Hi

০৬:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বংশাই নদীতে নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর শিশুর সন্ধান

গাজীপুরের কালিয়াকৈরের বড়ইতলী এলাকায় বংশাই নদীতে নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর সাথী আক্তার (৬) নামের এক শিশুর মরদেহ ভেসে উঠেছে। সে উপজেলার টালাবহ গ্রামের কবীর হোসেনের মেয়ে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে শুক্রবার সকালে নদীতে গোসল করতে নেমে সে নিখোঁজ হয়।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযানে নামে। ফায়ার সার্ভিসের লিডার আলমগীর কবির জানান, শুক্রবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত দীর্ঘ সময় নদীতে ও পার্শ্ববর্তী বিলে তল্লাশি চালিয়েও শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়নি।

অবশেষে শনিবার সকালে নদীর পানিতে শিশুটির মরদেহ ভেসে ওঠে। স্থানীয়রা মরদেহটি উদ্ধার করার পর জানাজা শেষে টালাবহ গ্রামে তার বাবার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, শিশু সাথী আক্তার তার মায়ের সঙ্গে উপজেলার বড়ইতলী গ্রামে নানার বাড়ি বেড়াতে আসে।

জনপ্রিয়

ভৈরব রেলওয়ে কলোনিতে মিটারবিহীন বিদ্যুৎ বাণিজ্যের অভিযোগ: নেপথ্যে প্রকৌশলী ও লাইনম্যান

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বংশাই নদীতে নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর শিশুর সন্ধান

আপডেট : ০৩:০৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

গাজীপুরের কালিয়াকৈরের বড়ইতলী এলাকায় বংশাই নদীতে নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর সাথী আক্তার (৬) নামের এক শিশুর মরদেহ ভেসে উঠেছে। সে উপজেলার টালাবহ গ্রামের কবীর হোসেনের মেয়ে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে শুক্রবার সকালে নদীতে গোসল করতে নেমে সে নিখোঁজ হয়।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযানে নামে। ফায়ার সার্ভিসের লিডার আলমগীর কবির জানান, শুক্রবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত দীর্ঘ সময় নদীতে ও পার্শ্ববর্তী বিলে তল্লাশি চালিয়েও শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়নি।

অবশেষে শনিবার সকালে নদীর পানিতে শিশুটির মরদেহ ভেসে ওঠে। স্থানীয়রা মরদেহটি উদ্ধার করার পর জানাজা শেষে টালাবহ গ্রামে তার বাবার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, শিশু সাথী আক্তার তার মায়ের সঙ্গে উপজেলার বড়ইতলী গ্রামে নানার বাড়ি বেড়াতে আসে।