ইরানকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান উত্তেজনার সুযোগে বড় তেল কোম্পানিগুলো বিপুল মুনাফা অর্জন করছে। সাধারণ মানুষ যখন জ্বালানির বাড়তি দামে দিশেহারা, ঠিক তখনই কোম্পানিগুলোর এই মুনাফার চিত্র উঠে এসেছে মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সের আলোচনায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে স্যান্ডার্স তথ্য দেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন ইরান যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দাম ৩৯ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এই একই সময়ে এক্সনমোবিলের মুনাফা ১৩০ শতাংশ এবং শেভরনের মুনাফা বেড়েছে ১৮৫ শতাংশ। এছাড়া শেলের মুনাফাও আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
স্যান্ডার্স মন্তব্য করেন, যখন শ্রমজীবী পরিবারগুলো নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচের চাপে হিমশিম খাচ্ছে, তখন তেল কোম্পানিগুলো সাধারণের পকেট কাটছে। বিষয়টি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদাসীন মনোভাবেরও সমালোচনা করেন এই সিনেটর, যেখানে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া ছিল—‘আমি পরোয়া করি না’।
রিপোর্টার নাম: 




















