Hi

০৬:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চকরিয়ার সাতজনের মর্মান্তিক মৃত্যু

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মদিনা থেকে জেদ্দায় যাওয়ার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ সাত বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা। তারা সৌদি আরবের আল আবীর কোল্ড স্টোরস ট্রেডিং কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। স্থানীয় সময় গত শুক্রবার গভীর রাতে ২টার দিকে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নিহতদের সবার বাড়ি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায়।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ওই কোম্পানির স্টোরকিপার জিয়াউর রহমান, তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে, ফর্কলিফট চালক ইলিয়াসের স্ত্রী এবং মক্কায় কর্মরত স্টোরকিপার আলম শাহ ও তার এক মাস বয়সী শিশুকন্যা। দুর্ঘটনার পর বর্তমানে মরদেহগুলো মদিনার একটি সরকারি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তবে নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় বা ঠিক কোন এলাকার বাসিন্দা, তা এখনও স্পষ্টভাবে জানা সম্ভব হয়নি। প্রশাসন পরিচয় ও ঠিকানা খোঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার জানিয়েছেন, গণমাধ্যমের বরাতে বিষয়টি তিনি শুনেছেন, তবে প্রশাসনিকভাবে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। নিহতদের পরিচয় ও বিস্তারিত তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলছে। আল আবীর কোম্পানির মার্কেটিং ম্যানেজার নুরুজ্জামান দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিক তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সৌদিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট নিহতদের বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে এবং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ কিংবা কখন মরদেহগুলো দেশে পৌঁছাবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তারা লাশগুলো দেশে ফিরিয়ে আনতে সার্বিক সহযোগিতা দেবে।

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চকরিয়ার সাতজনের মর্মান্তিক মৃত্যু

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চকরিয়ার সাতজনের মর্মান্তিক মৃত্যু

আপডেট : ০৬:৩১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মদিনা থেকে জেদ্দায় যাওয়ার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ সাত বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা। তারা সৌদি আরবের আল আবীর কোল্ড স্টোরস ট্রেডিং কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। স্থানীয় সময় গত শুক্রবার গভীর রাতে ২টার দিকে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নিহতদের সবার বাড়ি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায়।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ওই কোম্পানির স্টোরকিপার জিয়াউর রহমান, তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে, ফর্কলিফট চালক ইলিয়াসের স্ত্রী এবং মক্কায় কর্মরত স্টোরকিপার আলম শাহ ও তার এক মাস বয়সী শিশুকন্যা। দুর্ঘটনার পর বর্তমানে মরদেহগুলো মদিনার একটি সরকারি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তবে নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় বা ঠিক কোন এলাকার বাসিন্দা, তা এখনও স্পষ্টভাবে জানা সম্ভব হয়নি। প্রশাসন পরিচয় ও ঠিকানা খোঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার জানিয়েছেন, গণমাধ্যমের বরাতে বিষয়টি তিনি শুনেছেন, তবে প্রশাসনিকভাবে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। নিহতদের পরিচয় ও বিস্তারিত তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলছে। আল আবীর কোম্পানির মার্কেটিং ম্যানেজার নুরুজ্জামান দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিক তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সৌদিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট নিহতদের বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে এবং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ কিংবা কখন মরদেহগুলো দেশে পৌঁছাবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তারা লাশগুলো দেশে ফিরিয়ে আনতে সার্বিক সহযোগিতা দেবে।