ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দিনটি ছিল দুই বাঁহাতি পেসারের ব্যক্তিগত অর্জনের সাক্ষী। মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়ে বাংলাদেশ যখন বিপর্যয়ের মুখে, তখন বল হাতে ত্রাতা হয়ে আসেন শরিফুল ইসলাম। কাকতালীয়ভাবে একই দিনে দুজনেই নিজেদের ঝুলিতে তুলে নিয়েছেন ছয়টি করে উইকেট।
ম্যাচের শুরুতে স্টার্কের তোপে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। প্রথম বলেই উইকেট শিকার শুরু করা এই অজি পেসার মাত্র ২২ বলের মধ্যে পাঁচ উইকেট তুলে নেন। শেষ পর্যন্ত ২৮ রান খরচায় ৬ উইকেট শিকার করে তিনি বাংলাদেশকে দ্রুত গুটিয়ে দিতে বড় ভূমিকা রাখেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়াও স্বস্তিতে ছিল না। তাসকিন আহমেদের পর শরিফুল ইসলাম বল হাতে প্রতিপক্ষের ওপর চড়াও হন। ট্রাভিস হেড ও মারনাস লাবুশেনেকে পরপর সাজঘরে ফিরিয়ে শুরু করেন শরিফুল। এরপর স্টিভ স্মিথ, বো ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ককে আউট করে তিনি নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার ৩৫ রানে ৬ উইকেট অর্জন করেন।
দিনের শেষভাগে স্টার্ককে নিজের শিকার বানানোর মুহূর্তটি নিয়ে শরিফুল বেশ উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন, স্টার্ক আমাকে আউট করেছেন, আমিও তাকে আউট করার চেষ্টা করেছি। আমারও বল করার সুযোগ ছিল, আলহামদুলিল্লাহ তা সফল হয়েছে। ছোটবেলা থেকেই স্টার্কের বোলিং ও সুইং অনুসরণ করেন শরিফুল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের আগে তার ভিডিও দেখে প্রস্তুতি নেওয়ায় এই সাফল্য তার কাছে বাড়তি আনন্দের।
ব্যক্তিগত এই অর্জনে ভেসে না গিয়ে শরিফুল দলের জয়কেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তিনি জানান, পাঁচ বা ছয় উইকেট পাওয়ার চেয়েও দলের টেস্ট জয় তার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথম দিন শেষে অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান তুলেছে। স্বাগতিকরা বাংলাদেশের চেয়ে ১০১ রানে এগিয়ে আছে। ক্যামেরন গ্রিন ৫১ রানে এবং ন্যাথান লায়ন ১০ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন।
উল্লেখ্য, অভিবাসী ভিসা নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি আদালত কর্তৃক আটকে দেওয়া এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদনের মতো অন্যান্য সাম্প্রতিক ঘটনার বাইরে এই টেস্ট ম্যাচটি এখন ক্রিকেটপ্রেমীদের মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নামেই যাত্রীছাউনি, কাজে আসে না যাত্রীদের, দাঁড়ায় না বাস। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রাঙ্গাবালীতে বুনো মহিষের শিকারিদের থামাবে কে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে দুজনের পারফরম্যান্সের গল্পটা যেন দুই প্রান্তের, স্টার্কের ছয় উইকেটে বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসে গেছে, আর শরিফুলের ছয় উইকেটে ম্যাচে আবারও লড়াইয়ে ফিরেছে বাংলাদেশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জবাব দিতে নেমে অস্ট্রেলিয়াও খুব একটা স্বস্তিতে থাকতে পারেনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সবচেয়ে মজার ব্যাপার, যে স্টার্ক সকালে বাংলাদেশের ইনিংস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন, দিনের শেষভাগে তাকেই নিজের শিকার বানান শরিফুল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাংবাদিকদের প্রশ্নে সেই মুহূর্তের অনুভূতি জানাতে গিয়ে শরিফুলের জবাবটাও ছিল বেশ সরল।
রিপোর্টার নাম: 























