Hi

০৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যা: চোখের সামনে স্ত্রী-সন্তান হারালেন ব্যবসায়ী

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০২:৩০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪ জন দেখেছে

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে কোনো পূর্বসংকেত ছাড়াই আঘাত হেনেছে প্রলয়ংকরী বন্যা। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিজের চোখের সামনে স্ত্রী ও সন্তানকে হারিয়েছেন নুয়াকোটের ত্রিশূলী বাজারের এক কাপড় ব্যবসায়ী। তিনি জানান, সেদিন এলাকায় কোনো বৃষ্টিপাত ছিল না এবং সবাই দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। হঠাৎ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিব্বত সীমান্তে নদীর বাঁধ ভেঙে যাওয়ার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। দ্রুত উঁচু স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি। সতর্কবার্তা পাওয়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই কাদা ও পানির বিশাল ঢেউ আছড়ে পড়ে। সেই প্রবল স্রোতে মুহূর্তের মধ্যে তার স্ত্রী ও তরুণ ছেলে ভেসে যান, যাদের কোনো সন্ধান এখনও মেলেনি।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভোতে কোশি নদীর উপনদীতে হিমবাহ ধসে পানি আটকে যাওয়ার ফলেই এই ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। রাসুয়া জেলার প্রধান শুল্ক কর্মকর্তা রাজেন্দ্র ধুঙ্গানা জানান, তিনি প্রায় ১০০ মিটার উঁচু পানির ঢেউ ধেয়ে আসতে দেখেছেন, যা নিমেষেই একটি আস্ত বাজার ভাসিয়ে নিয়ে যায়। বর্তমানে রাসুয়া, নুয়াকোট এবং ধাদিং জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা কয়েক মিটার গভীর কাদা ও পলির নিচে চাপা পড়ে আছে। চোখের সামনে ঘরবাড়ি ও দোকানপাট বিলীন হয়ে যাওয়ায় শত শত মানুষ এখন নিখোঁজ স্বজনদের অপেক্ষায় কাদার স্তূপের দিকে তাকিয়ে প্রহর গুনছেন। প্রিয়জন হারানোর শোকে স্তব্ধ এলাকাটিতে এখন চলছে কেবল হাহাকার।

জনপ্রিয়

বাংলাদেশের জ্বালানি ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী চীন: রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যা: চোখের সামনে স্ত্রী-সন্তান হারালেন ব্যবসায়ী

আপডেট : ০২:৩০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে কোনো পূর্বসংকেত ছাড়াই আঘাত হেনেছে প্রলয়ংকরী বন্যা। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিজের চোখের সামনে স্ত্রী ও সন্তানকে হারিয়েছেন নুয়াকোটের ত্রিশূলী বাজারের এক কাপড় ব্যবসায়ী। তিনি জানান, সেদিন এলাকায় কোনো বৃষ্টিপাত ছিল না এবং সবাই দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। হঠাৎ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিব্বত সীমান্তে নদীর বাঁধ ভেঙে যাওয়ার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। দ্রুত উঁচু স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি। সতর্কবার্তা পাওয়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই কাদা ও পানির বিশাল ঢেউ আছড়ে পড়ে। সেই প্রবল স্রোতে মুহূর্তের মধ্যে তার স্ত্রী ও তরুণ ছেলে ভেসে যান, যাদের কোনো সন্ধান এখনও মেলেনি।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভোতে কোশি নদীর উপনদীতে হিমবাহ ধসে পানি আটকে যাওয়ার ফলেই এই ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। রাসুয়া জেলার প্রধান শুল্ক কর্মকর্তা রাজেন্দ্র ধুঙ্গানা জানান, তিনি প্রায় ১০০ মিটার উঁচু পানির ঢেউ ধেয়ে আসতে দেখেছেন, যা নিমেষেই একটি আস্ত বাজার ভাসিয়ে নিয়ে যায়। বর্তমানে রাসুয়া, নুয়াকোট এবং ধাদিং জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা কয়েক মিটার গভীর কাদা ও পলির নিচে চাপা পড়ে আছে। চোখের সামনে ঘরবাড়ি ও দোকানপাট বিলীন হয়ে যাওয়ায় শত শত মানুষ এখন নিখোঁজ স্বজনদের অপেক্ষায় কাদার স্তূপের দিকে তাকিয়ে প্রহর গুনছেন। প্রিয়জন হারানোর শোকে স্তব্ধ এলাকাটিতে এখন চলছে কেবল হাহাকার।