Hi

০২:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভুটানে হিমবাহ হ্রদ ভেঙে আকস্মিক বন্যা, সতর্ক ভারত ও বাংলাদেশ

ভুটানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত হিমবাহ সৃষ্ট শিনতাফু হ্রদ ভেঙে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতির কারণে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উজানের এই পানি ভাটির দিকে নেমে আসায় তা বাংলাদেশের নদ-নদীতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভুটানের গাসা জেলায় অবস্থিত শিনতাফু হ্রদটির একাংশ ভেঙে যায়। এর ফলে মো ছু নদীর তীরবর্তী জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র গাসা ছাচুর অবকাঠামোগুলো ভেসে গেছে। তবে আগেভাগেই স্থানীয়দের সরিয়ে নেওয়ার কারণে প্রাণহানির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। শিনতাফু হ্রদটি ভুটানের ১৭টি সম্ভাব্য বিপজ্জনক হিমবাহ হ্রদের মধ্যে অন্যতম। ২০২১ সালের আগস্ট মাসেও একই এলাকায় আকস্মিক বন্যা হয়েছিল, যেখানে মো ছু নদীর গতিপথ বদলে গাসা ছাচু প্লাবিত হয়।

ভুটান সরকারের তরফ থেকে প্রতিবেশী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামকে সতর্ক করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার তালিকায় রয়েছে আসামের ধুবড়ি এবং পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি। এছাড়া কোচবিহারে সংকোশ নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদেরও সতর্ক করা হয়েছে। সংকোশ নদী আসামের ভেতর দিয়ে ব্রহ্মপুত্রে মিশেছে, যা পরবর্তীতে বাংলাদেশে যমুনা নামে প্রবাহিত হয়।

উজানের বন্যার পানি ভাটিতে নেমে এলে বাংলাদেশের নদ-নদীর পরিস্থিতির ওপর প্রভাব পড়তে পারে। তবে বাংলাদেশে ঠিক কতটা বন্যার ঝুঁকি রয়েছে, তা নির্ভর করবে পানির পরিমাণ এবং উজান থেকে আসা প্রবাহের গতিপ্রকৃতির ওপর। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।

জনপ্রিয়

সুনামগঞ্জে ৮৭ কোটি টাকার প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ বিএনপির

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

ভুটানে হিমবাহ হ্রদ ভেঙে আকস্মিক বন্যা, সতর্ক ভারত ও বাংলাদেশ

আপডেট : ০১:১৫:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

ভুটানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত হিমবাহ সৃষ্ট শিনতাফু হ্রদ ভেঙে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতির কারণে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উজানের এই পানি ভাটির দিকে নেমে আসায় তা বাংলাদেশের নদ-নদীতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভুটানের গাসা জেলায় অবস্থিত শিনতাফু হ্রদটির একাংশ ভেঙে যায়। এর ফলে মো ছু নদীর তীরবর্তী জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র গাসা ছাচুর অবকাঠামোগুলো ভেসে গেছে। তবে আগেভাগেই স্থানীয়দের সরিয়ে নেওয়ার কারণে প্রাণহানির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। শিনতাফু হ্রদটি ভুটানের ১৭টি সম্ভাব্য বিপজ্জনক হিমবাহ হ্রদের মধ্যে অন্যতম। ২০২১ সালের আগস্ট মাসেও একই এলাকায় আকস্মিক বন্যা হয়েছিল, যেখানে মো ছু নদীর গতিপথ বদলে গাসা ছাচু প্লাবিত হয়।

ভুটান সরকারের তরফ থেকে প্রতিবেশী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামকে সতর্ক করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার তালিকায় রয়েছে আসামের ধুবড়ি এবং পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি। এছাড়া কোচবিহারে সংকোশ নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদেরও সতর্ক করা হয়েছে। সংকোশ নদী আসামের ভেতর দিয়ে ব্রহ্মপুত্রে মিশেছে, যা পরবর্তীতে বাংলাদেশে যমুনা নামে প্রবাহিত হয়।

উজানের বন্যার পানি ভাটিতে নেমে এলে বাংলাদেশের নদ-নদীর পরিস্থিতির ওপর প্রভাব পড়তে পারে। তবে বাংলাদেশে ঠিক কতটা বন্যার ঝুঁকি রয়েছে, তা নির্ভর করবে পানির পরিমাণ এবং উজান থেকে আসা প্রবাহের গতিপ্রকৃতির ওপর। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।