Hi

০৯:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে ফেরার সময়সীমা বেঁধে দিলেন শেখ হাসিনা: জল্পনা তুঙ্গে

গত দুই বছর ধরে ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবশেষে তার দেশে ফেরার বিষয়ে মুখ খুলেছেন। এর আগে একাধিকবার নিজের দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও, এবার তিনি বিষয়টি নিয়ে এক ধাপ এগিয়ে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার ইঙ্গিত দিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলে এই মন্তব্য ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। গত দুই বছর ধরে তিনি ভারতের সুরক্ষায় রয়েছেন এবং বিভিন্ন কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমীকরণের মধ্যে দিয়ে সময় অতিবাহিত করছেন। তার ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, বর্তমান পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং তার দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি নিয়মিত পর্যালোচনা করছেন। শেখ হাসিনার এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এল, যখন বাংলাদেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। ঢাকা থেকে নির্বাসিত হওয়ার পর থেকেই তিনি ভারতের রাজধানী দিল্লি বা সংলগ্ন এলাকায় অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে অবস্থান করছেন। আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন হাসিনার এই মন্তব্যের দিকে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তার এই ‘সময়সীমা’ ঘোষণার নেপথ্যে বড় কোনো রাজনৈতিক চাল থাকতে পারে। তবে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক দলগুলো তার এই প্রত্যাবর্তনের ইচ্ছাকে কীভাবে দেখছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গেছে। একদিকে যেমন তার অনুসারীরা এই খবরে আশান্বিত, অন্যদিকে তার বিরোধীরা বিষয়টিকে নতুন করে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টির ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। সব মিলিয়ে শেখ হাসিনার এই মন্তব্য আগামী দিনে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নতুন কোনো মোড় নিয়ে আসে কি না, তা এখন দেখার বিষয়।

জনপ্রিয়

গ্যাসের তীব্র সংকটে স্থবির চট্টগ্রাম: শিল্পকারখানায় উৎপাদন হ্রাস, জনদুর্ভোগ চরমে

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

বাংলাদেশে ফেরার সময়সীমা বেঁধে দিলেন শেখ হাসিনা: জল্পনা তুঙ্গে

আপডেট : ১২:৫৩:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

গত দুই বছর ধরে ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবশেষে তার দেশে ফেরার বিষয়ে মুখ খুলেছেন। এর আগে একাধিকবার নিজের দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও, এবার তিনি বিষয়টি নিয়ে এক ধাপ এগিয়ে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার ইঙ্গিত দিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলে এই মন্তব্য ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। গত দুই বছর ধরে তিনি ভারতের সুরক্ষায় রয়েছেন এবং বিভিন্ন কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমীকরণের মধ্যে দিয়ে সময় অতিবাহিত করছেন। তার ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, বর্তমান পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং তার দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি নিয়মিত পর্যালোচনা করছেন। শেখ হাসিনার এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এল, যখন বাংলাদেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। ঢাকা থেকে নির্বাসিত হওয়ার পর থেকেই তিনি ভারতের রাজধানী দিল্লি বা সংলগ্ন এলাকায় অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে অবস্থান করছেন। আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন হাসিনার এই মন্তব্যের দিকে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তার এই ‘সময়সীমা’ ঘোষণার নেপথ্যে বড় কোনো রাজনৈতিক চাল থাকতে পারে। তবে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক দলগুলো তার এই প্রত্যাবর্তনের ইচ্ছাকে কীভাবে দেখছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গেছে। একদিকে যেমন তার অনুসারীরা এই খবরে আশান্বিত, অন্যদিকে তার বিরোধীরা বিষয়টিকে নতুন করে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টির ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। সব মিলিয়ে শেখ হাসিনার এই মন্তব্য আগামী দিনে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নতুন কোনো মোড় নিয়ে আসে কি না, তা এখন দেখার বিষয়।