Hi

০৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের মানুষ স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেবে না বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ঐতিহ্যবাহী আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলূম বাবুনগর মাদ্রাসার ১০৪তম বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, যারা মানুষ হত্যা, গণহত্যা, গুম, জুলুম ও নির্যাতন করেছে এবং এখন পর্যন্ত জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি কিংবা অনুশোচনা প্রকাশ করেনি, সেই রাজনৈতিক দলকে এ দেশে রাজনীতি করার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ গুম-খুন ও ভয়াবহ নির্যাতনের মাধ্যমে দেশকে বিপর্যস্ত করে ক্ষমতা থেকে পালিয়ে গেছে। শাপলা চত্বরে আলেম-ওলামাদের হত্যা ও মসজিদ রক্তাক্ত করার মতো জঘন্য কর্মকাণ্ড চালিয়েছে এই ফ্যাসিবাদী শক্তি। আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু এই ফ্যাসিবাদী শক্তির প্রত্যাবর্তন ঠেকানোর প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মহান আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস এবং বিসমিল্লাহও পুনঃস্থাপন করা হবে।

দীর্ঘ সংগ্রামের প্রেক্ষাপট ও আত্মত্যাগ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে যেমন ২৩ বছর সময় লেগেছে, তেমনি ফ্যাসিবাদী ও আলেম-ওলামাবিরোধী শাসনের কবল থেকে জনগণকে মুক্ত করতে দীর্ঘ ১৬ থেকে ১৭ বছর সময় লেগেছে। শাপলা চত্বরে অনেক আলেম-ওলামা রক্ত দিয়েছেন, যাদের অনেকের নাম ও কবরের ঠিকানাও অজানা। জুলাই-আগস্টের সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানে জাতিসংঘ ও বিভিন্ন সূত্রের হিসাব অনুযায়ী প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৬ থেকে ১৭ বছরে প্রায় তিন হাজার মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন, যার ভুক্তভোগী তিনি নিজেও ছিলেন। এছাড়া প্রায় সাত হাজার মানুষ হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং লাখ লাখ মানুষ বিভিন্ন হামলা-মামলার মাধ্যমে চরম নিপীড়নের মুখোমুখি হয়েছেন। দেশের মানুষ আর সেই বিভীষিকাময় দিনগুলোতে ফিরে যেতে চায় না। বহু মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশ ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছে।

ফ্যাসিবাদবিরোধী সতর্কতা ও রাজনৈতিক সমীকরণ

আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে কি না এমন উদ্বেগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সেই ফ্যাসিবাদীদের পুনরাগমন চাই না। সাম্প্রতিক সময়ে গার্মেন্টস খাতে শ্রমিক অসন্তোষ ও অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টার পেছনে ফ্যাসিবাদী শক্তির ইন্ধন রয়েছে বলে তিনি সতর্ক করেন। জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক শক্তি ইসলামের কথা বললেও তাদের দলীয় দলিল ও নির্বাচনী ইশতেহারে ইসলামী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সুস্পষ্ট অঙ্গীকার নেই। এমনকি তাদের দলীয় মনোগ্রাম থেকেও ‘আকিমুদ্দীন’ বাদ দেওয়া হয়েছে। বিএনপি ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী দাবি করে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী মূল্যবোধের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনা করবে এবং সংবিধান থেকে আওয়ামী লীগ যে ইসলামী মূল্যবোধ ও বিসমিল্লাহ বাদ দিয়েছিল, তা পুনরায় সংযোজন করা হবে। তিনি আরও বলেন, তারা মুখে এক কথা বলে, কিন্তু তাদের দলিলে কী আছে, সেটি বলে না। তারা কখনো তাদের ইশতেহারে বলেনি, তারা ইসলামী শাসন চায় কিংবা শরিয়াভিত্তিক আইন-কানুন চালু করতে চায়। তাহলে সেই ক্ষেত্র আজকে কারা তৈরি করে দিচ্ছে। যারা এ ধরনের অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা অনুযায়ী দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে প্রণীত জুলাই জাতীয় সনদ বিএনপি অবশ্যই বাস্তবায়ন করবে।

উন্নয়ন পরিকল্পনা ও মহাসম্মেলনে অংশগ্রহণ

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, বর্তমান সরকার একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, রপ্তানি বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি আলেম-ওলামা ও কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে। তিনি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বলেন, আন্দোলনের নামে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে গঠনমূলক সমালোচনা করতে হবে। দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করা উচিত নয়। এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও বাবুনগর মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে তার সভাপতিত্বে আয়োজিত এই মহাসম্মেলনে অংশ নেন তিনি।

  • হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন।
  • চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী সম্মেলনে অংশ নেন।
  • এছাড়াও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়া ও জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আলেম-ওলামারা উপস্থিত ছিলেন।

কোস্টগার্ডের পাঁচ জাহাজের নাম পরিবর্তন করল সরকার

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

বাংলাদেশে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ০৬:৩১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের মানুষ স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেবে না বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ঐতিহ্যবাহী আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলূম বাবুনগর মাদ্রাসার ১০৪তম বার্ষিক দ্বীনি মহাসম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, যারা মানুষ হত্যা, গণহত্যা, গুম, জুলুম ও নির্যাতন করেছে এবং এখন পর্যন্ত জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি কিংবা অনুশোচনা প্রকাশ করেনি, সেই রাজনৈতিক দলকে এ দেশে রাজনীতি করার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ গুম-খুন ও ভয়াবহ নির্যাতনের মাধ্যমে দেশকে বিপর্যস্ত করে ক্ষমতা থেকে পালিয়ে গেছে। শাপলা চত্বরে আলেম-ওলামাদের হত্যা ও মসজিদ রক্তাক্ত করার মতো জঘন্য কর্মকাণ্ড চালিয়েছে এই ফ্যাসিবাদী শক্তি। আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু এই ফ্যাসিবাদী শক্তির প্রত্যাবর্তন ঠেকানোর প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মহান আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস এবং বিসমিল্লাহও পুনঃস্থাপন করা হবে।

দীর্ঘ সংগ্রামের প্রেক্ষাপট ও আত্মত্যাগ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে যেমন ২৩ বছর সময় লেগেছে, তেমনি ফ্যাসিবাদী ও আলেম-ওলামাবিরোধী শাসনের কবল থেকে জনগণকে মুক্ত করতে দীর্ঘ ১৬ থেকে ১৭ বছর সময় লেগেছে। শাপলা চত্বরে অনেক আলেম-ওলামা রক্ত দিয়েছেন, যাদের অনেকের নাম ও কবরের ঠিকানাও অজানা। জুলাই-আগস্টের সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানে জাতিসংঘ ও বিভিন্ন সূত্রের হিসাব অনুযায়ী প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৬ থেকে ১৭ বছরে প্রায় তিন হাজার মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন, যার ভুক্তভোগী তিনি নিজেও ছিলেন। এছাড়া প্রায় সাত হাজার মানুষ হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং লাখ লাখ মানুষ বিভিন্ন হামলা-মামলার মাধ্যমে চরম নিপীড়নের মুখোমুখি হয়েছেন। দেশের মানুষ আর সেই বিভীষিকাময় দিনগুলোতে ফিরে যেতে চায় না। বহু মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশ ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছে।

ফ্যাসিবাদবিরোধী সতর্কতা ও রাজনৈতিক সমীকরণ

আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে কি না এমন উদ্বেগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সেই ফ্যাসিবাদীদের পুনরাগমন চাই না। সাম্প্রতিক সময়ে গার্মেন্টস খাতে শ্রমিক অসন্তোষ ও অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টার পেছনে ফ্যাসিবাদী শক্তির ইন্ধন রয়েছে বলে তিনি সতর্ক করেন। জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক শক্তি ইসলামের কথা বললেও তাদের দলীয় দলিল ও নির্বাচনী ইশতেহারে ইসলামী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সুস্পষ্ট অঙ্গীকার নেই। এমনকি তাদের দলীয় মনোগ্রাম থেকেও ‘আকিমুদ্দীন’ বাদ দেওয়া হয়েছে। বিএনপি ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী দাবি করে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী মূল্যবোধের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনা করবে এবং সংবিধান থেকে আওয়ামী লীগ যে ইসলামী মূল্যবোধ ও বিসমিল্লাহ বাদ দিয়েছিল, তা পুনরায় সংযোজন করা হবে। তিনি আরও বলেন, তারা মুখে এক কথা বলে, কিন্তু তাদের দলিলে কী আছে, সেটি বলে না। তারা কখনো তাদের ইশতেহারে বলেনি, তারা ইসলামী শাসন চায় কিংবা শরিয়াভিত্তিক আইন-কানুন চালু করতে চায়। তাহলে সেই ক্ষেত্র আজকে কারা তৈরি করে দিচ্ছে। যারা এ ধরনের অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা অনুযায়ী দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে প্রণীত জুলাই জাতীয় সনদ বিএনপি অবশ্যই বাস্তবায়ন করবে।

উন্নয়ন পরিকল্পনা ও মহাসম্মেলনে অংশগ্রহণ

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, বর্তমান সরকার একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, রপ্তানি বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি আলেম-ওলামা ও কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে। তিনি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বলেন, আন্দোলনের নামে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে গঠনমূলক সমালোচনা করতে হবে। দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করা উচিত নয়। এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও বাবুনগর মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে তার সভাপতিত্বে আয়োজিত এই মহাসম্মেলনে অংশ নেন তিনি।

  • হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন।
  • চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী সম্মেলনে অংশ নেন।
  • এছাড়াও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়া ও জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আলেম-ওলামারা উপস্থিত ছিলেন।