Hi

১০:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছেলের এইচএসসি পাসের পর বিলুপ্ত চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর ছাত্রদল কমিটি

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাজাহান খানের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনা তৈরি হয়। ফলাফল ঘোষণার রাতে শাজাহান খান তাঁর ছেলের এইচএসসি পাস করার খবরটি ছবিসহ নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করেন। এই ঘটনার পর থেকেই দলের ভেতরে-বাইরে তাঁর বয়স এবং দায়িত্বশীলতা নিয়ে নানা নেতিবাচক আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু এ রকম একটি ঘটনার মধ্য দিয়ে তা হবে, সেটা কখনো ভাবেননি। এইচএসসি পাস ছেলের ফল নিয়ে ফেসবুকে এভাবে প্রকাশ্যে না এলেও পারতেন বলে মনে করেন তিনি।

এই আলোচনার মধ্যেই রোববার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি বাতিলের আনুষ্ঠানিক কারণ হিসেবে মেয়াদের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন এই সিদ্ধান্তের অনুমোদন দিয়েছেন। শিগগিরই এসব ইউনিটে নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ২০১৮ সালের ৫ জুন দুই বছর মেয়াদে চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সংগঠনের বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মোমিনুর রহমান মালিতা জানান, কমিটির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং তাঁরা কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নতুন কমিটির জন্য যোগাযোগ করছিলেন। তবে এমন পরিস্থিতিতে কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মূলত সভাপতি শাজাহান খানের খামখেয়ালি কর্মকাণ্ডকেই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন।

অন্যদিকে, কমিটি বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো দ্বিমত পোষণ করেননি বিদায়ী সভাপতি শাজাহান খান। দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি স্মরণ করে তিনি জানান, দলের নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান চাইলে ভবিষ্যতে যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলের জন্য কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। দীর্ঘ ২৮ বছর ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় কর্মী থেকে নেতা হয়ে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার কথা উল্লেখ করে শাজাহান বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চাইলে পরবর্তী সময়ে যুবদলের রাজনীতিতে থাকার ইচ্ছা আছে।

জনপ্রিয়

পানি না দিলে ভারতকে ট্রানজিট-করিডোর নয়: নাহিদ ইসলাম

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

ছেলের এইচএসসি পাসের পর বিলুপ্ত চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর ছাত্রদল কমিটি

আপডেট : ০৯:২৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাজাহান খানের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনা তৈরি হয়। ফলাফল ঘোষণার রাতে শাজাহান খান তাঁর ছেলের এইচএসসি পাস করার খবরটি ছবিসহ নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করেন। এই ঘটনার পর থেকেই দলের ভেতরে-বাইরে তাঁর বয়স এবং দায়িত্বশীলতা নিয়ে নানা নেতিবাচক আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু এ রকম একটি ঘটনার মধ্য দিয়ে তা হবে, সেটা কখনো ভাবেননি। এইচএসসি পাস ছেলের ফল নিয়ে ফেসবুকে এভাবে প্রকাশ্যে না এলেও পারতেন বলে মনে করেন তিনি।

এই আলোচনার মধ্যেই রোববার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি বাতিলের আনুষ্ঠানিক কারণ হিসেবে মেয়াদের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন এই সিদ্ধান্তের অনুমোদন দিয়েছেন। শিগগিরই এসব ইউনিটে নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ২০১৮ সালের ৫ জুন দুই বছর মেয়াদে চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সংগঠনের বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মোমিনুর রহমান মালিতা জানান, কমিটির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং তাঁরা কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নতুন কমিটির জন্য যোগাযোগ করছিলেন। তবে এমন পরিস্থিতিতে কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মূলত সভাপতি শাজাহান খানের খামখেয়ালি কর্মকাণ্ডকেই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন।

অন্যদিকে, কমিটি বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো দ্বিমত পোষণ করেননি বিদায়ী সভাপতি শাজাহান খান। দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি স্মরণ করে তিনি জানান, দলের নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান চাইলে ভবিষ্যতে যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলের জন্য কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। দীর্ঘ ২৮ বছর ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় কর্মী থেকে নেতা হয়ে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার কথা উল্লেখ করে শাজাহান বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চাইলে পরবর্তী সময়ে যুবদলের রাজনীতিতে থাকার ইচ্ছা আছে।