Hi

১১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণতন্ত্রের অদম্য শক্তি বিএনপি

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আজ বুধবার নয়া পল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে বললেন, বিএনপি গণতন্ত্রের অদম্য শক্তি। গণতন্ত্রের নীতিমালা নিয়েই এই দলের জন্ম হয়েছে এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু করেছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির বলেন, দেশের প্রতিটি সঙ্কটে, যখনই গণতন্ত্র বিপন্ন হয়েছে, মানুষের কথা বলা এবং চলাচল, রাজনীতি করাকে যখন বন্ধ করেছে; তখন প্রধান সেনাপতি হিসেবে কাজ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং তার নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া। তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন গণতন্ত্রের জন্য। রোগে, শোকে, সঙ্কটে, দুঃখে, বেদনায় সমস্ত কিছু ধারণ করে তিনি গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠার জন্য তার যে অপরিসীম অবদান, সেটি নিশ্চয়ই কেউ ভুলে যায়নি। অপপ্রচার দিয়ে আপনি বিএনপির গৌরবোজ্জ্বল অবদানকে কালিমালিপ্ত করতে পারবেন না, খাটো করতে পারবেন না।

‘গণতন্ত্রের পথচলা যেটা শুরু হয়েছে, সে পথ চলা অব্যাহত থাকবে। এখন তো কোনো গুম হওয়ার কথা শোনা যায় না! এখন তো ক্রসফায়ারের কথা শোনা যায় না! চার মাস তো হয়ে গেল, মিথ্যা মামলায়, মানে রাজনৈতিক মতপ্রকাশের কারণে কাউকে তো কারাগারে বন্দি করা হয়নি মিথ্যা মামলা দিয়ে। এটাই হচ্ছে বিএনপির বৈশিষ্ট্য’-উল্লেখ করেন রিজভী।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই গণতন্ত্রের চূড়ান্ত যে আলোকময় পরিস্থিতি, পরিবেশ, সেটা তারা তৈরি করেছে। বিএনপি ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন কত অপপ্রচার করেছে! স্বয়ং ফ্যাসিবাদের প্রধান প্রতিভূ শেখ হাসিনা নিরন্তরভাবে অপপ্রচার করেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে। তাদের কাউকেও গ্রেফতার করা হয়নি, শেখ হাসিনাকেও গ্রেফতার করা হয়নি এই মিথ্যা অপপ্রচারের জন্য।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে প্রমাণ করতে পারেনি, তারা যে অপবাদগুলো দিয়েছিল আমাদের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তার মানে ওরা যে মিথ্যা কথা অনর্গল বলে যেতে পারে, সেটা নতুন করে আর তো প্রমাণ করার কোনো দরকার নেই। কেননা ফ্যাসিজমের বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে যে অপপ্রচার দিয়ে, মিথ্যাচার দিয়ে জনগণকে প্রভাবিত করা। কিন্তু শেখ হাসিনা এটা করতে ব্যর্থ হয়েছে। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে এবং গণতন্ত্রের প্রশ্নে, এখানে দলমত নির্বিশেষে যারা গণতন্ত্রবিরোধী ফ্যাসিস্ট আছে, তারা ছাড়া সবাই ঐক্যবদ্ধ, জনগণ ঐক্যবদ্ধ’-যোগ করেন তিনি।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ খন্দকার আইটি

গণতন্ত্রের অদম্য শক্তি বিএনপি

আপডেট : ১১:১৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আজ বুধবার নয়া পল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে বললেন, বিএনপি গণতন্ত্রের অদম্য শক্তি। গণতন্ত্রের নীতিমালা নিয়েই এই দলের জন্ম হয়েছে এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু করেছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির বলেন, দেশের প্রতিটি সঙ্কটে, যখনই গণতন্ত্র বিপন্ন হয়েছে, মানুষের কথা বলা এবং চলাচল, রাজনীতি করাকে যখন বন্ধ করেছে; তখন প্রধান সেনাপতি হিসেবে কাজ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং তার নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া। তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন গণতন্ত্রের জন্য। রোগে, শোকে, সঙ্কটে, দুঃখে, বেদনায় সমস্ত কিছু ধারণ করে তিনি গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠার জন্য তার যে অপরিসীম অবদান, সেটি নিশ্চয়ই কেউ ভুলে যায়নি। অপপ্রচার দিয়ে আপনি বিএনপির গৌরবোজ্জ্বল অবদানকে কালিমালিপ্ত করতে পারবেন না, খাটো করতে পারবেন না।

‘গণতন্ত্রের পথচলা যেটা শুরু হয়েছে, সে পথ চলা অব্যাহত থাকবে। এখন তো কোনো গুম হওয়ার কথা শোনা যায় না! এখন তো ক্রসফায়ারের কথা শোনা যায় না! চার মাস তো হয়ে গেল, মিথ্যা মামলায়, মানে রাজনৈতিক মতপ্রকাশের কারণে কাউকে তো কারাগারে বন্দি করা হয়নি মিথ্যা মামলা দিয়ে। এটাই হচ্ছে বিএনপির বৈশিষ্ট্য’-উল্লেখ করেন রিজভী।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই গণতন্ত্রের চূড়ান্ত যে আলোকময় পরিস্থিতি, পরিবেশ, সেটা তারা তৈরি করেছে। বিএনপি ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন কত অপপ্রচার করেছে! স্বয়ং ফ্যাসিবাদের প্রধান প্রতিভূ শেখ হাসিনা নিরন্তরভাবে অপপ্রচার করেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে। তাদের কাউকেও গ্রেফতার করা হয়নি, শেখ হাসিনাকেও গ্রেফতার করা হয়নি এই মিথ্যা অপপ্রচারের জন্য।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে প্রমাণ করতে পারেনি, তারা যে অপবাদগুলো দিয়েছিল আমাদের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তার মানে ওরা যে মিথ্যা কথা অনর্গল বলে যেতে পারে, সেটা নতুন করে আর তো প্রমাণ করার কোনো দরকার নেই। কেননা ফ্যাসিজমের বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে যে অপপ্রচার দিয়ে, মিথ্যাচার দিয়ে জনগণকে প্রভাবিত করা। কিন্তু শেখ হাসিনা এটা করতে ব্যর্থ হয়েছে। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে এবং গণতন্ত্রের প্রশ্নে, এখানে দলমত নির্বিশেষে যারা গণতন্ত্রবিরোধী ফ্যাসিস্ট আছে, তারা ছাড়া সবাই ঐক্যবদ্ধ, জনগণ ঐক্যবদ্ধ’-যোগ করেন তিনি।