Hi

০৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আচরণে ক্ষুব্ধ বিরোধীদলীয় নেতা, চাইলেন দুঃখপ্রকাশের আহ্বান

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৬:৩০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪ জন দেখেছে

জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের তৃতীয় দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে তিনি অভিযোগ করেন যে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শুরু থেকেই সংসদ সদস্যদের প্রতি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে কথা বলছেন। ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট ভাষায় বলেন, তিনি এখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্র হতে আসেননি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি শিক্ষকতা করতে চান, তবে তিনি নতুন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে পারেন, যেখানে তার অনুসারীরা গিয়ে ভর্তি হতে পারবে।

বিরোধীদলীয় নেতা আরও অভিযোগ করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে সংসদীয় শিষ্টাচার লঙ্ঘন করেছেন এবং একই বক্তব্যে একাধিকবার আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেছেন। তিনি একে ‘পার্লামেন্টারিয়ান ফ্যাসিজম’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, সংসদের মর্যাদা রক্ষায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তার বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে হবে এবং বিতর্কিত অংশগুলো কার্যপ্রণালি থেকে এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানান। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই অপমান মেনে নিয়ে বিরোধী দলের পক্ষে সংসদে বসা সম্ভব নয়।

এর আগে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান-বাজনা ও নৌকাবাইচ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং গত ছয় মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছেন। হাসনাত আবদুল তার বক্তব্যে বিভিন্ন পরিসংখ্যান তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহিতা দাবি করেন।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, হাসনাত আবদুল কি প্রশ্ন করেছেন নাকি পল্টনের বক্তৃতা দিয়েছেন, তা বোঝা কঠিন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিনেমা হল না থাকা এবং অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে পাল্টা প্রশ্ন তোলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, সংসদ সদস্য যে পরিসংখ্যান দিয়েছেন, তার ভিত্তি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরপরই বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা প্রতিবাদ জানিয়ে হট্টগোল শুরু করেন।

নিজের বক্তব্যের সময় সরকার দলীয় সদস্যদের বাধার মুখে পড়ে ডা. শফিকুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এভাবে চলতে থাকলে তার এখানে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই। তিনি পুনরায় দাবি করেন যে, পল্টনের ঘটনা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছেন, তা অনভিপ্রেত। সংসদীয় পরিবেশ বজায় রাখতে এবং সংসদ সদস্যদের সম্মান রক্ষায় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এমনকি তিনি সেই দুঃসাহস এখানে দাঁড়িয়ে তিনি দেখিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেছেন যে, এই সংসদে তিনি শিক্ষকের ভূমিকা পালন করবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পল্টনের বক্তব্য প্রসঙ্গে জামায়াত আমীর বলেন, উনি এই পল্টন আজকে নতুন করে বলেন নাই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি নিজেকে কী মনে করেন, আমি বুঝতে পারি না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ঠিক, আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য এখানে আসি নাই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শিক্ষকতা করতে হলে তিনি একটা ইউনিভার্সিটি খুলুন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ওখানে যার পছন্দ, গিয়ে ভর্তি হবে, উনার লেকচার শুনবে।

জনপ্রিয়

জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি পুনর্গঠন: আহ্বায়ক ড. মঈন খানসহ ১০ সদস্যের নতুন কমিটি

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আচরণে ক্ষুব্ধ বিরোধীদলীয় নেতা, চাইলেন দুঃখপ্রকাশের আহ্বান

আপডেট : ০৬:৩০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের তৃতীয় দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে তিনি অভিযোগ করেন যে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শুরু থেকেই সংসদ সদস্যদের প্রতি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে কথা বলছেন। ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট ভাষায় বলেন, তিনি এখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্র হতে আসেননি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি শিক্ষকতা করতে চান, তবে তিনি নতুন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে পারেন, যেখানে তার অনুসারীরা গিয়ে ভর্তি হতে পারবে।

বিরোধীদলীয় নেতা আরও অভিযোগ করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে সংসদীয় শিষ্টাচার লঙ্ঘন করেছেন এবং একই বক্তব্যে একাধিকবার আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেছেন। তিনি একে ‘পার্লামেন্টারিয়ান ফ্যাসিজম’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, সংসদের মর্যাদা রক্ষায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তার বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে হবে এবং বিতর্কিত অংশগুলো কার্যপ্রণালি থেকে এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানান। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই অপমান মেনে নিয়ে বিরোধী দলের পক্ষে সংসদে বসা সম্ভব নয়।

এর আগে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান-বাজনা ও নৌকাবাইচ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং গত ছয় মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছেন। হাসনাত আবদুল তার বক্তব্যে বিভিন্ন পরিসংখ্যান তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহিতা দাবি করেন।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, হাসনাত আবদুল কি প্রশ্ন করেছেন নাকি পল্টনের বক্তৃতা দিয়েছেন, তা বোঝা কঠিন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিনেমা হল না থাকা এবং অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে পাল্টা প্রশ্ন তোলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, সংসদ সদস্য যে পরিসংখ্যান দিয়েছেন, তার ভিত্তি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরপরই বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা প্রতিবাদ জানিয়ে হট্টগোল শুরু করেন।

নিজের বক্তব্যের সময় সরকার দলীয় সদস্যদের বাধার মুখে পড়ে ডা. শফিকুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এভাবে চলতে থাকলে তার এখানে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই। তিনি পুনরায় দাবি করেন যে, পল্টনের ঘটনা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছেন, তা অনভিপ্রেত। সংসদীয় পরিবেশ বজায় রাখতে এবং সংসদ সদস্যদের সম্মান রক্ষায় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এমনকি তিনি সেই দুঃসাহস এখানে দাঁড়িয়ে তিনি দেখিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেছেন যে, এই সংসদে তিনি শিক্ষকের ভূমিকা পালন করবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পল্টনের বক্তব্য প্রসঙ্গে জামায়াত আমীর বলেন, উনি এই পল্টন আজকে নতুন করে বলেন নাই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি নিজেকে কী মনে করেন, আমি বুঝতে পারি না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ঠিক, আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য এখানে আসি নাই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শিক্ষকতা করতে হলে তিনি একটা ইউনিভার্সিটি খুলুন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ওখানে যার পছন্দ, গিয়ে ভর্তি হবে, উনার লেকচার শুনবে।