Hi

০৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০৩০ সালের মধ্যে কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশের নাগরিকদের দৃষ্টিশক্তির সুরক্ষায় ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের অন্তত ১ কোটি মানুষকে চশমা প্রদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি একই সময়ের মধ্যে ১০ লাখ মানুষের চোখের ছানি অস্ত্রোপচার এবং প্রায় ২ কোটি মানুষকে রেফারেল সুবিধার আওতায় এনে চক্ষু চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিশ্ব চক্ষু স্বাস্থ্য সম্মেলনে এক ভিডিও বক্তব্যে তিনি সরকারের এই অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। এ ছাড়া দৃষ্টি ত্রুটি দূর করতে এক কোটি চশমা বিতরণ এবং একই সময়ে ১০ লাখ মানুষের চোখের ছানি অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ।

অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা সরকারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই বিশ্ব সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বর্তমান সরকারের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার বিস্তারিত উপস্থাপন করা হয়। সম্মেলনে সহ-আয়োজক হিসেবে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। ডব্লিউএইচও ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো, ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদে প্রতিটি নাগরিকের চোখ পরীক্ষার সুযোগ তৈরি করা এবং প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব থেকে দেশবাসীকে মুক্ত রাখা। এই সম্মেলনের সহ আয়োজক হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব কেবল একটি মানবিক সংকট নয়, বরং এটি দেশের অর্থনীতি ও জাতীয় উৎপাদনশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য সুস্থ দৃষ্টি অপরিহার্য। তাই সরকার জনস্বাস্থ্য খাতে চোখের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি জানান, জাতীয় স্বাস্থ্য কাঠামোর মাধ্যমে অন্ধত্ব প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসা সেবা প্রদান অব্যাহত থাকবে।

পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন ডা. এম এ মুহিত। দেশের নাগরিকদের জন্য মানসম্মত চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান জাতীয় প্রতিশ্রুতি।

জনপ্রিয়

ঢাকায় বাংলাদেশ-রাশিয়া আন্তঃসরকারি কমিশনের পঞ্চম বৈঠক ৫ নভেম্বর

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

২০৩০ সালের মধ্যে কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ০৬:১১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

দেশের নাগরিকদের দৃষ্টিশক্তির সুরক্ষায় ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের অন্তত ১ কোটি মানুষকে চশমা প্রদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি একই সময়ের মধ্যে ১০ লাখ মানুষের চোখের ছানি অস্ত্রোপচার এবং প্রায় ২ কোটি মানুষকে রেফারেল সুবিধার আওতায় এনে চক্ষু চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিশ্ব চক্ষু স্বাস্থ্য সম্মেলনে এক ভিডিও বক্তব্যে তিনি সরকারের এই অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। এ ছাড়া দৃষ্টি ত্রুটি দূর করতে এক কোটি চশমা বিতরণ এবং একই সময়ে ১০ লাখ মানুষের চোখের ছানি অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ।

অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা সরকারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই বিশ্ব সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বর্তমান সরকারের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার বিস্তারিত উপস্থাপন করা হয়। সম্মেলনে সহ-আয়োজক হিসেবে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। ডব্লিউএইচও ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো, ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদে প্রতিটি নাগরিকের চোখ পরীক্ষার সুযোগ তৈরি করা এবং প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব থেকে দেশবাসীকে মুক্ত রাখা। এই সম্মেলনের সহ আয়োজক হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব কেবল একটি মানবিক সংকট নয়, বরং এটি দেশের অর্থনীতি ও জাতীয় উৎপাদনশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য সুস্থ দৃষ্টি অপরিহার্য। তাই সরকার জনস্বাস্থ্য খাতে চোখের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি জানান, জাতীয় স্বাস্থ্য কাঠামোর মাধ্যমে অন্ধত্ব প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসা সেবা প্রদান অব্যাহত থাকবে।

পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন ডা. এম এ মুহিত। দেশের নাগরিকদের জন্য মানসম্মত চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান জাতীয় প্রতিশ্রুতি।