Hi

০২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে ফজরের নামাজে সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু

পটুয়াখালী সদর উপজেলার মৌকরন ইউনিয়নের শ্রীরামপুর বাজার মসজিদে ফজরের নামাজ আদায়কালে হাফেজ মুহাম্মদ আতাউল্লাহ নামে এক ইমামের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোরে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনের ন্যায় ওইদিন ভোরেও তিনি ফজরের সুন্নত নামাজ পড়তে দাঁড়ান। নামাজের দ্বিতীয় রাকাতে সেজদায় যাওয়ার পর তিনি আর ওঠেননি। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় মুসল্লিরা কাছে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

নিহত হাফেজ আতাউল্লাহ পটুয়াখালীর জামিয়া আশরাফিয়া মাদরাসা থেকে শিক্ষা জীবন শেষ করেছিলেন। তিনি দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তালুকদার বাজারসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা মাওলানা আব্দুস সালামের একমাত্র সন্তান ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। প্রায় দেড় বছর ধরে তিনি মৌকরন ইউনিয়নের ওই মসজিদে ইমামতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। শান্ত ও বিনয়ী স্বভাবের কারণে স্থানীয় মুসল্লিদের কাছে তিনি অত্যন্ত প্রিয়ভাজন ছিলেন। ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এলাকার মানুষের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক ছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

যা জানা গেল: বিদেশে কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

পটুয়াখালীতে ফজরের নামাজে সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু

আপডেট : ১১:৪১:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালী সদর উপজেলার মৌকরন ইউনিয়নের শ্রীরামপুর বাজার মসজিদে ফজরের নামাজ আদায়কালে হাফেজ মুহাম্মদ আতাউল্লাহ নামে এক ইমামের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোরে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনের ন্যায় ওইদিন ভোরেও তিনি ফজরের সুন্নত নামাজ পড়তে দাঁড়ান। নামাজের দ্বিতীয় রাকাতে সেজদায় যাওয়ার পর তিনি আর ওঠেননি। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় মুসল্লিরা কাছে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

নিহত হাফেজ আতাউল্লাহ পটুয়াখালীর জামিয়া আশরাফিয়া মাদরাসা থেকে শিক্ষা জীবন শেষ করেছিলেন। তিনি দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তালুকদার বাজারসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা মাওলানা আব্দুস সালামের একমাত্র সন্তান ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। প্রায় দেড় বছর ধরে তিনি মৌকরন ইউনিয়নের ওই মসজিদে ইমামতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। শান্ত ও বিনয়ী স্বভাবের কারণে স্থানীয় মুসল্লিদের কাছে তিনি অত্যন্ত প্রিয়ভাজন ছিলেন। ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এলাকার মানুষের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক ছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।