Hi

০৩:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীর বাজারে ফের আগুন: চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শাকসবজি, মাছ ও মুরগি

রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে নিত্যপণ্যের দামে আবারও অস্বস্তি শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে বেশ কিছুদিন ধরে চাল, ডাল ও তেলের পাশাপাশি এবার শাকসবজি, মাছ এবং মুরগির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজির কেজি এখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও খুচরা বাজারে কৃত্রিম সংকট কিংবা পরিবহন খরচের অজুহাতে পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। বিশেষ করে করলা, পটল, ঢেঁড়শ, বরবটি থেকে শুরু করে প্রতি কেজি সবজি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, আয়ের সাথে ব্যয়ের সামঞ্জস্য রক্ষা করা দিন দিন অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

মাছের বাজারেও একই চিত্র বিরাজ করছে। রুই, কাতলা, তেলাপিয়া ও পাঙ্গাসসহ সব ধরনের চাষের ও দেশি মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের আমিষের চাহিদা মেটানোর প্রধান উৎস এই মাছগুলোর দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা বিপাকে পড়েছেন। এছাড়া ব্রয়লার মুরগি এবং সোনালী মুরগির দামও কেজিতে বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় খুচরা পর্যায়ে এর প্রভাব পড়েছে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজার মনিটরিং বা তদারকি জোরালো না থাকায় ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন।

অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মুদ্রাস্ফীতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারণে নিত্যপণ্যের বাজারে এই অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর মনিটরিং এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। একই সাথে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে পাইকারি ও খুচরা বাজারের ব্যবধান কমিয়ে আনার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

বান্দরবানের রুমা পাহাড়ি সড়কে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: খাদ থেকে দুই পর্যটকের লাশ উদ্ধার

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

রাজধানীর বাজারে ফের আগুন: চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শাকসবজি, মাছ ও মুরগি

আপডেট : ০১:৩১:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে নিত্যপণ্যের দামে আবারও অস্বস্তি শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে বেশ কিছুদিন ধরে চাল, ডাল ও তেলের পাশাপাশি এবার শাকসবজি, মাছ এবং মুরগির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজির কেজি এখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও খুচরা বাজারে কৃত্রিম সংকট কিংবা পরিবহন খরচের অজুহাতে পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। বিশেষ করে করলা, পটল, ঢেঁড়শ, বরবটি থেকে শুরু করে প্রতি কেজি সবজি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, আয়ের সাথে ব্যয়ের সামঞ্জস্য রক্ষা করা দিন দিন অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

মাছের বাজারেও একই চিত্র বিরাজ করছে। রুই, কাতলা, তেলাপিয়া ও পাঙ্গাসসহ সব ধরনের চাষের ও দেশি মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের আমিষের চাহিদা মেটানোর প্রধান উৎস এই মাছগুলোর দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা বিপাকে পড়েছেন। এছাড়া ব্রয়লার মুরগি এবং সোনালী মুরগির দামও কেজিতে বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় খুচরা পর্যায়ে এর প্রভাব পড়েছে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজার মনিটরিং বা তদারকি জোরালো না থাকায় ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন।

অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মুদ্রাস্ফীতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারণে নিত্যপণ্যের বাজারে এই অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর মনিটরিং এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। একই সাথে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে পাইকারি ও খুচরা বাজারের ব্যবধান কমিয়ে আনার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।