Hi

০২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাইক্রোসফটসহ ৮ প্রতিষ্ঠানের গ্রিন কার্ড আবেদন স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১১:৫৭:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৩ জন দেখেছে

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন মাইক্রোসফট ও অ্যাডোবিসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি তথ্যপ্রযুক্তি ও আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের গ্রিন কার্ড আবেদন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্থানীয় কর্মীদের চাকরির সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ভিসা প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি বন্ধের লক্ষ্যে এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। মার্কিন শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং ঘোষণা দিয়েছেন যে, এখন থেকে নতুন কিংবা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন কোনো স্থায়ী লেবার সার্টিফিকেশন বা পিইআরএম আবেদন আর গ্রহণ করা হবে না। এই তালিকায় থাকা অন্য বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে কগনিজেন্ট, ইনফোসিস, টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস), উইপ্রো, এইচসিএল টেকনোলজিস এবং ক্যাপজেমিনি। অভিবাসন তথ্যানুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছরে এইচ-ওয়ানবি ভিসার জন্য সবচেয়ে বেশি আবেদন করা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ছিল আমাজন, টিসিএস, ইনফোসিস, অ্যাপল ও মাইক্রোসফট।

হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই পদক্ষেপের পক্ষে সাফাই গেয়ে মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, গত বছর প্রতিষ্ঠানটি ৬ হাজার আমেরিকান কর্মীকে ছাঁটাই করার বিপরীতে ৬ হাজার ৩০০ এইচ-ওয়ানবি ভিসা এবং প্রায় ৩ হাজার কর্মীর গ্রিন কার্ড সুবিধা নিয়েছে। ভ্যান্সের মতে, এই ব্যবস্থার সবচেয়ে বেশি অপব্যবহার করেছে মাইক্রোসফট। এই অভিযোগের জবাবে মাইক্রোসফট দাবি করেছে, তাদের এইচ-ওয়ানবি আবেদনের ৮০ শতাংশই ছিল বিদ্যমান কর্মীদের মেয়াদ বৃদ্ধি বা স্ট্যাটাস পরিবর্তনের জন্য। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্যমতে, তারা স্থানীয় ও বিদেশি সব কর্মীকে সমান পারিশ্রমিক প্রদান করে থাকে।

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপরও কঠোর নজরদারি শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এক্সচেঞ্জ-ভিজিটর ভিসার অপব্যবহারের অভিযোগে হার্ভার্ড, ইয়েল, স্ট্যানফোর্ড, ব্রাউন ও এমআইটিসহ শীর্ষ ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত চালানো হচ্ছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও গবেষক কমে গেলে মার্কিন অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষাবিদরা। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য প্রকাশ করেছে। এদিকে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপরও তদন্তের খড়গ নামিয়ে এনেছে প্রশাসন।

জনপ্রিয়

রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, অস্বস্তিতে ক্রেতারা

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

মাইক্রোসফটসহ ৮ প্রতিষ্ঠানের গ্রিন কার্ড আবেদন স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ১১:৫৭:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন মাইক্রোসফট ও অ্যাডোবিসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি তথ্যপ্রযুক্তি ও আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের গ্রিন কার্ড আবেদন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্থানীয় কর্মীদের চাকরির সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ভিসা প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি বন্ধের লক্ষ্যে এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। মার্কিন শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং ঘোষণা দিয়েছেন যে, এখন থেকে নতুন কিংবা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন কোনো স্থায়ী লেবার সার্টিফিকেশন বা পিইআরএম আবেদন আর গ্রহণ করা হবে না। এই তালিকায় থাকা অন্য বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে কগনিজেন্ট, ইনফোসিস, টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস), উইপ্রো, এইচসিএল টেকনোলজিস এবং ক্যাপজেমিনি। অভিবাসন তথ্যানুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছরে এইচ-ওয়ানবি ভিসার জন্য সবচেয়ে বেশি আবেদন করা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ছিল আমাজন, টিসিএস, ইনফোসিস, অ্যাপল ও মাইক্রোসফট।

হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই পদক্ষেপের পক্ষে সাফাই গেয়ে মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, গত বছর প্রতিষ্ঠানটি ৬ হাজার আমেরিকান কর্মীকে ছাঁটাই করার বিপরীতে ৬ হাজার ৩০০ এইচ-ওয়ানবি ভিসা এবং প্রায় ৩ হাজার কর্মীর গ্রিন কার্ড সুবিধা নিয়েছে। ভ্যান্সের মতে, এই ব্যবস্থার সবচেয়ে বেশি অপব্যবহার করেছে মাইক্রোসফট। এই অভিযোগের জবাবে মাইক্রোসফট দাবি করেছে, তাদের এইচ-ওয়ানবি আবেদনের ৮০ শতাংশই ছিল বিদ্যমান কর্মীদের মেয়াদ বৃদ্ধি বা স্ট্যাটাস পরিবর্তনের জন্য। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্যমতে, তারা স্থানীয় ও বিদেশি সব কর্মীকে সমান পারিশ্রমিক প্রদান করে থাকে।

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপরও কঠোর নজরদারি শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এক্সচেঞ্জ-ভিজিটর ভিসার অপব্যবহারের অভিযোগে হার্ভার্ড, ইয়েল, স্ট্যানফোর্ড, ব্রাউন ও এমআইটিসহ শীর্ষ ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত চালানো হচ্ছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও গবেষক কমে গেলে মার্কিন অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষাবিদরা। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য প্রকাশ করেছে। এদিকে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপরও তদন্তের খড়গ নামিয়ে এনেছে প্রশাসন।