Hi

০৯:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি দেশে হস্তান্তর

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণ হারানো সাত বাংলাদেশির মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শূন্যরেখায় প্রয়োজনীয় আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ মরদেহগুলো বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এর আগে গত ১৯ আগস্ট বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ওই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট নয়জন নিহত হন, যাদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি এবং দুইজন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন।

বেনাপোল দিয়ে দেশে আসা পাঁচজনের মধ্যে রয়েছেন দৈনিক আজকের পত্রিকার কুষ্টিয়া প্রতিনিধি দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছর বয়সী সন্তান শর্ণাশীষ দত্ত, দেবাশীষের শ্বশুর মো. আকরাম আলী এবং ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকার ব্যবসায়ী আহমেদ বাবু। তারা সবাই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারতে অবস্থান করছিলেন। নিহতদের মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন।

নিহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দেবাশীষ দত্ত ও তার ছেলে শর্ণাশীষ দত্তের শেষকৃত্য হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সম্পন্ন হবে। এছাড়া আফসানা শারমীন ও মো. আকরাম আলীর মরদেহ ইসলামি রীতিতে দাফন করা হবে। ব্যবসায়ী আহমেদ বাবুর বড় ভাই মোহাম্মাদ আলী জানান, চিকিৎসার জন্য ঘটনার দুই দিন আগে তার ভাই কলকাতায় গিয়েছিলেন। শুক্রবার বিকেলেই তিনি মরদেহ গ্রহণের জন্য বেনাপোলে উপস্থিত হয়েছিলেন। বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে ময়নাতদন্তসহ যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহগুলো দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

এদিকে, অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে পৌঁছায়। তবে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের বাসিন্দা রেবতী সরকারের মরদেহ পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে কলকাতাতেই সৎকার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিহতদের স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো নিজ নিজ এলাকায় নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আজ শনিবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় শুণ্যরেখায় প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেখানে মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে তিনি মারা যান।

জনপ্রিয়

সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে পুলিশকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি দেশে হস্তান্তর

আপডেট : ০৮:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণ হারানো সাত বাংলাদেশির মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শূন্যরেখায় প্রয়োজনীয় আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ মরদেহগুলো বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এর আগে গত ১৯ আগস্ট বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ওই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট নয়জন নিহত হন, যাদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি এবং দুইজন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন।

বেনাপোল দিয়ে দেশে আসা পাঁচজনের মধ্যে রয়েছেন দৈনিক আজকের পত্রিকার কুষ্টিয়া প্রতিনিধি দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছর বয়সী সন্তান শর্ণাশীষ দত্ত, দেবাশীষের শ্বশুর মো. আকরাম আলী এবং ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকার ব্যবসায়ী আহমেদ বাবু। তারা সবাই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারতে অবস্থান করছিলেন। নিহতদের মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন।

নিহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দেবাশীষ দত্ত ও তার ছেলে শর্ণাশীষ দত্তের শেষকৃত্য হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সম্পন্ন হবে। এছাড়া আফসানা শারমীন ও মো. আকরাম আলীর মরদেহ ইসলামি রীতিতে দাফন করা হবে। ব্যবসায়ী আহমেদ বাবুর বড় ভাই মোহাম্মাদ আলী জানান, চিকিৎসার জন্য ঘটনার দুই দিন আগে তার ভাই কলকাতায় গিয়েছিলেন। শুক্রবার বিকেলেই তিনি মরদেহ গ্রহণের জন্য বেনাপোলে উপস্থিত হয়েছিলেন। বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে ময়নাতদন্তসহ যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহগুলো দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

এদিকে, অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে পৌঁছায়। তবে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের বাসিন্দা রেবতী সরকারের মরদেহ পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে কলকাতাতেই সৎকার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিহতদের স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো নিজ নিজ এলাকায় নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আজ শনিবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় শুণ্যরেখায় প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেখানে মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে তিনি মারা যান।