Hi

১১:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাকের স্বাক্ষর জাল করে শতকোটি টাকা ঋণের অপচেষ্টা

ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাকের স্বাক্ষর জাল করে ১০০ কোটি টাকা ঋণের ভুয়া কাগজপত্র তৈরির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার হোয়াটসঅ্যাপে ঋণের অঙ্গীকারনামার একটি কপি পাওয়ার পর তিনি নবাবগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। মঙ্গলবার বিষয়টি গণমাধ্যমের কাছে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

জিডিতে সংসদ সদস্য উল্লেখ করেছেন, অজ্ঞাতনামা একটি চক্র তার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার করে প্রতারণামূলকভাবে ভুয়া নথিপত্র তৈরি করেছে। ভুয়া ওই চুক্তিপত্র ও অঙ্গীকারনামায় দাবি করা হয়েছে যে, খন্দকার আবু আশফাক ১০০ কোটি টাকা ঋণ নিতে আগ্রহী এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের মাধ্যমে সেই অর্থ পরিশোধ করা হবে। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তার অনুমতি ছাড়া স্বাক্ষর বা এনআইডি ব্যবহার করে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ নেই।

ঘটনার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে সংসদ সদস্য জানান, সম্প্রতি একটি চক্র তার আশেপাশে ঘোরাফেরা করছিল। একপর্যায়ে অপরিচিত একটি নম্বর থেকে তার হোয়াটসঅ্যাপে ঋণের ওই ভুয়া চুক্তিনামা পাঠানো হয়। একই ধরনের নথিপত্র কৈলাইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খায়ের হোসেনের কাছেও পৌঁছায়, যা তিনি সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন। বিষয়টি বারবার সামনে আসায় তিনি আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হন এবং পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।

নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু হানিফ জানিয়েছেন, সংসদ সদস্যের দায়ের করা জিডিটি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। তদন্ত সম্পন্ন হলে এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় এবং এর পেছনের প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘অজ্ঞাতনামা বিবাদী/বিবাদীরা আমার এনআইডি কার্ড ব্যবহার করিয়া প্রতারণাপূর্বক ভুয়া ডকুমেন্ট তৈরি করিয়াছে মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে জানিতে পারি।

অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

স্বাক্ষর জাল করিয়া যেকোনো অপকর্ম করিতে পারে।’

একপর্যায়ে অপরিচিত নম্বর থেকে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ঋণ চুক্তির অঙ্গীনামার ওই কপি পাঠায়।

জনপ্রিয়

চট্টগ্রাম-২ আসনে সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জামায়াত প্রার্থীর লিভ টু আপিল

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাকের স্বাক্ষর জাল করে শতকোটি টাকা ঋণের অপচেষ্টা

আপডেট : ০৯:৫৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাকের স্বাক্ষর জাল করে ১০০ কোটি টাকা ঋণের ভুয়া কাগজপত্র তৈরির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার হোয়াটসঅ্যাপে ঋণের অঙ্গীকারনামার একটি কপি পাওয়ার পর তিনি নবাবগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। মঙ্গলবার বিষয়টি গণমাধ্যমের কাছে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

জিডিতে সংসদ সদস্য উল্লেখ করেছেন, অজ্ঞাতনামা একটি চক্র তার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার করে প্রতারণামূলকভাবে ভুয়া নথিপত্র তৈরি করেছে। ভুয়া ওই চুক্তিপত্র ও অঙ্গীকারনামায় দাবি করা হয়েছে যে, খন্দকার আবু আশফাক ১০০ কোটি টাকা ঋণ নিতে আগ্রহী এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের মাধ্যমে সেই অর্থ পরিশোধ করা হবে। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তার অনুমতি ছাড়া স্বাক্ষর বা এনআইডি ব্যবহার করে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ নেই।

ঘটনার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে সংসদ সদস্য জানান, সম্প্রতি একটি চক্র তার আশেপাশে ঘোরাফেরা করছিল। একপর্যায়ে অপরিচিত একটি নম্বর থেকে তার হোয়াটসঅ্যাপে ঋণের ওই ভুয়া চুক্তিনামা পাঠানো হয়। একই ধরনের নথিপত্র কৈলাইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খায়ের হোসেনের কাছেও পৌঁছায়, যা তিনি সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন। বিষয়টি বারবার সামনে আসায় তিনি আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হন এবং পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।

নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু হানিফ জানিয়েছেন, সংসদ সদস্যের দায়ের করা জিডিটি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। তদন্ত সম্পন্ন হলে এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় এবং এর পেছনের প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘অজ্ঞাতনামা বিবাদী/বিবাদীরা আমার এনআইডি কার্ড ব্যবহার করিয়া প্রতারণাপূর্বক ভুয়া ডকুমেন্ট তৈরি করিয়াছে মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে জানিতে পারি।

অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

স্বাক্ষর জাল করিয়া যেকোনো অপকর্ম করিতে পারে।’

একপর্যায়ে অপরিচিত নম্বর থেকে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ঋণ চুক্তির অঙ্গীনামার ওই কপি পাঠায়।