Hi

০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদি আরবের জিজানে আরামকো শোধনাগারে হুতি বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলা

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল জায়ান্ট ‘সৌদি আরামকো’র একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে দুটি ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জিজান অঞ্চলে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

সামরিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, জিজান অঞ্চলের তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে ড্রোনগুলো নিক্ষেপ করা হয়। তবে এই হামলায় শোধনাগারটির কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না কিংবা কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ বা আরামকোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

হামলার দায় স্বীকার করে হুতি বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে জানানো হয়, সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেনের ‘সাদা’ ও ‘হাজ্জাহ’ প্রদেশের আকাশসীমা এবং ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে সৌদি বিমানবাহিনী সামরিক তৎপরতা চালিয়েছে। তারই প্রতিশোধ ও পাল্টা জবাব হিসেবে জিজানের আরামকো শোধনাগারে এই সমন্বিত ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে তারা দাবি করেছে।

সৌদি আরামকোর মতো অত্যন্ত স্পর্শকাতর জ্বালানি স্থাপনায় পুনরায় ড্রোন হামলার ঘটনায় লোহিত সাগর ও মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার নিবিড়ভাবে নজর রাখছে।

জনপ্রিয়

ডারউইন টেস্টে তানজিদের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি, চালকের আসনে বাংলাদেশ

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

সৌদি আরবের জিজানে আরামকো শোধনাগারে হুতি বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলা

আপডেট : ০৪:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল জায়ান্ট ‘সৌদি আরামকো’র একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে দুটি ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জিজান অঞ্চলে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

সামরিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, জিজান অঞ্চলের তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে ড্রোনগুলো নিক্ষেপ করা হয়। তবে এই হামলায় শোধনাগারটির কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না কিংবা কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ বা আরামকোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

হামলার দায় স্বীকার করে হুতি বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে জানানো হয়, সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেনের ‘সাদা’ ও ‘হাজ্জাহ’ প্রদেশের আকাশসীমা এবং ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে সৌদি বিমানবাহিনী সামরিক তৎপরতা চালিয়েছে। তারই প্রতিশোধ ও পাল্টা জবাব হিসেবে জিজানের আরামকো শোধনাগারে এই সমন্বিত ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে তারা দাবি করেছে।

সৌদি আরামকোর মতো অত্যন্ত স্পর্শকাতর জ্বালানি স্থাপনায় পুনরায় ড্রোন হামলার ঘটনায় লোহিত সাগর ও মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার নিবিড়ভাবে নজর রাখছে।