগতি আশা করা হচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজ শক্তি ও বস্তি উন্নয়ন প্রকল্পে পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন চীনা রাষ্ট্রদূত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় সবকিছু প্রস্তুত রয়েছে জেনে আমরা আনন্দিত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এটি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবিকার সাথে সম্পর্কিত।

জনপ্রিয়

অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী শক্তির বড় উৎস কাজী নজরুল: রুহুল কবির রিজভী

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

বাংলাদেশের জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী চীন: রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন

আপডেট : ০৩:১২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় চীন সক্রিয়ভাবে কাজ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। বৈঠকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও সচিব মো. শহিদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌর বা নবায়নযোগ্য শক্তির বিকাশ ঘটানোর জন্য বর্তমান সময়টি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত। চীন এই খাতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। বিশেষ করে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি জানান, এটি বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় প্রকল্পের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং খুব দ্রুতই এর উদ্বোধন করা হবে। এটি ঢাকা শহরের উন্নয়নে একটি মডেল হিসেবে কাজ করবে।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার একটি ঐতিহাসিক ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি রাজনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, চট্টগ্রামে চীনের বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং মোংলা বন্দর প্রকল্প নিয়েও কাজ চলছে। এছাড়া তিস্তা নদী প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের ওপরও জোর দিয়েছে বেইজিং। রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশি জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে এবং ম্যান্ডারিন ভাষা শেখানোর জন্য চীন বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ পাঠিয়ে সহায়তা করবে।

ঢাকার বস্তি আধুনিকীকরণ প্রকল্পকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত একটি বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বস্তিবাসীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন পরিবেশে বসবাসের সুযোগ করে দিতে চান। এই প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং নিকট ভবিষ্যতে দৃশ্যমান অগ্রগতি আশা করা হচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজ শক্তি ও বস্তি উন্নয়ন প্রকল্পে পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন চীনা রাষ্ট্রদূত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় সবকিছু প্রস্তুত রয়েছে জেনে আমরা আনন্দিত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এটি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবিকার সাথে সম্পর্কিত।