Hi

০২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই মাসে ১ হাজার নতুন খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১০:০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৫ জন দেখেছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে শিশু-কিশোর ও তরুণদের জন্য একটি ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ গড়ে ওঠে। এই মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী দুই মাসের মধ্যে সারাদেশে কমপক্ষে ১ হাজার খেলার মাঠ প্রস্তুত করার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আয়োজিত এক বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ জানান, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রতি দুই থেকে তিনটি ওয়ার্ডের জন্য অন্তত একটি করে মাঠ নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন সরকার প্রধান। এর অংশ হিসেবে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৪০টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৯০টি মাঠ খেলার উপযোগী করা হবে।

নির্বাচনি ইশতেহারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ২৭টি জেলায় খেলার মাঠের জন্য ৪০৩টি খাসজমি চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিটি মাঠের আয়তন সর্বনিম্ন তিন থেকে আট বিঘা পর্যন্ত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। মাঠগুলোর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতিটি উপজেলায় একজন করে ক্রীড়া কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে।

ইউনিয়ন পর্যায়ে ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল ও ব্যাডমিন্টনসহ ১০টি ক্রীড়া ইভেন্টে প্রায় ১৪ লাখ কিশোর-কিশোরীকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী খুলনা থেকে এই বিশাল ক্রীড়া কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে বিদ্যমান উপজেলা স্টেডিয়ামগুলোকে সচল করা, দখল হওয়া মাঠ উদ্ধার এবং প্রতিটি বিদ্যালয়ে ক্রীড়া ক্লাব কার্যক্রম চালুর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং মাঠগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে একটি সুস্থ ও ক্রীড়াবান্ধব প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।

জনপ্রিয়

রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, অস্বস্তিতে ক্রেতারা

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

দুই মাসে ১ হাজার নতুন খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ

আপডেট : ১০:০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে শিশু-কিশোর ও তরুণদের জন্য একটি ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ গড়ে ওঠে। এই মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী দুই মাসের মধ্যে সারাদেশে কমপক্ষে ১ হাজার খেলার মাঠ প্রস্তুত করার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আয়োজিত এক বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ জানান, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রতি দুই থেকে তিনটি ওয়ার্ডের জন্য অন্তত একটি করে মাঠ নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন সরকার প্রধান। এর অংশ হিসেবে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৪০টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৯০টি মাঠ খেলার উপযোগী করা হবে।

নির্বাচনি ইশতেহারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ২৭টি জেলায় খেলার মাঠের জন্য ৪০৩টি খাসজমি চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিটি মাঠের আয়তন সর্বনিম্ন তিন থেকে আট বিঘা পর্যন্ত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। মাঠগুলোর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতিটি উপজেলায় একজন করে ক্রীড়া কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে।

ইউনিয়ন পর্যায়ে ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল ও ব্যাডমিন্টনসহ ১০টি ক্রীড়া ইভেন্টে প্রায় ১৪ লাখ কিশোর-কিশোরীকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী খুলনা থেকে এই বিশাল ক্রীড়া কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে বিদ্যমান উপজেলা স্টেডিয়ামগুলোকে সচল করা, দখল হওয়া মাঠ উদ্ধার এবং প্রতিটি বিদ্যালয়ে ক্রীড়া ক্লাব কার্যক্রম চালুর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং মাঠগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে একটি সুস্থ ও ক্রীড়াবান্ধব প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।