Hi

১১:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হলিউডে ঐশ্বরিয়ার সাফল্য নিয়ে অমিতাভের সন্দেহ

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৩:৫৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৮৬ জন দেখেছে

বলিউডের সীমা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের পরিচিতি গড়ে তুলেছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। সৌন্দর্য, প্রতিভা আর অভিনয়গুণে তিনি বহুবার প্রশংসিত হয়েছেন। ২০০৪ সালে জেন অস্টেনের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘ব্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’ দিয়ে তার হলিউড অভিষেক হয়, যা সে সময় বলিউডের ভেতরে-বাইরে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

তবে তার হলিউড যাত্রা নিয়ে মতভেদ ছিল প্রবল। করণ জোহরের অনুষ্ঠান ‘কফি উইথ করণ’-এ ২০০৪ সালে যখন ঐশ্বরিয়া হলিউডে সফল হবেন কি না, এই প্রশ্ন ওঠে— অমিতাভ বচ্চন তখন বলেন, ‘সে নির্দিষ্ট একটা জায়গা পর্যন্ত পৌঁছাবে, কিন্তু তার পর একটা কাচের দেওয়াল থাকবে।’

অভিষেক বচ্চন যদিও তার প্রশংসা করে বলেছিলেন, ঐশ্বরিয়া একজন প্রতিভাবান ও দারুণ সহশিল্পী। জায়েদ খান মনে করেছিলেন, তার সর্বজনীন আকর্ষণ আছে। একতা কাপুর আশা প্রকাশ করেছিলেন, তিনি সফল হবেন, কারণ তার প্রথম কাজও ছিল ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে।

শাবানা আজমির মতে, ঐশ্বরিয়ার মধ্যে সব যোগ্যতা আছে, তবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাকেই— হলিউডে লড়াই চালিয়ে যাবেন, নাকি বলিউডেই নিজেকে বেশি নিরাপদ ভাবেন। সুস্মিতা সেন তখন মন্তব্য করেছিলেন, ঐশ্বরিয়াকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে যেন তিনি বলিউডকে হলিউডে নিয়ে যাচ্ছেন— আর তিনি চান সেটা সত্যি হোক।

বিপাশা বসুর মন্তব্য ছিল, ঐশ্বরিয়া ইতিমধ্যেই এক ধাপ এগিয়েছেন, যা প্রশংসনীয়। তবে সঞ্জয় দত্ত খানিকটা সংশয় প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘আমি চাই সে সফল হোক, কিন্তু আমার মনে হয় না।’

‘ব্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’-এর পর তিনি অভিনয় করেন ‘দ্য মিস্ট্রেস অফ স্পাইসেস’, ‘প্রোভোকড’ এবং স্টিভ মার্টিনের সঙ্গে ‘দ্য পিঙ্ক প্যান্থার ২’-এ। যদিও হলিউডে তার সময়কাল ছিল সংক্ষিপ্ত, তবু কান চলচ্চিত্র উৎসবের রেড কার্পেটে ঐশ্বরিয়ার উপস্থিতি আজও বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্র। প্রতি বছর তার নতুন লুক দেখার অপেক্ষায় থাকেন ভক্তরা।

জনপ্রিয়

নিজে গাড়ি চালিয়ে ঢাকার উন্নয়নে মাঠে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, কঠোর নির্দেশ

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

হলিউডে ঐশ্বরিয়ার সাফল্য নিয়ে অমিতাভের সন্দেহ

আপডেট : ০৩:৫৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বলিউডের সীমা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের পরিচিতি গড়ে তুলেছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। সৌন্দর্য, প্রতিভা আর অভিনয়গুণে তিনি বহুবার প্রশংসিত হয়েছেন। ২০০৪ সালে জেন অস্টেনের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘ব্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’ দিয়ে তার হলিউড অভিষেক হয়, যা সে সময় বলিউডের ভেতরে-বাইরে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

তবে তার হলিউড যাত্রা নিয়ে মতভেদ ছিল প্রবল। করণ জোহরের অনুষ্ঠান ‘কফি উইথ করণ’-এ ২০০৪ সালে যখন ঐশ্বরিয়া হলিউডে সফল হবেন কি না, এই প্রশ্ন ওঠে— অমিতাভ বচ্চন তখন বলেন, ‘সে নির্দিষ্ট একটা জায়গা পর্যন্ত পৌঁছাবে, কিন্তু তার পর একটা কাচের দেওয়াল থাকবে।’

অভিষেক বচ্চন যদিও তার প্রশংসা করে বলেছিলেন, ঐশ্বরিয়া একজন প্রতিভাবান ও দারুণ সহশিল্পী। জায়েদ খান মনে করেছিলেন, তার সর্বজনীন আকর্ষণ আছে। একতা কাপুর আশা প্রকাশ করেছিলেন, তিনি সফল হবেন, কারণ তার প্রথম কাজও ছিল ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে।

শাবানা আজমির মতে, ঐশ্বরিয়ার মধ্যে সব যোগ্যতা আছে, তবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাকেই— হলিউডে লড়াই চালিয়ে যাবেন, নাকি বলিউডেই নিজেকে বেশি নিরাপদ ভাবেন। সুস্মিতা সেন তখন মন্তব্য করেছিলেন, ঐশ্বরিয়াকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে যেন তিনি বলিউডকে হলিউডে নিয়ে যাচ্ছেন— আর তিনি চান সেটা সত্যি হোক।

বিপাশা বসুর মন্তব্য ছিল, ঐশ্বরিয়া ইতিমধ্যেই এক ধাপ এগিয়েছেন, যা প্রশংসনীয়। তবে সঞ্জয় দত্ত খানিকটা সংশয় প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘আমি চাই সে সফল হোক, কিন্তু আমার মনে হয় না।’

‘ব্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’-এর পর তিনি অভিনয় করেন ‘দ্য মিস্ট্রেস অফ স্পাইসেস’, ‘প্রোভোকড’ এবং স্টিভ মার্টিনের সঙ্গে ‘দ্য পিঙ্ক প্যান্থার ২’-এ। যদিও হলিউডে তার সময়কাল ছিল সংক্ষিপ্ত, তবু কান চলচ্চিত্র উৎসবের রেড কার্পেটে ঐশ্বরিয়ার উপস্থিতি আজও বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্র। প্রতি বছর তার নতুন লুক দেখার অপেক্ষায় থাকেন ভক্তরা।