গত জুলাইয়ে স্পেনের কাছে বিশ্বকাপ ফাইনালে ১-০ গোলে হারের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ষড়যন্ত্রতত্ত্ব ঘুরছে। এমনকি কেউ কেউ দাবি করেছেন, আর্জেন্টিনা ইচ্ছা করে ম্যাচ হেরেছে। এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিতে এর আগে লিওনেল মেসি, লাউতারো মার্তিনেজ, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ও এনজো ফার্নান্দেজের পর এবার মুখ খুললেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। এইচএসসি-সমমানে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। উখিয়ায় গ্যাসের সঙ্গে তেল থাকার সম্ভাবনা দেখছে পেট্রোবাংলা। ১২ বছরের রেকর্ড ভেঙে সোনা জিতলেন ইরফানা।
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী এই গোলরক্ষক প্রশ্ন তুলেছেন, ‘বিশ্বকাপের ফাইনালে কে হারতে চায়? যত টাকাই দেওয়া হোক, এটা অসম্ভব।’ তিনি আরও বলেন, ‘এসব ষড়যন্ত্রতত্ত্ব শুনলে আমার হাসি পায়। পুরো ৫১ দিনের সফর আর আমাদের পরিশ্রম আমি নিজের চোখে দেখেছি। আরও একটি দিন বিশ্রাম পেলে আমরা ভালো অবস্থায় থাকতাম। বিশ্বকাপের ফাইনালে কে হারতে চায়?’ এক্সপ্লেইনার / যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কী।
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরেছিল আর্জেন্টিনা। শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্নভঙ্গের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে নানা ধরনের অভিযোগ ও গুঞ্জন। যদিও এমন দাবির পক্ষে বিশ্বাসযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। নাঈমের ফিফটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৭০ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ।
সম্প্রতি আর্জেন্টাইন সাংবাদিক গাস্তন ও এস্তেবান এদুলের অনুষ্ঠান ‘লস এদুল’-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব অভিযোগ নিয়ে কথা বলেছেন মার্তিনেজ। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো তথ্য যাচাই না করেই বিশ্বাস করার প্রবণতার সমালোচনা করে বলেন, ‘আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যা আসে, মানুষ তা-ই বিশ্বাস করে। এসব তত্ত্ব কোথা থেকে এসেছে, সেটাই বুঝতে পারি না।’
এর আগে একই অনুষ্ঠানে বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে ছড়ানো অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছিলেন এনজো ফার্নান্দেজও। তিনি জানিয়েছিলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নানা গুঞ্জন এতটাই ছড়িয়েছিল যে তাঁর মা-বাবাও ফোন করে জানতে চেয়েছিলেন, আসলে কী ঘটেছিল। এনজো বলেছিলেন, ‘আমার মা-বাবা ফোন করে জানতে চাইছিলেন, কী হয়েছিল। আসলে কিছুই হয়নি। সব মিথ্যা, সব বানানো কথা। স্পেন আমাদের যোগ্যভাবেই হারিয়েছে। প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানানো উচিত।’
এনজো ফাইনালে স্পেনের শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিয়ে আরও বলেন, ‘ওরা আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে। এটা মেনে নিতে হবে এবং স্বীকার করতে হবে যে প্রতিপক্ষই ভালো ছিল।’
সবার আগে বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছিলেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুঞ্জনকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘ফাইনালে অস্বাভাবিক কিছু ঘটেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ একটা আজেবাজে কথা বললেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। স্পেন ভালো খেলেছে। আর আমরা শারীরিকভাবে প্রায় নিঃশেষ হয়ে ফাইনালে পৌঁছেছিলাম।’ রোমেরো আরও জানিয়েছিলেন, অ্যাকিলিস টেন্ডনের সমস্যার কারণে ফাইনালের আগে ঠিকমতো অনুশীলন করতে পারেননি তিনি। চোট নিয়েই খেলেছিলেন বিশ্বকাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি। ট্রাম্পের জন্য এটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ কেন।
এবার এমিলিয়ানো মার্তিনেজও আর্জেন্টিনার শারীরিক ক্লান্তিকে পরাজয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার অভিযোগ, টুর্নামেন্টের ঠাসা সূচি এবং একের পর এক দীর্ঘ সফরে পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাননি ফুটবলাররা। বিশেষ করে সেমিফাইনাল ও ফাইনালের মাঝের সময়টুকু নিয়ে অসন্তুষ্ট আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক। তিনি বলেন, ‘কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় এবারের বিশ্বকাপে সবকিছু অনেক বেশি বাণিজ্যিক বিষয়কে কেন্দ্র করে হয়েছে। সেমিফাইনাল ও ফাইনালের মাঝে মাত্র তিন দিন সময় পেয়েছিলাম। এর মধ্যে সফর করতে হয়েছে, অনুশীলনও সংক্ষিপ্ত করতে হয়েছে। আমরা পুরোপুরি ক্লান্ত ছিলাম।’
তবে ক্লান্তির কথা বললেও স্পেনের জয়কে খাটো করেননি মার্তিনেজ। তার স্বীকারোক্তি, ফাইনালে স্পেন যোগ্য দল হিসেবেই জিতেছে। অবশ্য ফল মেনে নিলেও একটি আক্ষেপ এখনও রয়েছে তার। ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ালে আর্জেন্টিনাই জিতত বলে বিশ্বাস তার। মার্তিনেজের দাবি, স্পেনের ফুটবলাররাও টাইব্রেকারে যেতে চাইছিলেন না। তিনি বলেন, ‘ওদের বলতে শুনেছিলাম, এখানেই ম্যাচ জিততে হবে, টাইব্রেকারে যাওয়া চলবে না। আমি পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম, দিনটা আমারই হবে।’ ব্যালন ডি’অর: ৩০ ফুটবলারের পয়েন্ট ও ১০০ দেশের ভোটের হিসাব।
এর আগে এনজোও একই দাবি করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘টাইব্রেকারে গেলে আমরাই জিততাম। আমাদের দলে দিবু ছিল। আমরা জানতাম, ওখানে সে কখনো ব্যর্থ হয় না।’ ফাইনালে মার্তিনেজ ১১টি সেভ করেছিলেন, কিন্তু অতিরিক্ত সময়ে স্পেনের জয়সূচক গোলটি আটকাতে পারেননি। ফলে টাইব্রেকারে নিজের সামর্থ্য দেখানোর সুযোগও হয়নি তার। সাফের জন্য দ্বিতীয় সারির দল ঘোষণা ভারতের, আসছেন না খালিদ জামিলও।
রিপোর্টার নাম: 
























