Hi

১২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজে গাড়ি চালিয়ে ঢাকার উন্নয়নে মাঠে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, কঠোর নির্দেশ

রাজধানীর নাগরিক সেবার মান নিশ্চিত করতে এবং সামগ্রিক নগর ব্যবস্থাপনার চিত্র স্বচক্ষে দেখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে তিনি নিজেই গাড়ির স্টিয়ারিং হাতে নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট পরিদর্শন করেন। নগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং সবুজায়নের বর্তমান অবস্থা যাচাই করাই ছিল এই বিশেষ সফরের মূল উদ্দেশ্য।

সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলামকে জরুরি তলব করেন। তাঁদের সঙ্গে নিয়ে বিকেল ৪টার দিকে তিনি পরিদর্শনে বেরিয়ে পড়েন। প্রধানমন্ত্রীর এই দীর্ঘ পরিদর্শনের তালিকায় ছিল ইসিবি চত্বর, মিরপুর ডিওএইচএস, দিয়াবাড়ি, উত্তরা সেক্টর ৪-৬, এয়ারপোর্ট সড়ক, মহাখালী, ফার্মগেট, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসহ বিস্তীর্ণ এলাকা। এছাড়া মোহাম্মদপুরের সলিমুল্লাহ রোড, তাজমহল রোড ও জাপান গার্ডেন সিটির মতো জনবহুল এলাকায় ঘুরে তিনি স্থানীয়দের জীবনযাত্রার মানও পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নগর ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ত্রুটি-বিচ্যুতি নিজের চোখে পর্যবেক্ষণ করেন। বিশেষ করে বর্জ্য অপসারণ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় গাফিলতি দেখে তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন যেন কোনো বিলম্ব না করে দ্রুত কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। রাজধানী ঢাকাকে একটি আধুনিক ও বসবাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এই পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিশেষ সম্পাদক মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন মৃধা, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মেহেদুল ইসলাম এবং সহকারী একান্ত সচিব-২ আব্দুর রহমান সানী। সন্ধ্যা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসভবনে ফিরে আসেন। নগরবাসীর প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সরাসরি হস্তক্ষেপের ফলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সেবার মান বৃদ্ধি পাবে এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে। নগর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাষ্ট্রপ্রধানের এমন সরেজমিন পরিদর্শন প্রশাসনিক কার্যক্রমে দায়বদ্ধতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

জনপ্রিয়

গ্ল্যামার জগতের আড়ালে এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা: দারিদ্র্যের তাড়নায় নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় করেছিলেন কিম সে-ইন

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

নিজে গাড়ি চালিয়ে ঢাকার উন্নয়নে মাঠে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, কঠোর নির্দেশ

আপডেট : ১০:২২:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর নাগরিক সেবার মান নিশ্চিত করতে এবং সামগ্রিক নগর ব্যবস্থাপনার চিত্র স্বচক্ষে দেখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে তিনি নিজেই গাড়ির স্টিয়ারিং হাতে নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট পরিদর্শন করেন। নগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং সবুজায়নের বর্তমান অবস্থা যাচাই করাই ছিল এই বিশেষ সফরের মূল উদ্দেশ্য।

সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলামকে জরুরি তলব করেন। তাঁদের সঙ্গে নিয়ে বিকেল ৪টার দিকে তিনি পরিদর্শনে বেরিয়ে পড়েন। প্রধানমন্ত্রীর এই দীর্ঘ পরিদর্শনের তালিকায় ছিল ইসিবি চত্বর, মিরপুর ডিওএইচএস, দিয়াবাড়ি, উত্তরা সেক্টর ৪-৬, এয়ারপোর্ট সড়ক, মহাখালী, ফার্মগেট, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসহ বিস্তীর্ণ এলাকা। এছাড়া মোহাম্মদপুরের সলিমুল্লাহ রোড, তাজমহল রোড ও জাপান গার্ডেন সিটির মতো জনবহুল এলাকায় ঘুরে তিনি স্থানীয়দের জীবনযাত্রার মানও পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নগর ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ত্রুটি-বিচ্যুতি নিজের চোখে পর্যবেক্ষণ করেন। বিশেষ করে বর্জ্য অপসারণ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় গাফিলতি দেখে তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন যেন কোনো বিলম্ব না করে দ্রুত কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। রাজধানী ঢাকাকে একটি আধুনিক ও বসবাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এই পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিশেষ সম্পাদক মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন মৃধা, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মেহেদুল ইসলাম এবং সহকারী একান্ত সচিব-২ আব্দুর রহমান সানী। সন্ধ্যা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসভবনে ফিরে আসেন। নগরবাসীর প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সরাসরি হস্তক্ষেপের ফলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সেবার মান বৃদ্ধি পাবে এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে। নগর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাষ্ট্রপ্রধানের এমন সরেজমিন পরিদর্শন প্রশাসনিক কার্যক্রমে দায়বদ্ধতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।