Hi

০৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামী সপ্তাহে দিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো দ্বিপক্ষীয় সফরে আগামী সপ্তাহের শেষভাগে অথবা সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নয়াদিল্লি যেতে পারেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র বরাতে জানা গেছে, এই সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকা ও নয়াদিল্লি উভয় রাজধানীতেই জোর প্রস্তুতি চলছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক, যেমন—বাণিজ্য, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। সব ঠিক থাকলে এটি হবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর, যা দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের নতুন গতিপথ নির্ধারণে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, সফরটি দুদিনের একটি দ্বিপক্ষীয় কর্মসূচি হিসেবে সাজানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যদিও চূড়ান্ত সময়সূচি এখনো নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ভারত সরকার তারেক রহমানকে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। এছাড়া আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস আউটরিচ সেশনেও বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।

২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক দাবির বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতভিন্নতা রয়েছে। এর আগে বাংলাদেশের একটি ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করলে ঢাকা তাকে হস্তান্তরের দাবি জানায়। ভারত সরকার জানিয়েছে, এই অনুরোধটি যথাযথ আইনি ও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে শেখ হাসিনা দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি মতবিনিময় করলে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ঢাকা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত নয়। তবে ভারত সরকার ওই অনুষ্ঠান আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। গত এপ্রিলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নয়াদিল্লি সফর করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন। এছাড়া গত ১০ আগস্ট ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সম্পর্ক উন্নয়নের উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

আলোচনার অন্যতম প্রধান এজেন্ডা হতে পারে অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন। ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে, তাই চুক্তি নবায়নের বিষয়টি এবারের আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে। এছাড়া অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়েও ভারতের কাছ থেকে আরও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে ঢাকা।

কৌশলগত ও ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখা ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও সীমান্ত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকা অনস্বীকার্য। দুই দেশই এখন সম্পর্ক স্বাভাবিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী, যা এই সফরের পরিকল্পনায় প্রতিফলিত হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, একটি মাত্র সফরেই সব অমীমাংসিত সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। শেখ হাসিনার ইস্যু, পানিবণ্টন, বাণিজ্য ও সীমান্ত নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। তবে নরেন্দ্র মোদি ও তারেক রহমানের সরাসরি আলোচনা দুই দেশের মতপার্থক্য নিরসনে একটি কার্যকর রাজনৈতিক পথ উন্মোচন করতে পারে।

ভারতীয় প্রতিবেদনের ভাষ্যমতে, এই সফরটি হবে ভারত-বাংলাদেশ নতুন রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রথম বড় পরীক্ষা। উভয় পক্ষের মূল লক্ষ্য হলো আনুষ্ঠানিক আলোচনা পুনরায় শুরু করা এবং জটিল সংকটগুলো যেন সার্বিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেই পরিবেশ তৈরি করা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সম্ভাব্য সফর ঘিরে দুই দেশের কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। দিল্লি ও ঢাকা—উভয় পক্ষই এই বৈঠকের দিকে গভীর নজর রাখছে, কারণ এটি দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরুর ইঙ্গিত হতে পারে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে যান এবং এরপর থেকেই তিনি সেখানে অবস্থান করছেন।

কর্মকর্তারাও নাম প্রকাশ করে কথা বলতে রাজি হননি।

সম্প্রতি দুদেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনঃস্থাপনেরও কিছু লক্ষণ দেখা গেছে।

উভয় দেশের মধ্যে সমাধানের অপেক্ষায় থাকা দীর্ঘদিনের বেশ কিছু বাস্তবভিত্তিক সমস্যাও রয়েছে।

প্রতিবেদন বরাত বলছে, সফরের চূড়ান্ত তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

জনপ্রিয়

ডারউইন টেস্টে তানজিদের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি, চালকের আসনে বাংলাদেশ

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

আগামী সপ্তাহে দিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট : ০৫:০৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো দ্বিপক্ষীয় সফরে আগামী সপ্তাহের শেষভাগে অথবা সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নয়াদিল্লি যেতে পারেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র বরাতে জানা গেছে, এই সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকা ও নয়াদিল্লি উভয় রাজধানীতেই জোর প্রস্তুতি চলছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক, যেমন—বাণিজ্য, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। সব ঠিক থাকলে এটি হবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর, যা দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের নতুন গতিপথ নির্ধারণে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, সফরটি দুদিনের একটি দ্বিপক্ষীয় কর্মসূচি হিসেবে সাজানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যদিও চূড়ান্ত সময়সূচি এখনো নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ভারত সরকার তারেক রহমানকে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। এছাড়া আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস আউটরিচ সেশনেও বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।

২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক দাবির বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতভিন্নতা রয়েছে। এর আগে বাংলাদেশের একটি ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করলে ঢাকা তাকে হস্তান্তরের দাবি জানায়। ভারত সরকার জানিয়েছে, এই অনুরোধটি যথাযথ আইনি ও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে শেখ হাসিনা দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি মতবিনিময় করলে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ঢাকা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত নয়। তবে ভারত সরকার ওই অনুষ্ঠান আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। গত এপ্রিলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নয়াদিল্লি সফর করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন। এছাড়া গত ১০ আগস্ট ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সম্পর্ক উন্নয়নের উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

আলোচনার অন্যতম প্রধান এজেন্ডা হতে পারে অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন। ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে, তাই চুক্তি নবায়নের বিষয়টি এবারের আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে। এছাড়া অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়েও ভারতের কাছ থেকে আরও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে ঢাকা।

কৌশলগত ও ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখা ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও সীমান্ত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকা অনস্বীকার্য। দুই দেশই এখন সম্পর্ক স্বাভাবিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী, যা এই সফরের পরিকল্পনায় প্রতিফলিত হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, একটি মাত্র সফরেই সব অমীমাংসিত সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। শেখ হাসিনার ইস্যু, পানিবণ্টন, বাণিজ্য ও সীমান্ত নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। তবে নরেন্দ্র মোদি ও তারেক রহমানের সরাসরি আলোচনা দুই দেশের মতপার্থক্য নিরসনে একটি কার্যকর রাজনৈতিক পথ উন্মোচন করতে পারে।

ভারতীয় প্রতিবেদনের ভাষ্যমতে, এই সফরটি হবে ভারত-বাংলাদেশ নতুন রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রথম বড় পরীক্ষা। উভয় পক্ষের মূল লক্ষ্য হলো আনুষ্ঠানিক আলোচনা পুনরায় শুরু করা এবং জটিল সংকটগুলো যেন সার্বিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেই পরিবেশ তৈরি করা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সম্ভাব্য সফর ঘিরে দুই দেশের কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। দিল্লি ও ঢাকা—উভয় পক্ষই এই বৈঠকের দিকে গভীর নজর রাখছে, কারণ এটি দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরুর ইঙ্গিত হতে পারে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে যান এবং এরপর থেকেই তিনি সেখানে অবস্থান করছেন।

কর্মকর্তারাও নাম প্রকাশ করে কথা বলতে রাজি হননি।

সম্প্রতি দুদেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনঃস্থাপনেরও কিছু লক্ষণ দেখা গেছে।

উভয় দেশের মধ্যে সমাধানের অপেক্ষায় থাকা দীর্ঘদিনের বেশ কিছু বাস্তবভিত্তিক সমস্যাও রয়েছে।

প্রতিবেদন বরাত বলছে, সফরের চূড়ান্ত তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত