Hi

১২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের বাসভবনে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় এক সদস্যের মৃত্যু

গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের সরকারি বাসভবনের ব্যারাক থেকে হাবিবুর রহমান (নায়েক ৬০৫) নামের এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে। নিহত হাবিবুরের বয়স ৩৩ বছর এবং তার বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার সরদার পাড়ায়। তিনি মন্টু মিয়ার ছেলে এবং তার ৫ থেকে ৭ বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। ঘটনার বিষয়টি বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ আগস্ট ঢাকা থেকে বদলি হয়ে হাবিবুর রহমান গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাংলোর নিরাপত্তা রক্ষায় যোগ দেন। বুধবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ব্যারাকের ওয়াশরুমের দরজা দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকায় সহকর্মীদের সন্দেহ হয়। গার্ড কমান্ডার সোহেল মিয়া তাকে বারবার ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া পাননি। পরে অন্যদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে হাবিবুরকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। গলায় গামছা পেঁচিয়ে তিনি ভবনের রডের সঙ্গে ঝুলে ছিলেন। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির হোসেনের উপস্থিতিতে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল জানান, সহকর্মীদের ভাষ্যমতে, ঘটনার সময় হাবিবুর মোবাইল ফোনে তার স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলছিলেন এবং একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। ভিডিও কলে থাকা অবস্থাতেই তিনি ওয়াশরুমে গিয়ে এই পথ বেছে নেন। ওসি আরও জানান, নিহত হাবিবুর সেদিন রোজা ছিলেন এবং তার পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাবিবুরের মানসিক অস্থিরতা দেখে তার স্ত্রী বা স্বজনরা ৯৯৯ নম্বরে কল করে সহায়তা চাইতে পারতেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মুত্তাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জের ধরেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের বাসভবনের এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং বিষয়টি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এদিন বিকেল মাড়ে ৩ টার দিকে পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের শহরের সরকারি বাসভবনের ব্যারাক থেকে ওই পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পুলিশ সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে গত ১২ আগস্ট গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাংলোতে গার্ডে যোগদান করেন হাবিবুর রহমান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেখান আরো কয়েকজন পুলিশ সদস্য দায়িত্বপালন করেন।

জনপ্রিয়

পুলিশে দলীয় নিয়োগের তদন্ত শেষ পর্যায়ে, সংসদে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের বাসভবনে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় এক সদস্যের মৃত্যু

আপডেট : ০৯:১৩:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের সরকারি বাসভবনের ব্যারাক থেকে হাবিবুর রহমান (নায়েক ৬০৫) নামের এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে। নিহত হাবিবুরের বয়স ৩৩ বছর এবং তার বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার সরদার পাড়ায়। তিনি মন্টু মিয়ার ছেলে এবং তার ৫ থেকে ৭ বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। ঘটনার বিষয়টি বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ আগস্ট ঢাকা থেকে বদলি হয়ে হাবিবুর রহমান গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাংলোর নিরাপত্তা রক্ষায় যোগ দেন। বুধবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ব্যারাকের ওয়াশরুমের দরজা দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকায় সহকর্মীদের সন্দেহ হয়। গার্ড কমান্ডার সোহেল মিয়া তাকে বারবার ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া পাননি। পরে অন্যদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে হাবিবুরকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। গলায় গামছা পেঁচিয়ে তিনি ভবনের রডের সঙ্গে ঝুলে ছিলেন। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির হোসেনের উপস্থিতিতে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল জানান, সহকর্মীদের ভাষ্যমতে, ঘটনার সময় হাবিবুর মোবাইল ফোনে তার স্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলছিলেন এবং একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। ভিডিও কলে থাকা অবস্থাতেই তিনি ওয়াশরুমে গিয়ে এই পথ বেছে নেন। ওসি আরও জানান, নিহত হাবিবুর সেদিন রোজা ছিলেন এবং তার পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাবিবুরের মানসিক অস্থিরতা দেখে তার স্ত্রী বা স্বজনরা ৯৯৯ নম্বরে কল করে সহায়তা চাইতে পারতেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মুত্তাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জের ধরেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের বাসভবনের এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং বিষয়টি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এদিন বিকেল মাড়ে ৩ টার দিকে পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের শহরের সরকারি বাসভবনের ব্যারাক থেকে ওই পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পুলিশ সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে গত ১২ আগস্ট গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাংলোতে গার্ডে যোগদান করেন হাবিবুর রহমান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেখান আরো কয়েকজন পুলিশ সদস্য দায়িত্বপালন করেন।