Hi

০১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক লাখের বেশি ভিসা বাতিল

  • ডেস্ক সংবাদ
  • আপডেট : ১০:২০:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৪১ জন দেখেছে

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে দেশটিতে বৈধভাবে থাকা বহু বিদেশির ভিসা বাতিল করা হয়েছে। অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ি আরও জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে এক লাখেরও বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে, যার মধ্যে শিক্ষার্থী ও বিশেষায়িত পেশাজীবীদের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য।

সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, বাতিল হওয়া ভিসার মধ্যে ৮ হাজার শিক্ষার্থী এবং ২ হাজার ৫০০ বিশেষায়িত পেশাজীবীও রয়েছেন। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর পুনরায় দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত এক লাখের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে। অভিবাসন প্রশ্নে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, যাদের ভিসা বাতিল করা হয়েছে, তাদের বড় অংশের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ‘অপরাধসংক্রান্ত যোগাযোগ’ ছিল। তবে এসব ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। আল জাজিরা বলছে, ভিসা বাতিলের এই বড় সংখ্যা ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন দমননীতির ব্যাপকতাই তুলে ধরছে। ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর যে কঠোর অভিযান শুরু করেন, তার আওতায় এখন পর্যন্ত ২৫ লাখের বেশি মানুষ স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ বা বহিষ্কারের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছে প্রশাসন।

গত মাসে একে তারা ‘রেকর্ড গড়া সাফল্য’ হিসেবেও উল্লেখ করে।তবে এসব বহিষ্কারের মধ্যে বৈধ ভিসাধারীরাও ছিলেন। আর এটিই যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ও মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। একই সঙ্গে ভিসা দেয়ার নীতিও আরও কঠোর করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই আরও কড়াকড়ি করা হয়েছে এবং আবেদনকারীদের অতীত ঘটনাবলী যাচাইয়ের পরিধি বাড়ানো হয়েছে। পররাষ্ট্র দপ্তর এক্সে দেয়া পোস্টে বলেছে, ‘আমেরিকাকে নিরাপদ রাখতে আমরা এসব দুষ্কৃতকারীকে বহিষ্কার করতে থাকব।

পররাষ্ট্র দপ্তরের উপমুখপাত্র টমি পিগট জানান, ভিসা বাতিলের চারটি প্রধান কারণ হলো- নির্ধারিত সময়ের বেশি থাকা, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, হামলা এবং চুরি। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের তুলনায় ভিসা বাতিলের সংখ্যা ১৫০ শতাংশ বেড়েছে। এর আগে গত বছরের নভেম্বরেও পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ট্রাম্পের শপথ নেয়ার পর থেকে প্রায় ৮০ হাজার নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে অপরাধের তালিকায় ছিল মদ্যপান অবস্থায় গাড়ি চালানো, হামলা ও চুরি।

জনপ্রিয়

সন্দ্বীপে ১৩ লাখ টাকার সেচ প্রকল্প অচল: কৃষকদের হাহাকার

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

এক লাখের বেশি ভিসা বাতিল

আপডেট : ১০:২০:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে দেশটিতে বৈধভাবে থাকা বহু বিদেশির ভিসা বাতিল করা হয়েছে। অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ি আরও জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে এক লাখেরও বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে, যার মধ্যে শিক্ষার্থী ও বিশেষায়িত পেশাজীবীদের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য।

সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, বাতিল হওয়া ভিসার মধ্যে ৮ হাজার শিক্ষার্থী এবং ২ হাজার ৫০০ বিশেষায়িত পেশাজীবীও রয়েছেন। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর পুনরায় দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত এক লাখের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে। অভিবাসন প্রশ্নে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, যাদের ভিসা বাতিল করা হয়েছে, তাদের বড় অংশের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ‘অপরাধসংক্রান্ত যোগাযোগ’ ছিল। তবে এসব ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। আল জাজিরা বলছে, ভিসা বাতিলের এই বড় সংখ্যা ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন দমননীতির ব্যাপকতাই তুলে ধরছে। ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর যে কঠোর অভিযান শুরু করেন, তার আওতায় এখন পর্যন্ত ২৫ লাখের বেশি মানুষ স্বেচ্ছায় দেশত্যাগ বা বহিষ্কারের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছে প্রশাসন।

গত মাসে একে তারা ‘রেকর্ড গড়া সাফল্য’ হিসেবেও উল্লেখ করে।তবে এসব বহিষ্কারের মধ্যে বৈধ ভিসাধারীরাও ছিলেন। আর এটিই যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ও মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। একই সঙ্গে ভিসা দেয়ার নীতিও আরও কঠোর করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই আরও কড়াকড়ি করা হয়েছে এবং আবেদনকারীদের অতীত ঘটনাবলী যাচাইয়ের পরিধি বাড়ানো হয়েছে। পররাষ্ট্র দপ্তর এক্সে দেয়া পোস্টে বলেছে, ‘আমেরিকাকে নিরাপদ রাখতে আমরা এসব দুষ্কৃতকারীকে বহিষ্কার করতে থাকব।

পররাষ্ট্র দপ্তরের উপমুখপাত্র টমি পিগট জানান, ভিসা বাতিলের চারটি প্রধান কারণ হলো- নির্ধারিত সময়ের বেশি থাকা, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, হামলা এবং চুরি। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের তুলনায় ভিসা বাতিলের সংখ্যা ১৫০ শতাংশ বেড়েছে। এর আগে গত বছরের নভেম্বরেও পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ট্রাম্পের শপথ নেয়ার পর থেকে প্রায় ৮০ হাজার নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে অপরাধের তালিকায় ছিল মদ্যপান অবস্থায় গাড়ি চালানো, হামলা ও চুরি।