Hi

০৭:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বৃদ্ধি: বাংলাদেশের বাণিজ্য ও ভবিষ্যৎ কৌশল

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৬:২৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮ জন দেখেছে

যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ শিল্প সুরক্ষা এবং বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শতাধিক দেশের পণ্যের ওপর প্রতিশোধমূলক শুল্ক আরোপ করেছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসানো হলেও বাংলাদেশের পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ৩৭ শতাংশ শুল্ক। এতদিন দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর গড়ে ১৫ শতাংশ শুল্ক প্রযোজ্য ছিল। এই আকস্মিক শুল্ক বৃদ্ধির ঘটনায় বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে দেশজুড়ে ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ছিল ৭ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার এবং আমদানি ছিল ২ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই আসে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে; আলোচ্য অর্থবছরে ৭ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানির মধ্যে ৭ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলারই ছিল তৈরি পোশাক। বাকি আয় এসেছে চামড়া, চামড়াজাত পণ্য, জুতা, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং কৃষি পণ্য থেকে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ প্রধানত লোহা, ইস্পাত, খনিজ জ্বালানি, তুলা, তেলবীজ ও নিউক্লিয়ার রেক্টর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করে থাকে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে লোহা ও ইস্পাত থেকে ৬০১ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার, খনিজ জ্বালানি থেকে ৫৯৫ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার, তুলা থেকে ৩৬১ মিলিয়ন ডলার, তেলবীজ থেকে ৩৪১ মিলিয়ন ডলার এবং নিউক্লিয়ার রেক্টর থেকে ১১১ মিলিয়ন ডলারের আমদানি হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতি উত্তরণে বাংলাদেশকে নীতিগত সংস্কারের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। তিনি জানান, মার্কিন সরকার শুল্কের হার কমাতে আগ্রহী। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র যে পণ্য রপ্তানির ওপর ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত কর দিয়ে থাকে, তা ৪০ শতাংশে নামিয়ে আনতে পারলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য তা ইতিবাচক সুযোগ তৈরি করতে পারে। তার মতে, আমদানি প্রক্রিয়া সহজতর করলে বাণিজ্যের ভলিউম বাড়বে এবং দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ব্যবধান বা ঘাটতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি ফারুক হাসান জানিয়েছেন, তিনি যখন সংগঠনের দায়িত্বে ছিলেন, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আমদানির ক্ষেত্রে ফিউমিগেশন প্রক্রিয়া সহজ করেছিলেন। এই পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশে মার্কিন তুলার আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি মনে করেন, সরকার যদি মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখে কাজ চালিয়ে যায়, তবে তুলা ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পণ্য আমদানির ক্ষেত্র আরও প্রসারিত হবে, যা বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গত কয়েক বছরের বাণিজ্যের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ছিল ৯৭০১ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার ও আমদানি ২৩৪৪ দশমিক ২৬ মিলিয়ন ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানি ১০৪১৭ দশমিক ৭২ মিলিয়ন ডলার ও আমদানি ২৮২৫ দশমিক ৭৪ মিলিয়ন ডলার, ২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি ৬৯৭৪ দশমিক ০১ মিলিয়ন ডলার ও আমদানি ২২৬৮ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলার ছিল। এছাড়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে রপ্তানি ছিল ৫৮৩২ দশমিক ৩০ মিলিয়ন ডলার ও আমদানি ২১২৬ দশমিক ১০ মিলিয়ন ডলার, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রপ্তানি ৬৮৭৬ দশমিক ২৯ মিলিয়ন ডলার ও আমদানি ১৭৭৩ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলার এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি ছিল ৫৯৮৩ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার ও আমদানি ১৭০৪ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলার।

বাণিজ্যিক ভারসাম্য আনতে ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা নতুন রপ্তানি পণ্য খুঁজে বের করা এবং বাণিজ্যের বহুমুখীকরণের ওপর জোর দিয়েছেন। উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে নিয়মিত বাণিজ্য মেলা আয়োজন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে সরকার ও ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। শুল্কের হার যৌক্তিকীকরণ এবং নতুন ব্যবসার ক্ষেত্র উন্মোচনই এখন উভয় দেশের বাণিজ্য লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যদিও চীন, ভিয়েতনাম ও ভারতের মতো বড় অর্থনীতির তুলনায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ খুব বেশি নয়, তবে বাংলাদেশের জন্য এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এই শুল্ক থেকে মুক্তি, বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, ব্যবসায়িক ক্ষতি থেকে পরিত্রাণের উপায় প্রভৃতি বিষয় রয়েছে আলোচনায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রপ্তানি তৈরি পোশাকের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল, যার মধ্যে বেশিরভাগ মৌলিক আইটেম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমি মনে করি, এটা ৪০ শতাংশে নামিয়ে আনলে তা আমাদের রপ্তানিকারকদের জন্য ইতিবাচক হতে পারে।- বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারপর তারা সিদ্ধান্ত নেবে এখানে রপ্তানি করবে কি না?’।

জনপ্রিয়

মৃত বাবার পেনশনের টাকা প্রতিবন্ধী ছেলের পাওয়ার বিষয়ে হাইকোর্টের

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বৃদ্ধি: বাংলাদেশের বাণিজ্য ও ভবিষ্যৎ কৌশল

আপডেট : ০৬:২৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ শিল্প সুরক্ষা এবং বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাসের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শতাধিক দেশের পণ্যের ওপর প্রতিশোধমূলক শুল্ক আরোপ করেছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসানো হলেও বাংলাদেশের পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ৩৭ শতাংশ শুল্ক। এতদিন দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর গড়ে ১৫ শতাংশ শুল্ক প্রযোজ্য ছিল। এই আকস্মিক শুল্ক বৃদ্ধির ঘটনায় বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে দেশজুড়ে ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ছিল ৭ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার এবং আমদানি ছিল ২ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই আসে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে; আলোচ্য অর্থবছরে ৭ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানির মধ্যে ৭ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলারই ছিল তৈরি পোশাক। বাকি আয় এসেছে চামড়া, চামড়াজাত পণ্য, জুতা, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং কৃষি পণ্য থেকে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ প্রধানত লোহা, ইস্পাত, খনিজ জ্বালানি, তুলা, তেলবীজ ও নিউক্লিয়ার রেক্টর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করে থাকে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে লোহা ও ইস্পাত থেকে ৬০১ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার, খনিজ জ্বালানি থেকে ৫৯৫ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার, তুলা থেকে ৩৬১ মিলিয়ন ডলার, তেলবীজ থেকে ৩৪১ মিলিয়ন ডলার এবং নিউক্লিয়ার রেক্টর থেকে ১১১ মিলিয়ন ডলারের আমদানি হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতি উত্তরণে বাংলাদেশকে নীতিগত সংস্কারের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। তিনি জানান, মার্কিন সরকার শুল্কের হার কমাতে আগ্রহী। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র যে পণ্য রপ্তানির ওপর ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত কর দিয়ে থাকে, তা ৪০ শতাংশে নামিয়ে আনতে পারলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য তা ইতিবাচক সুযোগ তৈরি করতে পারে। তার মতে, আমদানি প্রক্রিয়া সহজতর করলে বাণিজ্যের ভলিউম বাড়বে এবং দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ব্যবধান বা ঘাটতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি ফারুক হাসান জানিয়েছেন, তিনি যখন সংগঠনের দায়িত্বে ছিলেন, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আমদানির ক্ষেত্রে ফিউমিগেশন প্রক্রিয়া সহজ করেছিলেন। এই পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশে মার্কিন তুলার আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি মনে করেন, সরকার যদি মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখে কাজ চালিয়ে যায়, তবে তুলা ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পণ্য আমদানির ক্ষেত্র আরও প্রসারিত হবে, যা বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গত কয়েক বছরের বাণিজ্যের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ছিল ৯৭০১ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার ও আমদানি ২৩৪৪ দশমিক ২৬ মিলিয়ন ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানি ১০৪১৭ দশমিক ৭২ মিলিয়ন ডলার ও আমদানি ২৮২৫ দশমিক ৭৪ মিলিয়ন ডলার, ২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি ৬৯৭৪ দশমিক ০১ মিলিয়ন ডলার ও আমদানি ২২৬৮ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলার ছিল। এছাড়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে রপ্তানি ছিল ৫৮৩২ দশমিক ৩০ মিলিয়ন ডলার ও আমদানি ২১২৬ দশমিক ১০ মিলিয়ন ডলার, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রপ্তানি ৬৮৭৬ দশমিক ২৯ মিলিয়ন ডলার ও আমদানি ১৭৭৩ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলার এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি ছিল ৫৯৮৩ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার ও আমদানি ১৭০৪ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলার।

বাণিজ্যিক ভারসাম্য আনতে ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা নতুন রপ্তানি পণ্য খুঁজে বের করা এবং বাণিজ্যের বহুমুখীকরণের ওপর জোর দিয়েছেন। উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে নিয়মিত বাণিজ্য মেলা আয়োজন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে সরকার ও ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। শুল্কের হার যৌক্তিকীকরণ এবং নতুন ব্যবসার ক্ষেত্র উন্মোচনই এখন উভয় দেশের বাণিজ্য লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যদিও চীন, ভিয়েতনাম ও ভারতের মতো বড় অর্থনীতির তুলনায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ খুব বেশি নয়, তবে বাংলাদেশের জন্য এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এই শুল্ক থেকে মুক্তি, বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, ব্যবসায়িক ক্ষতি থেকে পরিত্রাণের উপায় প্রভৃতি বিষয় রয়েছে আলোচনায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রপ্তানি তৈরি পোশাকের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল, যার মধ্যে বেশিরভাগ মৌলিক আইটেম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমি মনে করি, এটা ৪০ শতাংশে নামিয়ে আনলে তা আমাদের রপ্তানিকারকদের জন্য ইতিবাচক হতে পারে।- বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারপর তারা সিদ্ধান্ত নেবে এখানে রপ্তানি করবে কি না?’।