Hi

০৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাকে বেঁধে প্রতিবন্ধী মেয়েকে

লক্ষ্ণীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় মাকে বেঁধে রেখে তার প্রতিবন্ধী মেয়েকে (২৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৪ নম্বর ইছাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুল বাশার লিমন (২৭)-এর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের নয়নপুর গ্রামে গত ২৫ ডিসেম্বর দিবাগত গভীর রাতে। পুলিশ জানান, ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। রাতেই এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা (মোহাম্মদ শাহজাহান ) বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিমের বাবা ঢাকা কাওরান বাজারে কাঁচামালের ব্যবসা করেন। তিনি কর্মসূত্রে ঢাকায় অবস্থান করায় বাড়িতে স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলে বসবাস করতেন। ভিকটিম একজন বাকপ্রতিবন্ধী এবং তালাকপ্রাপ্ত হয়ে প্রায় দুই বছর ধরে মায়ের সঙ্গে বাবার বাড়িতে থাকছেন।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত মনিরুল বাশার লিমন একই গ্রামের বাসিন্দা এবং পূর্ব থেকেই ভিকটিমকে আকার-ইঙ্গিতে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। ঘটনার রাতে বাড়ির পুরুষ সদস্যরা অনুপস্থিত থাকার সুযোগে ঘরের ভেন্টিলেটর ভেঙে মনিরুল ও তার সঙ্গে থাকা এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে। ছুরি দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ভিকটিম ও তার মাকে ওড়না দিয়ে বেঁধে ফেলে এবং মায়ের সামনেই ভিকটিমকে ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল জলিল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। অভিযুক্ত আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আলমগীর জানান, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয়

শ্রমিক অসন্তোষ: সাভার-আশুলিয়ায় ১৭৭ কারখানা ছুটি ঘোষণা

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

মাকে বেঁধে প্রতিবন্ধী মেয়েকে

আপডেট : ১১:২২:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

লক্ষ্ণীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় মাকে বেঁধে রেখে তার প্রতিবন্ধী মেয়েকে (২৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৪ নম্বর ইছাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মনিরুল বাশার লিমন (২৭)-এর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের নয়নপুর গ্রামে গত ২৫ ডিসেম্বর দিবাগত গভীর রাতে। পুলিশ জানান, ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। রাতেই এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা (মোহাম্মদ শাহজাহান ) বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিমের বাবা ঢাকা কাওরান বাজারে কাঁচামালের ব্যবসা করেন। তিনি কর্মসূত্রে ঢাকায় অবস্থান করায় বাড়িতে স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলে বসবাস করতেন। ভিকটিম একজন বাকপ্রতিবন্ধী এবং তালাকপ্রাপ্ত হয়ে প্রায় দুই বছর ধরে মায়ের সঙ্গে বাবার বাড়িতে থাকছেন।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত মনিরুল বাশার লিমন একই গ্রামের বাসিন্দা এবং পূর্ব থেকেই ভিকটিমকে আকার-ইঙ্গিতে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। ঘটনার রাতে বাড়ির পুরুষ সদস্যরা অনুপস্থিত থাকার সুযোগে ঘরের ভেন্টিলেটর ভেঙে মনিরুল ও তার সঙ্গে থাকা এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে। ছুরি দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ভিকটিম ও তার মাকে ওড়না দিয়ে বেঁধে ফেলে এবং মায়ের সামনেই ভিকটিমকে ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল জলিল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। অভিযুক্ত আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আলমগীর জানান, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।