Hi

০৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাতার এয়ারওয়েজের ১৫০টি উড়োজাহাজে স্টারলিংক ইন্টারনেট: আকাশপথে মিলবে ৫০০ এমবিপিএস গতি

বিশ্বের প্রথম এয়ারলাইন হিসেবে বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজে উচ্চগতির স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালু করেছে কাতার এয়ারওয়েজ। একই সঙ্গে এয়ারলাইন্সটি তাদের পুরো বোয়িং ৭৮৭-৮ বহরে এই প্রযুক্তি স্থাপনের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে কাতার এয়ারওয়েজের স্টারলিংক সুবিধাযুক্ত ওয়াইডবডি উড়োজাহাজের সংখ্যা ১৫০টিতে পৌঁছেছে। ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ তাদের পুরো বোয়িং ৭৮৭ বহরকে এই সেবার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রযুক্তি স্থাপনের এই কার্যক্রমে এয়ারলাইন্সটি বেশ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে, যার বর্তমান অগ্রগতি ৮৩ শতাংশের বেশি। এর আগে বোয়িং ৭৭৭ বহরে নয় মাস, এয়ারবাস এ৩৫০ বহরে আট মাস এবং বোয়িং ৭৮৭-৮ বহরে মাত্র সাত মাসের মধ্যে স্টারলিংক স্থাপনের কাজ শেষ করা হয়েছে। বোয়িং ৭৭৭, এয়ারবাস এ৩৫০ এবং বোয়িং ৭৮৭—এই তিন ধরনের ওয়াইডবডি উড়োজাহাজে স্টারলিংক সুবিধা যুক্ত করার মাধ্যমে কাতার এয়ারওয়েজ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ইনফ্লাইট স্যাটেলাইট ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।

এই সেবার মাধ্যমে যাত্রীরা আকাশপথে সর্বোচ্চ ৫০০ এমবিপিএস গতির নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন। এর ফলে উড়োজাহাজে বসেই ওয়েব ব্রাউজিং, ভিডিও স্ট্রিমিং এবং অফিসের জরুরি কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। স্থানীয় বিধিনিষেধ সাপেক্ষে ভিডিও কলের সুবিধাও থাকছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে প্রথম এই সেবা চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৮৬ হাজারের বেশি ফ্লাইটে ২ কোটি ৩০ লাখের বেশি যাত্রী স্টারলিংক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করেছেন। বর্তমানে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩২৩টি ফ্লাইটে এই সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।

দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে কেন্দ্র করে বিশ্বের ১৬০টিরও বেশি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে কাতার এয়ারওয়েজ। যোগ্য ফ্লাইটগুলোতে যাত্রীরা গেট থেকে উড্ডয়ন এবং গন্তব্যে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো যাত্রায় বিনামূল্যে এই উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন। আকাশপথে দ্রুতগতির এই সংযোগ দীর্ঘ ও অতি-দীর্ঘ দূরত্বের ফ্লাইটে যাত্রীদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যা বিমান পরিবহন খাতে যাত্রীসেবার ক্ষেত্রে নতুন মানদণ্ড তৈরি করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

জনপ্রিয়

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচন: নতুন প্রক্রিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার তীব্র আপত্তি

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

কাতার এয়ারওয়েজের ১৫০টি উড়োজাহাজে স্টারলিংক ইন্টারনেট: আকাশপথে মিলবে ৫০০ এমবিপিএস গতি

আপডেট : ০৭:১৪:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

বিশ্বের প্রথম এয়ারলাইন হিসেবে বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজে উচ্চগতির স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালু করেছে কাতার এয়ারওয়েজ। একই সঙ্গে এয়ারলাইন্সটি তাদের পুরো বোয়িং ৭৮৭-৮ বহরে এই প্রযুক্তি স্থাপনের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে কাতার এয়ারওয়েজের স্টারলিংক সুবিধাযুক্ত ওয়াইডবডি উড়োজাহাজের সংখ্যা ১৫০টিতে পৌঁছেছে। ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ তাদের পুরো বোয়িং ৭৮৭ বহরকে এই সেবার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রযুক্তি স্থাপনের এই কার্যক্রমে এয়ারলাইন্সটি বেশ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে, যার বর্তমান অগ্রগতি ৮৩ শতাংশের বেশি। এর আগে বোয়িং ৭৭৭ বহরে নয় মাস, এয়ারবাস এ৩৫০ বহরে আট মাস এবং বোয়িং ৭৮৭-৮ বহরে মাত্র সাত মাসের মধ্যে স্টারলিংক স্থাপনের কাজ শেষ করা হয়েছে। বোয়িং ৭৭৭, এয়ারবাস এ৩৫০ এবং বোয়িং ৭৮৭—এই তিন ধরনের ওয়াইডবডি উড়োজাহাজে স্টারলিংক সুবিধা যুক্ত করার মাধ্যমে কাতার এয়ারওয়েজ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ইনফ্লাইট স্যাটেলাইট ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।

এই সেবার মাধ্যমে যাত্রীরা আকাশপথে সর্বোচ্চ ৫০০ এমবিপিএস গতির নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন। এর ফলে উড়োজাহাজে বসেই ওয়েব ব্রাউজিং, ভিডিও স্ট্রিমিং এবং অফিসের জরুরি কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। স্থানীয় বিধিনিষেধ সাপেক্ষে ভিডিও কলের সুবিধাও থাকছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে প্রথম এই সেবা চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৮৬ হাজারের বেশি ফ্লাইটে ২ কোটি ৩০ লাখের বেশি যাত্রী স্টারলিংক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করেছেন। বর্তমানে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩২৩টি ফ্লাইটে এই সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।

দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে কেন্দ্র করে বিশ্বের ১৬০টিরও বেশি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে কাতার এয়ারওয়েজ। যোগ্য ফ্লাইটগুলোতে যাত্রীরা গেট থেকে উড্ডয়ন এবং গন্তব্যে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো যাত্রায় বিনামূল্যে এই উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন। আকাশপথে দ্রুতগতির এই সংযোগ দীর্ঘ ও অতি-দীর্ঘ দূরত্বের ফ্লাইটে যাত্রীদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যা বিমান পরিবহন খাতে যাত্রীসেবার ক্ষেত্রে নতুন মানদণ্ড তৈরি করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।