Hi

১১:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লিবিয়া থেকে প্রতারণার শিকার ৩০৯ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে

মানবপাচার ও প্রতারণার শিকার ৩০৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফ্লাই ওয়া ইন্টারন্যাশনাল পরিচালিত একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর যৌথ উদ্যোগে এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের স্বাগত জানান।

বিমানবন্দরে অবস্থিত প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের (বিএমইটি) সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহেদ হোসেন জানিয়েছেন, দেশে ফেরা প্রত্যেক নাগরিককে আইওএম-এর পক্ষ থেকে ছয় হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা এবং খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক থেকেও তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

সরকারি সূত্র অনুযায়ী, লিবিয়ায় অবস্থানরত এসব বাংলাদেশি মূলত মানবপাচারকারী চক্রের প্রতারণার শিকার হয়েছিলেন। ইউরোপে উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে দালালরা তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়। এদের মধ্যে অনেকেই অবৈধভাবে সমুদ্রপথে ইউরোপে পাড়ি দেওয়ার সময় আটক হন, আবার অনেকে লিবিয়ায় গিয়ে অপহরণ ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।

সরকারের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই জটিল প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সফল করতে লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, লিবিয়া সরকার এবং আইওএম সমন্বিতভাবে কাজ করেছে। সরকার অবৈধ উপায়ে বিদেশযাত্রা নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি বিদেশে বিপদে পড়া নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

চট্টগ্রাম-২ আসনে সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জামায়াত প্রার্থীর লিভ টু আপিল

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

লিবিয়া থেকে প্রতারণার শিকার ৩০৯ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে

আপডেট : ০৯:৪২:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

মানবপাচার ও প্রতারণার শিকার ৩০৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফ্লাই ওয়া ইন্টারন্যাশনাল পরিচালিত একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর যৌথ উদ্যোগে এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের স্বাগত জানান।

বিমানবন্দরে অবস্থিত প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের (বিএমইটি) সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহেদ হোসেন জানিয়েছেন, দেশে ফেরা প্রত্যেক নাগরিককে আইওএম-এর পক্ষ থেকে ছয় হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা এবং খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক থেকেও তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

সরকারি সূত্র অনুযায়ী, লিবিয়ায় অবস্থানরত এসব বাংলাদেশি মূলত মানবপাচারকারী চক্রের প্রতারণার শিকার হয়েছিলেন। ইউরোপে উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে দালালরা তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়। এদের মধ্যে অনেকেই অবৈধভাবে সমুদ্রপথে ইউরোপে পাড়ি দেওয়ার সময় আটক হন, আবার অনেকে লিবিয়ায় গিয়ে অপহরণ ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।

সরকারের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই জটিল প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সফল করতে লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, লিবিয়া সরকার এবং আইওএম সমন্বিতভাবে কাজ করেছে। সরকার অবৈধ উপায়ে বিদেশযাত্রা নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি বিদেশে বিপদে পড়া নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।