Hi

০৮:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচন: নতুন প্রক্রিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার তীব্র আপত্তি

জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের উত্তরসূরি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বর্তমান সভাপতি আনালেনা বেয়ারবকের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। দুই পরাশক্তির অভিযোগ, বেয়ারবক সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন এবং মহাসচিব নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদের একচ্ছত্র এখতিয়ারে হস্তক্ষেপ করছেন।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া এই উদ্যোগকে বিতর্কিত বলে আখ্যা দিয়েছেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত জেনিফার লোসেটা সরাসরি বেয়ারবকের বিরুদ্ধে ‘ভণ্ডামি’র অভিযোগ তুলেছিলেন। লোসেটার মতে, বেয়ারবকের এই পদক্ষেপ দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং এটি সাধারণ পরিষদের কাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বেয়ারবক নিজেকে ‘কূটনৈতিক সুপারস্টার’ হিসেবে উপস্থাপন করতে গিয়ে পরোক্ষভাবে নিরাপত্তা পরিষদের সক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন।

তবে এই সমালোচনার বিপরীতে ভিন্নমত পোষণ করেছেন জাতিসংঘের সাবেক রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টোফ হয়গেন। জার্মান টেলিভিশন চ্যানেল জেডডিএফ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের এই বিরোধিতা অযাচিত। তাঁর মতে, এর পেছনে মূলত নিরাপত্তা পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের মধ্যে দীর্ঘদিনের পুরোনো বিরোধ কাজ করছে। মহাসচিব নিয়োগের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদের গোপন ভোটের দীর্ঘদিনের চর্চাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সাধারণ পরিষদকে আরও সক্রিয় করার চেষ্টা করছেন বেয়ারবক, যা দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি করেছে।

নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বেয়ারবক বারবার স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনপ্রক্রিয়ার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি মহাসচিব পদের প্রার্থীদের জন্য প্রকাশ্য শুনানির আয়োজন করেছেন এবং দর্শকদের প্রশ্ন করার সুযোগ দিয়েছেন, যা জাতিসংঘের ইতিহাসে বিরল। এছাড়া নিরাপত্তা পরিষদের কাছে তিনি এমন প্রার্থীদের গুরুত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন, যারা সাধারণ পরিষদের সংলাপে অংশ নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশেই মহাসচিব নির্বাচন করা হয় এবং ১৯৩ সদস্যের সাধারণ পরিষদ সেই প্রার্থীকে নিয়োগ দেয়। বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস চলতি বছরের শেষে দায়িত্ব ছাড়বেন। এই প্রেক্ষাপটে বেয়ারবকের মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

৭২ বছর বয়সী অভিজ্ঞ কূটনীতিক খলিলুর রহমান সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস কাকোরিসকে পরাজিত করে এই পদে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে ১৯৩টি দেশের মধ্যে ৯৯টি দেশ তাঁর পক্ষে ভোট দেয়। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন। বর্তমান সভাপতি বেয়ারবক তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছিলেন, তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন।

জাতিসংঘে খলিলুর রহমানের দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংকট মোকাবিলায় তাঁর নেতৃত্ব প্রশংসিত হয়েছে। সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে তিনি শান্তি রক্ষা মিশনের সংস্কার, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন এবং দরিদ্র দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষার মতো বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।

অন্যদিকে, ৪৫ বছর বয়সী আনালেনা বেয়ারবক, যিনি জার্মানির গ্রিন পার্টির রাজনীতিক হিসেবে ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ওলাফ শলৎজের সরকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, তিনি দায়িত্ব ছাড়ার পর কী করবেন তা এখনো জানাননি। তবে বিদায়ের আগে তিনি বারবার জোর দিয়ে বলেছেন, সব সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও জাতিসংঘই একমাত্র বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম যেখানে সব সদস্যরাষ্ট্র সমানভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশের সুযোগ পায়। তাঁর মতে, এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি না থাকলে বিশ্বে নৈরাজ্য আরও প্রকট হতো, তাই এর আধুনিকীকরণ ও সংস্কার এখন সময়ের দাবি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত কয়েকটি মহাসচিব নির্বাচনের সময় সাধারণ পরিষদকে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেওয়ার একটি প্রবণতা দেখা গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বর্তমানে এ পদের জন্য প্রার্থিতার প্রক্রিয়া চলছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শুনানিতে প্রার্থীদের বক্তব্য ও বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর শোনার পর অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের তাঁদের বিষয়ে মতামত জানানোরও সুযোগ দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কূটনীতিকদের মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা এবারই প্রথম করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারা এমন প্রার্থীদেরও বিবেচনা করতে পারবে, যাঁরা কখনো সাধারণ পরিষদের কোনো সংলাপে অংশ নেননি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে এর মাধ্যমে পর্দার আড়ালে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সীমিত প্রভাবও বিস্তার করা সম্ভব। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাধারণ পরিষদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলোর প্রায়ই প্রতীকী গুরুত্ব থাকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এসব সিদ্ধান্তকে বিশ্বব্যাপী জনমতের একটি প্রতিচ্ছবি হিসেবেও দেখা হয়।

জনপ্রিয়

কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি দেশে হস্তান্তর

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচন: নতুন প্রক্রিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার তীব্র আপত্তি

আপডেট : ০৭:৫৫:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের উত্তরসূরি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বর্তমান সভাপতি আনালেনা বেয়ারবকের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। দুই পরাশক্তির অভিযোগ, বেয়ারবক সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন এবং মহাসচিব নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদের একচ্ছত্র এখতিয়ারে হস্তক্ষেপ করছেন।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া এই উদ্যোগকে বিতর্কিত বলে আখ্যা দিয়েছেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত জেনিফার লোসেটা সরাসরি বেয়ারবকের বিরুদ্ধে ‘ভণ্ডামি’র অভিযোগ তুলেছিলেন। লোসেটার মতে, বেয়ারবকের এই পদক্ষেপ দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং এটি সাধারণ পরিষদের কাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বেয়ারবক নিজেকে ‘কূটনৈতিক সুপারস্টার’ হিসেবে উপস্থাপন করতে গিয়ে পরোক্ষভাবে নিরাপত্তা পরিষদের সক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন।

তবে এই সমালোচনার বিপরীতে ভিন্নমত পোষণ করেছেন জাতিসংঘের সাবেক রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টোফ হয়গেন। জার্মান টেলিভিশন চ্যানেল জেডডিএফ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের এই বিরোধিতা অযাচিত। তাঁর মতে, এর পেছনে মূলত নিরাপত্তা পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের মধ্যে দীর্ঘদিনের পুরোনো বিরোধ কাজ করছে। মহাসচিব নিয়োগের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদের গোপন ভোটের দীর্ঘদিনের চর্চাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সাধারণ পরিষদকে আরও সক্রিয় করার চেষ্টা করছেন বেয়ারবক, যা দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি করেছে।

নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বেয়ারবক বারবার স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনপ্রক্রিয়ার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি মহাসচিব পদের প্রার্থীদের জন্য প্রকাশ্য শুনানির আয়োজন করেছেন এবং দর্শকদের প্রশ্ন করার সুযোগ দিয়েছেন, যা জাতিসংঘের ইতিহাসে বিরল। এছাড়া নিরাপত্তা পরিষদের কাছে তিনি এমন প্রার্থীদের গুরুত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন, যারা সাধারণ পরিষদের সংলাপে অংশ নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশেই মহাসচিব নির্বাচন করা হয় এবং ১৯৩ সদস্যের সাধারণ পরিষদ সেই প্রার্থীকে নিয়োগ দেয়। বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস চলতি বছরের শেষে দায়িত্ব ছাড়বেন। এই প্রেক্ষাপটে বেয়ারবকের মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

৭২ বছর বয়সী অভিজ্ঞ কূটনীতিক খলিলুর রহমান সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস কাকোরিসকে পরাজিত করে এই পদে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনে ১৯৩টি দেশের মধ্যে ৯৯টি দেশ তাঁর পক্ষে ভোট দেয়। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন। বর্তমান সভাপতি বেয়ারবক তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছিলেন, তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন।

জাতিসংঘে খলিলুর রহমানের দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংকট মোকাবিলায় তাঁর নেতৃত্ব প্রশংসিত হয়েছে। সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে তিনি শান্তি রক্ষা মিশনের সংস্কার, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন এবং দরিদ্র দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষার মতো বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।

অন্যদিকে, ৪৫ বছর বয়সী আনালেনা বেয়ারবক, যিনি জার্মানির গ্রিন পার্টির রাজনীতিক হিসেবে ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ওলাফ শলৎজের সরকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, তিনি দায়িত্ব ছাড়ার পর কী করবেন তা এখনো জানাননি। তবে বিদায়ের আগে তিনি বারবার জোর দিয়ে বলেছেন, সব সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও জাতিসংঘই একমাত্র বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম যেখানে সব সদস্যরাষ্ট্র সমানভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশের সুযোগ পায়। তাঁর মতে, এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি না থাকলে বিশ্বে নৈরাজ্য আরও প্রকট হতো, তাই এর আধুনিকীকরণ ও সংস্কার এখন সময়ের দাবি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত কয়েকটি মহাসচিব নির্বাচনের সময় সাধারণ পরিষদকে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেওয়ার একটি প্রবণতা দেখা গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বর্তমানে এ পদের জন্য প্রার্থিতার প্রক্রিয়া চলছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শুনানিতে প্রার্থীদের বক্তব্য ও বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর শোনার পর অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের তাঁদের বিষয়ে মতামত জানানোরও সুযোগ দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কূটনীতিকদের মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা এবারই প্রথম করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারা এমন প্রার্থীদেরও বিবেচনা করতে পারবে, যাঁরা কখনো সাধারণ পরিষদের কোনো সংলাপে অংশ নেননি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে এর মাধ্যমে পর্দার আড়ালে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সীমিত প্রভাবও বিস্তার করা সম্ভব। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাধারণ পরিষদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলোর প্রায়ই প্রতীকী গুরুত্ব থাকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এসব সিদ্ধান্তকে বিশ্বব্যাপী জনমতের একটি প্রতিচ্ছবি হিসেবেও দেখা হয়।