Hi

০১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপাল-চীন সীমান্তে হিমবাহ ধসে ১৬২ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ পাঁচ শতাধিক পর্যটক

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১০:৪২:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯ জন দেখেছে

নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে হিমালয়ের হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬২ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে চার শতাধিক বিদেশি নাগরিকসহ মোট ৫৭৯ জন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন। বৃহস্পতিবার উদ্ধারকারী দলগুলো হেলিকপ্টার ব্যবহার করে দুর্গত এলাকায় নিবিড় তল্লাশি চালিয়েছে। উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে স্থানীয় পুলিশ।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, হিমবাহের বিশাল বরফ ও পাথরখণ্ড ধসে পড়ার ফলে এই বিপর্যয় ঘটে, যা প্রচণ্ড গতিতে কাদাপানি ও ধ্বংসস্তূপ নিয়ে নদীর দিকে ধেয়ে আসে। এতে ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী জনপদ, সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো মুহূর্তের মধ্যে তলিয়ে যায়। নেপালের পর্যটন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ জন, অস্ট্রেলিয়ার ৩৪ জন, যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন এবং কানাডার ২৪ জন নাগরিক রয়েছেন। ভুক্তভোগীদের একটি বড় অংশ হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থস্থান কৈলাশ মানস সরোবর ভ্রমণে যাচ্ছিলেন। এদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, তিব্বতের জিরং কাউন্টিতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২৬৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

এই বিপর্যয়ের ফলে দুর্গত অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নেপালের সেনাবাহিনী হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ভারতের পাঠানো তাঁবু, খাদ্য ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী দুর্গতদের মাঝে পৌঁছে দিচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জাতিসংঘ এবং যুক্তরাষ্ট্র জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক ও মানবিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ঘটনায় ৪ শতাধিক বিদেশি নাগরিকসহ ৫৭৯ জন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন।

জনপ্রিয়

নেপালে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যা: প্রাণহানি ১৬২, নিখোঁজ দেড় হাজার মানুষ

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

নেপাল-চীন সীমান্তে হিমবাহ ধসে ১৬২ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ পাঁচ শতাধিক পর্যটক

আপডেট : ১০:৪২:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে হিমালয়ের হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬২ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে চার শতাধিক বিদেশি নাগরিকসহ মোট ৫৭৯ জন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন। বৃহস্পতিবার উদ্ধারকারী দলগুলো হেলিকপ্টার ব্যবহার করে দুর্গত এলাকায় নিবিড় তল্লাশি চালিয়েছে। উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে স্থানীয় পুলিশ।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, হিমবাহের বিশাল বরফ ও পাথরখণ্ড ধসে পড়ার ফলে এই বিপর্যয় ঘটে, যা প্রচণ্ড গতিতে কাদাপানি ও ধ্বংসস্তূপ নিয়ে নদীর দিকে ধেয়ে আসে। এতে ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী জনপদ, সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো মুহূর্তের মধ্যে তলিয়ে যায়। নেপালের পর্যটন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ জন, অস্ট্রেলিয়ার ৩৪ জন, যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন এবং কানাডার ২৪ জন নাগরিক রয়েছেন। ভুক্তভোগীদের একটি বড় অংশ হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থস্থান কৈলাশ মানস সরোবর ভ্রমণে যাচ্ছিলেন। এদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, তিব্বতের জিরং কাউন্টিতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২৬৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

এই বিপর্যয়ের ফলে দুর্গত অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নেপালের সেনাবাহিনী হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ভারতের পাঠানো তাঁবু, খাদ্য ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী দুর্গতদের মাঝে পৌঁছে দিচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জাতিসংঘ এবং যুক্তরাষ্ট্র জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক ও মানবিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ঘটনায় ৪ শতাধিক বিদেশি নাগরিকসহ ৫৭৯ জন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন।