Hi

০৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়া নিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, কড়া হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার

আগামী সোমবার থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া তাদের বার্ষিক সামরিক মহড়া ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ (ইউএফএস) পরিচালনা করতে যাচ্ছে। এই মহড়াকে কেন্দ্র করে উত্তর কোরিয়া তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এবং একে যুদ্ধের উসকানিমূলক প্রস্তুতি হিসেবে অভিহিত করেছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে যে এবারের মহড়াটি গত পাঁচ বছরের তুলনায় ভিন্ন এবং এটি আধুনিক যুদ্ধ কৌশল আয়ত্ত করার একটি প্রয়াস। পিয়ংইয়ংয়ের মতে, এই মহড়া উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের প্রস্তুতিকে আরও জোরদার করছে। এর প্রতিক্রিয়ায় দেশটি ‘নতুন স্তরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা’ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, পিয়ংইয়ং তার রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং বহিরাগতদের বৈরী কর্মকাণ্ড ব্যর্থ করতে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। শত্রু রাষ্ট্রগুলোর সৃষ্ট সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি সহ্য করা হবে না জানিয়ে দেশটি বলেছে, বৈধ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত রয়েছে। বার্ষিক এই মহড়ার বিষয়ে এটিই এ বছর পিয়ংইয়ংয়ের প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।

এর আগে, মহড়া শুরুর প্রাক্কালে উত্তর কোরিয়া নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শনের অংশ হিসেবে গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার পূর্ব সাগরের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। পিয়ংইয়ং বরাবরই মিত্র দেশগুলোর এ ধরনের যৌথ সামরিক মহড়ার কড়া সমালোচনা করে আসছে এবং একে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে থাকে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দুই দেশের মধ্যকার মহড়াকে সামনে রেখে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে উত্তর কোরিয়া।

নতুন মাত্রার হুমকির জবাবে নতুন মাত্রার প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করাই আমাদের নিরাপত্তা নীতি।

এর জবাবে তারা নিজস্ব অস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে।

জনপ্রিয়

আগামী সপ্তাহে দিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়া নিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, কড়া হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার

আপডেট : ০৪:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

আগামী সোমবার থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া তাদের বার্ষিক সামরিক মহড়া ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ (ইউএফএস) পরিচালনা করতে যাচ্ছে। এই মহড়াকে কেন্দ্র করে উত্তর কোরিয়া তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এবং একে যুদ্ধের উসকানিমূলক প্রস্তুতি হিসেবে অভিহিত করেছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে যে এবারের মহড়াটি গত পাঁচ বছরের তুলনায় ভিন্ন এবং এটি আধুনিক যুদ্ধ কৌশল আয়ত্ত করার একটি প্রয়াস। পিয়ংইয়ংয়ের মতে, এই মহড়া উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের প্রস্তুতিকে আরও জোরদার করছে। এর প্রতিক্রিয়ায় দেশটি ‘নতুন স্তরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা’ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, পিয়ংইয়ং তার রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং বহিরাগতদের বৈরী কর্মকাণ্ড ব্যর্থ করতে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। শত্রু রাষ্ট্রগুলোর সৃষ্ট সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি সহ্য করা হবে না জানিয়ে দেশটি বলেছে, বৈধ আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত রয়েছে। বার্ষিক এই মহড়ার বিষয়ে এটিই এ বছর পিয়ংইয়ংয়ের প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।

এর আগে, মহড়া শুরুর প্রাক্কালে উত্তর কোরিয়া নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শনের অংশ হিসেবে গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার পূর্ব সাগরের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। পিয়ংইয়ং বরাবরই মিত্র দেশগুলোর এ ধরনের যৌথ সামরিক মহড়ার কড়া সমালোচনা করে আসছে এবং একে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে থাকে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দুই দেশের মধ্যকার মহড়াকে সামনে রেখে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে উত্তর কোরিয়া।

নতুন মাত্রার হুমকির জবাবে নতুন মাত্রার প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করাই আমাদের নিরাপত্তা নীতি।

এর জবাবে তারা নিজস্ব অস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে।