Hi

০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রমিকের আবেগকে পুঁজি করে নৈরাজ্য বরদাশত করা হবে না: ডিআইজি মোস্তাফিজুর

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৭:১৫:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ৬ জন দেখেছে

গাজীপুর বর্তমানে শান্ত রয়েছে এবং এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিঘ্নিত করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ড এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, শ্রমিকের আবেগকে হাতিয়ার বানিয়ে যারা নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে, তাদের প্রতিহত করতে পুলিশ, শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। শ্রমিকের আবেগকে কাজে লাগিয়ে যারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, পুলিশসহ শ্রমিক, মালিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ সবাই মিলে তাদের প্রতিহত করবে।

ডিআইজি আরও বলেন, শ্রমিকরা আমাদের প্রকৃত যোদ্ধা, তাদের শ্রমেই দেশের রপ্তানিমুখী শিল্প ও রেমিট্যান্স প্রবাহ সচল রয়েছে। সরকার ও পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে শ্রমিকদের দাবির প্রতি পূর্ণ সহানুভূতি ও সংবেদনশীলতা রয়েছে। পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটলেও তারা অত্যন্ত মানবিক ও ধৈর্যের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। কারণ, কোনো অবস্থাতেই শ্রমিকদের কোনো ক্ষতি বা আহত হওয়ার পরিস্থিতি পুলিশ চায় না। তবে সহানুভূতির সুযোগ নিয়ে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টা করছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আপনারা দেখছেন যে আমাদের পুলিশের কিছু সদস্য আহত হলেও আমরা শ্রমিক বা শ্রম সেক্টরে পূর্ণ মানবিকভাবে কাজ করছি।

কারখানা ভাঙচুর, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ কিংবা রাস্তা অবরোধের মতো কর্মকাণ্ড শ্রমিকদের আন্দোলনের অংশ হতে পারে না উল্লেখ করে ডিআইজি বলেন, যারা এসব করছে তারা শ্রমিকের বন্ধু নয়, বরং বড় ক্ষতি করছে। এই অশুভ চক্রকে রুখে দেওয়ার দায়িত্ব শ্রমিকদেরও। তিনি বলেন, গাজীপুরের শান্তি রক্ষা শুধু পুলিশের একার দায়িত্ব নয়, এটি একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা। এই অঞ্চলের অধিবাসী এবং ব্যবসায়ীরা যেহেতু এই শিল্প খাতের ওপর নির্ভরশীল, তাই তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে। সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণে একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হবে। শুধু শ্রমিক নয়, এই এলাকার অধিবাসী ও ব্যবসায়ীদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ডিআইজি।

পরিদর্শনকালে ডিআইজির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি সিদ্দিকুর রহমান, গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন, কালিয়াকৈর সার্কেল এসপি শফিকুল ইসলাম, কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ডিআইজি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, গাজীপুরের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং যে কোনো নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি কঠোরভাবে দমন করা হবে।

মন্ত্রী: ডিসেম্বরেই মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ফ্লাইট শুরু

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

শ্রমিকের আবেগকে পুঁজি করে নৈরাজ্য বরদাশত করা হবে না: ডিআইজি মোস্তাফিজুর

আপডেট : ০৭:১৫:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

গাজীপুর বর্তমানে শান্ত রয়েছে এবং এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিঘ্নিত করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ড এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, শ্রমিকের আবেগকে হাতিয়ার বানিয়ে যারা নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে, তাদের প্রতিহত করতে পুলিশ, শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। শ্রমিকের আবেগকে কাজে লাগিয়ে যারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, পুলিশসহ শ্রমিক, মালিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ সবাই মিলে তাদের প্রতিহত করবে।

ডিআইজি আরও বলেন, শ্রমিকরা আমাদের প্রকৃত যোদ্ধা, তাদের শ্রমেই দেশের রপ্তানিমুখী শিল্প ও রেমিট্যান্স প্রবাহ সচল রয়েছে। সরকার ও পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকে শ্রমিকদের দাবির প্রতি পূর্ণ সহানুভূতি ও সংবেদনশীলতা রয়েছে। পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটলেও তারা অত্যন্ত মানবিক ও ধৈর্যের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। কারণ, কোনো অবস্থাতেই শ্রমিকদের কোনো ক্ষতি বা আহত হওয়ার পরিস্থিতি পুলিশ চায় না। তবে সহানুভূতির সুযোগ নিয়ে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টা করছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আপনারা দেখছেন যে আমাদের পুলিশের কিছু সদস্য আহত হলেও আমরা শ্রমিক বা শ্রম সেক্টরে পূর্ণ মানবিকভাবে কাজ করছি।

কারখানা ভাঙচুর, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ কিংবা রাস্তা অবরোধের মতো কর্মকাণ্ড শ্রমিকদের আন্দোলনের অংশ হতে পারে না উল্লেখ করে ডিআইজি বলেন, যারা এসব করছে তারা শ্রমিকের বন্ধু নয়, বরং বড় ক্ষতি করছে। এই অশুভ চক্রকে রুখে দেওয়ার দায়িত্ব শ্রমিকদেরও। তিনি বলেন, গাজীপুরের শান্তি রক্ষা শুধু পুলিশের একার দায়িত্ব নয়, এটি একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা। এই অঞ্চলের অধিবাসী এবং ব্যবসায়ীরা যেহেতু এই শিল্প খাতের ওপর নির্ভরশীল, তাই তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে। সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণে একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হবে। শুধু শ্রমিক নয়, এই এলাকার অধিবাসী ও ব্যবসায়ীদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ডিআইজি।

পরিদর্শনকালে ডিআইজির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি সিদ্দিকুর রহমান, গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন, কালিয়াকৈর সার্কেল এসপি শফিকুল ইসলাম, কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ডিআইজি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, গাজীপুরের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং যে কোনো নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি কঠোরভাবে দমন করা হবে।