কুমিল্লায় এক স্কুলশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার জেলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মমিনুল হক আসামির এই জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন আদালত পরিদর্শক সাদেকুর রহমান। এক পরিবারের ৮ প্রতিষ্ঠান ও সরকারের ১২০০ কোটি টাকা ‘লুটপাট’। রিয়াদ বিমানবন্দরে বিস্ফোরণ, অনেকে আহত। ‘তেলাপোকা’ ঠেকাতে দিল্লি হলো ‘লালকিল্লা’, ভারত হলো ‘কাশ্মীর’।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও পুলিশের তথ্য
- ঘটনার শিকার কিশোরী: সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
- অভিযুক্তের পরিচয়: সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া।
- আসামির জবানবন্দি: ধর্ষণের পর হত্যা এবং আইফোন ছিনতাই।
- আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম: সন্দেহভাজন চালককে গ্রেপ্তার ও আইফোন উদ্ধার।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া সংবাদ সম্মেলনে জানান, সুমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত শিক্ষার্থীর ব্যবহৃত আইফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তের ভাষ্যমতে, গত বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার থেকে রেসকোর্স এলাকায় যাওয়ার জন্য ওই শিক্ষার্থী ৩০০ টাকায় সুমন মিয়ার সিএনজি ভাড়া করেছিল। গন্তব্যে দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে চালক কৌশলে তাকে জগতপুর গ্রামের নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে মেয়েটি আতঙ্কিত হয়ে পালানোর চেষ্টা করলে সুমন তার গলায় গামছা পেঁচিয়ে ধর্ষণ করে এবং পরে মাথা কাদার মধ্যে চেপে ধরে মৃত্যু নিশ্চিত করে। দিল্লিতে বিক্ষোভ: ‘কাল আমরা আবার আসবো’।
পুলিশ জানায়, অপরাধ সংঘটনের পর শিক্ষার্থীর ব্যাগ থেকে আইফোন নিয়ে সুমন ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরবর্তী সময়ে চাপাপুরের কাচিকাটা মসজিদের পাশে একটি পুকুরপাড়ে ফোনটি লুকিয়ে সে চট্টগ্রামে পালিয়ে গিয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা সড়কের পাশে ধানখেতে কিশোরীর মরদেহ দেখে ৯৯৯ নম্বরে কল করলে লালমাই থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। কিশোরীর বাবা ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মেয়ের পরিচয় শনাক্ত করেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরী গত রোববার বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। পরবর্তীকালে তারা কক্সবাজার ভ্রমণ শেষে বুধবার রাতে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এদিকে, কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ইতিমধ্যে ৩৬৩ জনকে আটক করেছে প্রশাসন। এছাড়া দখল ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধে কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততা ও এর নেপথ্যে থাকা পৃষ্ঠপোষকদের চিহ্নিত করতে বিশেষ তৎপরতা চালাচ্ছে পুলিশ।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- দখল-চাঁদাবাজিতে ব্যবহার হচ্ছে ‘কিশোর গ্যাং’, খুঁজে বের করা হবে পৃষ্ঠপোষকদের।
রিপোর্টার নাম: 
























