Hi

১১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের মানুষের কল্যাণে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছি: শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুনরায় দৃঢ়কণ্ঠে উচ্চারণ করেছেন যে, তিনি তার সমগ্র জীবন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য উৎসর্গ করেছেন। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে উঠে দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই তার রাজনৈতিক জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ও অঙ্গীকার। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তার শাসনামলে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। তিনি মনে করেন, সাধারণ মানুষের সমর্থন ও ভালোবাসাই তার কাজের মূল অনুপ্রেরণা। জনগণের জন্য কাজ করতে গিয়ে তিনি নানা প্রতিকূলতা ও ষড়যন্ত্রের সম্মুখীন হয়েছেন, তবে কোনো কিছুই তাকে তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।

শেখ হাসিনা আরও উল্লেখ করেন যে, একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়াই তার মূল স্বপ্ন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পর এখন তার লক্ষ্য হলো ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই তিনি সবসময় তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করেন এবং তাদের সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখতে হবে। তার এই আত্মত্যাগের অঙ্গীকার দেশের মানুষের কাছে এক অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে দাঁড়িয়েছে। তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন যে, দেশের প্রতি তার ভালোবাসা কেবল কথার কথা নয়, বরং তা তার প্রতিটি কাজের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়।

ই জিন ক্যারল মামলা: ট্রাম্পের আপিল আবেদন খারিজ করে দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

দেশের মানুষের কল্যাণে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছি: শেখ হাসিনা

আপডেট : ১২:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুনরায় দৃঢ়কণ্ঠে উচ্চারণ করেছেন যে, তিনি তার সমগ্র জীবন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য উৎসর্গ করেছেন। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে উঠে দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই তার রাজনৈতিক জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ও অঙ্গীকার। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তার শাসনামলে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। তিনি মনে করেন, সাধারণ মানুষের সমর্থন ও ভালোবাসাই তার কাজের মূল অনুপ্রেরণা। জনগণের জন্য কাজ করতে গিয়ে তিনি নানা প্রতিকূলতা ও ষড়যন্ত্রের সম্মুখীন হয়েছেন, তবে কোনো কিছুই তাকে তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।

শেখ হাসিনা আরও উল্লেখ করেন যে, একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়াই তার মূল স্বপ্ন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পর এখন তার লক্ষ্য হলো ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই তিনি সবসময় তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করেন এবং তাদের সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখতে হবে। তার এই আত্মত্যাগের অঙ্গীকার দেশের মানুষের কাছে এক অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে দাঁড়িয়েছে। তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন যে, দেশের প্রতি তার ভালোবাসা কেবল কথার কথা নয়, বরং তা তার প্রতিটি কাজের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়।