Hi

১১:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্ধ থাকা তিন রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল চালুর উদ্যোগ: বেসরকারি খাতে লিজ প্রদান

দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি পাটকল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) সঙ্গে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ও হ্যামকো গ্রুপের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলস লিমিটেড এবং খুলনার স্টার জুট মিলস লিমিটেড পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। অন্যদিকে, হ্যামকো গ্রুপ খুলনার খালিশপুরে অবস্থিত প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস লিমিটেড লিজ নিয়েছে। বিজেএমসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কবির উদ্দিন সিকদার, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কোম্পানি সচিব আমিনুর রহমান এবং হ্যামকো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ টি এম মোস্তফা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, এই তিনটি মিল চালুর মাধ্যমে প্রায় ১১ হাজার ৬২৯ জনের কর্মসংস্থান হবে। এই প্রকল্পে মোট ৬১৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে এবং বার্ষিক টার্নওভার প্রায় ১ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলে ১৫৭ কোটি টাকা বিনিয়োগে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান ও ৫০০ কোটি টাকা টার্নওভারের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। খুলনার স্টার জুট মিলে ২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান এবং ৫০০ কোটি টাকা টার্নওভারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলে ২১২ কোটি টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে ১ হাজার ১৫৩ জনের কর্মসংস্থান ও ১৭৫ কোটি টাকা টার্নওভারের সম্ভাবনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিজেএমসির উৎপাদন বন্ধ থাকা ২৫টি মিলের মধ্যে ২০টি ইজারার ভিত্তিতে বেসরকারি খাতে চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ১৪টি মিলের লিজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে লিজগ্রহীতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ৯টি মিলে ইতোমধ্যে উৎপাদন শুরু হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, বস্ত্র ও পাট সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীসহ বিজেএমসি ও সংশ্লিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মিলটি চালু হলে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান হবে।

মিলটি চালু হলে কমপক্ষে ১ হাজার ১৫৩ জনের কর্মসংস্থান হবে।

জনপ্রিয়

চট্টগ্রাম-২ আসনে সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জামায়াত প্রার্থীর লিভ টু আপিল

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

বন্ধ থাকা তিন রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল চালুর উদ্যোগ: বেসরকারি খাতে লিজ প্রদান

আপডেট : ০৯:২৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি পাটকল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) সঙ্গে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ও হ্যামকো গ্রুপের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলস লিমিটেড এবং খুলনার স্টার জুট মিলস লিমিটেড পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। অন্যদিকে, হ্যামকো গ্রুপ খুলনার খালিশপুরে অবস্থিত প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস লিমিটেড লিজ নিয়েছে। বিজেএমসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কবির উদ্দিন সিকদার, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কোম্পানি সচিব আমিনুর রহমান এবং হ্যামকো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ টি এম মোস্তফা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, এই তিনটি মিল চালুর মাধ্যমে প্রায় ১১ হাজার ৬২৯ জনের কর্মসংস্থান হবে। এই প্রকল্পে মোট ৬১৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে এবং বার্ষিক টার্নওভার প্রায় ১ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলে ১৫৭ কোটি টাকা বিনিয়োগে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান ও ৫০০ কোটি টাকা টার্নওভারের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। খুলনার স্টার জুট মিলে ২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান এবং ৫০০ কোটি টাকা টার্নওভারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলে ২১২ কোটি টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে ১ হাজার ১৫৩ জনের কর্মসংস্থান ও ১৭৫ কোটি টাকা টার্নওভারের সম্ভাবনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিজেএমসির উৎপাদন বন্ধ থাকা ২৫টি মিলের মধ্যে ২০টি ইজারার ভিত্তিতে বেসরকারি খাতে চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ১৪টি মিলের লিজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে লিজগ্রহীতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ৯টি মিলে ইতোমধ্যে উৎপাদন শুরু হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, বস্ত্র ও পাট সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীসহ বিজেএমসি ও সংশ্লিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মিলটি চালু হলে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান হবে।

মিলটি চালু হলে কমপক্ষে ১ হাজার ১৫৩ জনের কর্মসংস্থান হবে।