Hi

০৫:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্টমার্টিন

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটন মৌসুম শুরু হওয়ায় দ্বীপটিতে ভ্রমণে বিধিনিষেধ শিথিল করা হচ্ছে। গত রোববার পর্যটন গমন বিষয়ক এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রোববার (২৫ অক্টোবর) পর্যটন গমন বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। পর্যটকদের সুবিধার্থে রাখা হচ্ছে নানা ধরনের প্রস্তুতি।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিনে ভ্রমণ করতে পারবেন, যা আগে ২ হাজার পর্যটকের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। এছাড়া দ্বীপে রাত্রিযাপনের ওপর আগের নিষেধাজ্ঞাটিও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের অক্টোবরে সেন্টমার্টিনের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভ্রমণে ১২টি কঠোর নির্দেশনা জারি করেছিল। স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের মতে, ওই বিধিনিষেধের ফলে গত এক বছরে দ্বীপটির পর্যটন অর্থনীতি চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া জীবিকার সংকটে পড়ে কিছু বাসিন্দা গাছ কাটা ও অবাধে মাছ ধরার মতো পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। এসব কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা বিধিনিষেধ বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বর্তমান সরকার বিষয়টি বিবেচনায় নিলেও, পরিবেশ রক্ষার খাতিরে আগের জারি করা কিছু যৌক্তিক নিয়ম বহাল রাখার আভাস দিয়েছে। যে কারণে, সেখানকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা দ্রুতই বর্তমান সরকারের কাছে এ বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। দ্বীপটির বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিরা জানান, ওই বিধি-নিষেধের ফলে দ্বীপটিতে গত এক বছরে পর্যটন ব্যবসায় যেমন নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, আবার জীবিকার জন্য গাছ কেটে ফেলা বা অবাধে মাছ ধরার মতো বিরূপ তৎপরতাও দেখা গেছে কিছু বাসিন্দার মধ। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এখনই অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যে সব বিধি-নিষেধ জারি করা হয়েছিল তার মধ্যে যেগুলো যৌক্তিক সেগুলো বহাল রাখা হতে পারে।

৫ নভেম্বর নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্টমার্টিন

আপডেট : ০৪:৪৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটন মৌসুম শুরু হওয়ায় দ্বীপটিতে ভ্রমণে বিধিনিষেধ শিথিল করা হচ্ছে। গত রোববার পর্যটন গমন বিষয়ক এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রোববার (২৫ অক্টোবর) পর্যটন গমন বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। পর্যটকদের সুবিধার্থে রাখা হচ্ছে নানা ধরনের প্রস্তুতি।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিনে ভ্রমণ করতে পারবেন, যা আগে ২ হাজার পর্যটকের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। এছাড়া দ্বীপে রাত্রিযাপনের ওপর আগের নিষেধাজ্ঞাটিও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের অক্টোবরে সেন্টমার্টিনের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভ্রমণে ১২টি কঠোর নির্দেশনা জারি করেছিল। স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের মতে, ওই বিধিনিষেধের ফলে গত এক বছরে দ্বীপটির পর্যটন অর্থনীতি চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া জীবিকার সংকটে পড়ে কিছু বাসিন্দা গাছ কাটা ও অবাধে মাছ ধরার মতো পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। এসব কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা বিধিনিষেধ বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বর্তমান সরকার বিষয়টি বিবেচনায় নিলেও, পরিবেশ রক্ষার খাতিরে আগের জারি করা কিছু যৌক্তিক নিয়ম বহাল রাখার আভাস দিয়েছে। যে কারণে, সেখানকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা দ্রুতই বর্তমান সরকারের কাছে এ বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। দ্বীপটির বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিরা জানান, ওই বিধি-নিষেধের ফলে দ্বীপটিতে গত এক বছরে পর্যটন ব্যবসায় যেমন নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, আবার জীবিকার জন্য গাছ কেটে ফেলা বা অবাধে মাছ ধরার মতো বিরূপ তৎপরতাও দেখা গেছে কিছু বাসিন্দার মধ। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এখনই অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যে সব বিধি-নিষেধ জারি করা হয়েছিল তার মধ্যে যেগুলো যৌক্তিক সেগুলো বহাল রাখা হতে পারে।